📌 সৌদি আরবে নির্যাতনের শিকার হবিগঞ্জের রেহেনা খাতুনকে বাংলাদেশ দূতাবাসের হেফাজতে নিয়ে আসা হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার দেশে ফেরানোর প্রস্তুতি চলছে। তার পাওনা বেতন-ভাতা পরিশোধের দাবি উঠেছে
সৌদি আরবে গৃহকর্মী হিসেবে নির্যাতনের শিকার হওয়া হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার রেহেনা খাতুনকে বাংলাদেশ দূতাবাসের হেফাজতে নিয়ে আসা হয়েছে। গত ৫ অক্টোবর তিনি দূতাবাসে নিরাপদে আশ্রয় পান। এদিকে, রেহেনাকে আগামী বৃহস্পতিবার দেশে ফেরানোর জন্য বিমান টিকিটও কেনা হয়েছে বলে জানা গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সৌদি নির্যাতন থেকে রেহেনা খাতুনকে বাংলাদেশ দূতাবাসের হেফাজতে নিয়ে আসা হয়েছে।
- 📌 গত ৩ অক্টোবর আরটিভি অনলাইনে প্রকাশিত গোপন ভিডিও সংবাদের পর ৫ অক্টোবর দূতাবাসে নেওয়া হয় তাকে।
- 📌 পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে সৌদি দূতাবাসে রেহেনাকে দ্রুত দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
- 📌 রেহেনার স্বামী আলী আহমদ বলেছেন, সরকারের উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ, কিন্তু তার পাওনা বেতন-ভাতা এখনো পরিশোধ হয়নি।
- 📌 রেহেনার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে, কিন্তু তার শেষ ইমু ভিডিও বার্তায় সরকারের উদ্যোগের জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।
📰 বিস্তারিত
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের কমলপুর গ্রামের রেহেনা খাতুন সৌদি আরবে গৃহকর্মী হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন। নির্যাতনের শিকার হয়ে তিনি গোপনে একটি ভিডিও বার্তা পাঠিয়েছিলেন, যা গত ৩ অক্টোবর আরটিভি অনলাইনে প্রকাশিত হয়। এরপর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কল্যাণ শাখার পরিচালক লোকমান হোসেন সৌদি দূতাবাসে চিঠি পাঠিয়ে রেহেনাকে দ্রুত দেশে ফেরানোর নির্দেশ দেন।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও যোগাযোগ শাখার উপ-পরিচালক আজিজুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, রেহেনাকে দূতাবাসের হেফাজতে নিয়ে আসা হয়েছে এবং সেখানে তাকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। রিক্রুটিং এজেন্সি জেনিয়া ওভারসিজের কর্মকর্তা হাসান মিয়া বলেন, আগামী বৃহস্পতিবার রেহেনাকে দেশে ফেরানোর জন্য বিমান টিকিটও কেনা হয়েছে।
রেহেনার স্বামী আলী আহমদ বলেন, “রেহেনাকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়ায় সরকারকে অসংখ্য ধন্যবাদ। যারা বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছেন, তাদেরও কৃতজ্ঞতা। তবে তার পাওনা বেতন-ভাতা এখনো পরিশোধ করা হয়নি। আমরা অত্যন্ত দরিদ্র। তার পাওনা টাকা আদায়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।”
রেহেনার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। তবে তার সর্বশেষ ইমু ভিডিও বার্তায় তিনি জানিয়েছেন, “আমার বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হয়নি। এছাড়া আমার কাছ থেকে জোর করে একটি জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে। তবে সরকারের উদ্যোগ নেওয়ায় আমি কৃতজ্ঞ। দেশে ফিরে আসার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি।”
"আমার বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হয়নি। আমার কাছ থেকে জোর করে একটি জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে। তবে সরকারের উদ্যোগ নেওয়ায় আমি কৃতজ্ঞ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সৌদি আরব (জেদ্দা), বাংলাদেশ দূতাবাস (রিয়াদ), হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রেহেনা খাতুন, আলী আহমদ (স্বামী), আজিজুল ইসলাম ভূঁইয়া, লোকমান হোসেন, হাসান মিয়া
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ অক্টোবর (ভিডিও প্রকাশ), ৫ অক্টোবর (দূতাবাসে হেফাজতে), ৪ অক্টোবর (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!