📌 রাশিয়ায় মানবপাচার চক্রের মূলহোতা মিজানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এসআরবি জানায়, ৩০ বাংলাদেশির মধ্যে ২০ জন যুদ্ধক্ষেত্রে মারা গেছেন, মাত্র দুজন দেশে ফিরতে পেরেছেন। অভিযুক্ত আবু তাহের লিন্টুও গ্রেপ্তার
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে জড়ানোর জন্য বাংলাদেশ থেকে মানবপাচার করে রাশিয়ায় পাঠানো ৩০ বাংলাদেশির মধ্যে ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে যুদ্ধক্ষেত্রে। এ ঘটনার মূলহোতা মিজানকে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) গ্রেপ্তার করেছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় রাজধানীর কারওয়ান বাজারের এসআরবি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মিজান ও আবু তাহের লিন্টুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে মানবপাচার চক্রের জন্য।
- 📌 ৩০ বাংলাদেশিকে রাশিয়ায় পাঠানো হয়, তাদের মধ্যে ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে যুদ্ধক্ষেত্রে, ২ জন দেশে ফিরে আসে।
- 📌 গ্রেপ্তারকৃতদের ২০ দিন প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল রাশিয়ায়।
- 📌 এসআরবি-১০-এর অধিনায়ক মোহা. আসাদুজ্জামান সংবাদ সম্মেলনে ঘটনাটি বিস্তারিত জানান।
📰 বিস্তারিত
রাজধানীর কারওয়ান বাজারে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১০-এর অধিনায়ক ও অতিরিক্ত ডিআইজি মোহা. আসাদুজ্জামান বলেন, মঙ্গলবার অভিযুক্ত দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসআরবি জানায়, মানবপাচার চক্রের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে রাশিয়ায় পাঠানো ৩০ বাংলাদেশির মধ্যে ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে যুদ্ধক্ষেত্রে। মাত্র দুজন দেশে ফিরতে পেরেছে।
এসআরবি জানায়, রাশিয়ায় পাঠানো ব্যক্তিদেরকে ২০ দিন প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল। এ ঘটনার ব্রিফিংয়ে এসআরবির সদস্যরা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তারা সকলকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান, যেন কেউ এমন প্রতারণায় ফসা না যায়।
"এ ঘটনায় মূল মাস্টারমাইন্ড মিজানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়াও অভিযুক্ত আবু তাহের লিন্টুও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানী কারওয়ান বাজার, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিজান, আবু তাহের লিন্টু, মোহা. আসাদুজ্জামান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ (বাংলাদেশি), ২০ (মৃত্যু), ২০ (দিন প্রশিক্ষণ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!