📅 ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৫১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সৌদি মৃত্যুদণ্ডে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ছেলের বাবা-মা চায় মরদেহের একবার দেখা

সৌদি মৃত্যুদণ্ডে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ছেলের বাবা-মা চায় মরদেহের একবার দেখা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সৌদি আরবে নজরুল ইসলামের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার পর তার বাবা-মা মরদেহের একবার দেখা চাইছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর উপজেলার বাসিন্দা নজরুলের পরিবার অভিযোগ করে ষড়যন্ত্রের কারণে ছেলেকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর উপজেলার আবদুল বাছির ও রহিমা বেগমের বড় ছেলে নজরুল ইসলাম (২৫) সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার পর পরিবার শোকের গভীরে ডুবে পড়েছে। মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার খবর শুনে নজরুলের ফুফু আবেদা বেগম (৬৫) মারা যান। বাবা-মা শুধু একটাই চান — সৌদি আরব থেকে ছেলের মরদেহ দেশে এনে একবার দেখানো।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সৌদি আরবে নজরুল ইসলাম ও সুইটি আখতারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর; নজরুল ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাসিন্দা
  • 📌 নজরুলের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার খবর শুনে তার ফুফু মারা যান; বাবা-মা মরদেহের একবার দেখা চান
  • 📌 নজরুলের পরিবার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ করে; সৌদি আরবে পরিচ্ছন্নতার কাজে পাকিস্তানি নাগরিকের সাথে বিরোধের কথা জানিয়েছিলেন
  • 📌 নজরুলের বন্ধু ও আত্মীয়রা দাবি করেন, তার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে অভিযোগ সাংঘর্ষিক
  • 📌 নজরুল ২০২২ সালের নভেম্বর মাসে সৌদি আরবে যান; গ্রেপ্তার হওয়ার পর পরিবারকে এক মাস পরপর ফোন করতেন

📰 বিস্তারিত

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর উপজেলার আবদুল বাছির ও রহিমা বেগমের বড় ছেলে নজরুল ইসলাম (২৫) সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার পর পরিবার শোকের গভীরে ডুবে পড়েছে। নজরুলের পরিবার জানায়, সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা নগরীর একটি মসজিদে অনৈতিক কাজ করার অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করার পর তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) গত বুধবার (১৪ অক্টোবর) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

নজরুলের বাবা আবদুল বাছির বলেন, “আমি শেষবারের মতো ছেলের লাশ দেখতে চাই। আমার মনে হচ্ছে, বেঁচে থেকেও আমি বেঁচে নেই।” নজরুলের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার খবর শুনে তার ফুফু আবেদা বেগম (৬৫) মূর্ছা পড়েন এবং মারা যান। নজরুলের পরিবার জানায়, সৌদি আরবে নজরুলের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ তাঁর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে যায় না। তাঁরা দাবি করেন, এ অভিযোগের পেছনে ষড়যন্ত্র ছিল।

নজরুলের দূরসম্পর্কের দুই চাচাতো ভাই মোস্তাকিম ভূঁইয়া ও ইমাম হাসান ভূঁইয়া বলেন, “সৌদি আরবে পরিচ্ছন্নতার কাজ করার সময় নজরুলের সঙ্গে একজনের বিরোধ তৈরি হয়। ওই ব্যক্তি পাকিস্তানের নাগরিক। ওই লোকের ষড়যন্ত্রের কারণেই নজরুলের এমন পরিণতি হয়েছে বলে আমরা মনে করি।” নজরুলের বন্ধু রাহাত ভূঁইয়া বলেন, “সৌদি আরবে নজরুলের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ তাঁর চারিত্রিক বৈশিষ্টের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। সে এ ধরনের কাজ করেছে বলে বিশ্বাস হচ্ছে না।”

নজরুলের বাসস্থান ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর উপজেলায়। তিনি ২০২০ সালে একটি মাদ্রাসা থেকে দাখিল পাস করেন এবং পরে মানবিক বিভাগে ভর্তি হন। নজরুলের বাবা দীর্ঘ ২৪ বছর সৌদি আরবে ছিলেন। ২০২০ সালে দেশে ফিরে কৃষিকাজ শুরু করেন। নজরুলের ছোট ভাই (১৪) স্থানীয় একটি দাখিল মাদ্রাসায় পড়ে, এক বোন (৯) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণিতে পড়েন এবং ছোট বোনের বয়স চার বছর।

"আমার ছেলের বিরুদ্ধে যে অভিযাগ আনা হয়েছে তা মিথ্যা। আমি শেষবারের মতো ছেলের লাশ দেখতে চাই।"

নজরুলের মা রহিমা বেগম বলেন, “সৌদি আরবে নজরুলের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ তাঁর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে যায় না। আমরা ষড়যন্ত্র দেখছি।” স্থানীয় দাখিল মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট মাওলানা নাঈমুর রহমান বলেন, “নজরুলের আচার-আচরণ ও চলাফেরা খুবই ভালো ছিল। কেউ তাঁর বিষয়ে এমন বলতে পারবে না যে ছেলেটা বাজে ছিল বা খারাপ ছিল।”

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা, সদর উপজেলা, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নজরুল ইসলাম (২৫), আবদুল বাছির, রহিমা বেগম, আবেদা বেগম (৬৫), মোস্তাকিম ভূঁইয়া, ইমাম হাসান ভূঁইয়া, রাহাত ভূঁইয়া
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ (নজরুলের বয়স), ৬৫ (ফুফুর বয়স), ১৪ (ছোট ভাই), ৯ (বোনের বয়স), ২৪ (বাবার সৌদি আরবে থাকা বছর), ১১ (অক্টোবর, সর্বশেষ কথা বলা তারিখ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖