📅 ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৫৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সৌদিতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই বাংলাদেশির পরিবার: 'বিনা কারণে মেরে ফেলা হয়েছে'

সৌদিতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই বাংলাদেশির পরিবার: 'বিনা কারণে মেরে ফেলা হয়েছে'

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই বাংলাদেশি নজরুল ইসলাম ও সুইটি আক্তারকে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে ভুল তথ্য ছড়িয়ে পড়ছে। তাদের পরিবার জানায়, তারা স্বামী-স্ত্রী নয় এবং নজরুলকে বিনা কারণে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। নজরুলের বাবা আবদুল বাছির দাবি করেন, ছেলেকে ঋণ করে বিদেশে পাঠানো হয়েছিল এবং তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার খবর পেয়ে তার ফুফু মারা যান

সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই বাংলাদেশি নাগরিক নজরুল ইসলাম ও সুইটি আক্তারের পরিবার জানিয়েছে, তারা স্বামী-স্ত্রী নয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের বিরামপুর গ্রামের আবদুল বাছিরের ছেলে নজরুলকে সৌদি সরকার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে। তবে পরিবার দাবি করে, নজরুলের স্ত্রী হিসেবে পরিচিত সুইটি আক্তারকে তারা কখনো দেখেননি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নজরুল ইসলাম ও সুইটি আক্তারকে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে ভুল তথ্য ছড়িয়ে পড়ছে, কিন্তু পরিবার দাবি করে তারা স্বামী-স্ত্রী নয়
  • 📌 নজরুলের বাবা আবদুল বাছির জানান, সৌদিতে যাওয়ার পর মাত্র ছয় মাস কাজ করতে পেরেছিলেন তার ছেলে, এরপর তিন বছর তিন মাস কারাগারে ছিলেন
  • 📌 নজরুলের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার খবর পেয়ে তার ফুফু আবেদা বেগম হৃদরোগে মারা যান
  • 📌 নজরুলের পরিবার দাবি করে, সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে কোনো যোগাযোগ বা বিচার চর্চা হয়নি
  • 📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক জানান, নজরুলের পরিবারের সঙ্গে এখনো কোনো যোগাযোগ হয়নি

📰 বিস্তারিত

সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নজরুল ইসলাম ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের বিরামপুর গ্রামের আবদুল বাছিরের ছেলে। নজরুলের বাবা আবদুল বাছির জানান, ছেলেকে অল্প বয়সে পরিবারের হাল ধরতে ঋণ করে বিদেশে পাঠিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘সাত লাখ টাকা ঋণ করে ছেলেকে বিদেশে পাঠিয়েছিলাম। এর মধ্যে দেড় লাখ টাকা পাঠিয়েছিল। ঋণদাতারাও আমাকে চাপ দিচ্ছে। আমি আমার ছেলের মরদেহ দেশের মাটিতে ফিরে পেতে চাই।’

নজরুলের মা রহিমা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘আমাদের না জানিয়ে গোপনে ছেলেকে মেরে ফেলা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমার ছেলে কী অপরাধ করেছে, একমাত্র আল্লাহই ভালো জানেন। এখন আমি শুধু আমার সন্তানের মরদেহ দেশের মাটিতে ফিরে পেতে চাই।’

স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, নজরুল ২০২২ সালের ১০ নভেম্বর সৌদি আরবে পাড়ি দেন। সেখানে যাওয়ার ছয় মাসের মাথায় মক্কা নগরীর একটি মসজিদে সুইটি আক্তার নামে এক তরুণীর সঙ্গে অনৈতিক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করে সৌদি আরবের পুলিশ। নজরুলের গ্রেপ্তারের খবর পরিবার তখন জানতে পারলেও কী কারণে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তা জানতে পারেনি।

তিন বছর তিন মাস কারাবন্দী থাকার পর গত বুধবার নজরুল ইসলাম ও সুইটি আক্তারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে সৌদি সরকার। নজরুলের মৃত্যুদণ্ডের খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে গ্রামবাসী তাঁদের বাড়িতে আসছেন এবং পরিবারের খোঁজখবর নিচ্ছেন। স্থানীয় মাইনুদ্দিন বলেন, আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে নজরুলের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করায় অসন্তোষ গ্রামবাসী।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি গাজী নিয়াজুল করিম বলেন, ‘এখন পর্যন্ত যা দেখছি, বাংলাদেশ দূতাবাসের যথেষ্ট অবহেলা রয়েছে। তাঁরা যোগাযোগ করলে এই পরিস্থিতি হতো না। আজ পর্যন্ত নজরুলের পরিবারের সঙ্গেও তাঁরা কেউ যোগাযোগ করেনি।’

"আমি আমার ছেলের মরদেহ দেশের মাটিতে ফিরে পেতে চাই। আমার ছেলেকে বিনা কারণে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়ে থাকলে এর বিচার চাই।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সৌদি আরব (মক্কা), ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা (বিরামপুর গ্রাম)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নজরুল ইসলাম (বাবা: আবদুল বাছির), সুইটি আক্তার, রহিমা বেগম, আবেদা বেগম, গাজী নিয়াজুল করিম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২ বছর (নজরুলের বয়স), ১০ নভেম্বর ২০২২ (সৌদি যাত্রা), ৬ মাস (কাজের সময়), ৩ বছর ৩ মাস (কারাগারে থাকা), ৭ লাখ টাকা (ঋণ), ১.৫ লাখ টাকা (পাঠানো)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖