📌 ফিলিপাইন থেকে উন্নত দেশে ভিসা পাওয়ার সুযোগ বেশি। গার্মেন্টস, ফুডস ট্রেডিং ও কল সেন্টারে বাংলাদেশিদের ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ রয়েছে। ফিলিপাইনের পড়াশোনার মান উচ্চ এবং এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্টে শতভাগ বৃত্তি দেওয়া হয়। এছাড়াও ফিলিপাইন থেকে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামে ব্যবসা করার সুযোগ রয়েছে
ফিলিপাইন থেকে উন্নত দেশে ভিসা পাওয়ার সুযোগ বেশি এবং ক্যারিয়ার গড়ার জন্য বাংলাদেশিদের জন্য বেশ কয়েকটি সুযোগ রয়েছে। ফিলিপাইনে ১২ বছর ব্যবসা করে আসা ওয়ালিউল ইসলাম সাহেলের অভিজ্ঞতা থেকে জানা যায়, গার্মেন্টস, ফুডস ট্রেডিং ও কল সেন্টারে ব্যবসা করার সুযোগ রয়েছে। তবে ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা না থাকলে এখানে ব্যবসা করা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফিলিপাইনে বাংলাদেশিদের জন্য গার্মেন্টস, ফুডস ট্রেডিং ও কল সেন্টারে ব্যবসা করার সুযোগ রয়েছে, তবে অভিজ্ঞতা প্রয়োজন
- 📌 ফিলিপাইনের পড়াশোনার মান উচ্চ এবং এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্টে শতভাগ বৃত্তি দেওয়া হয়
- 📌 ফিলিপাইন থেকে উন্নত দেশে ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি, কারণ এখানকার শিক্ষার্থীদের জন্য বাংলাদেশের তুলনায় সহজ
- 📌 ফিলিপাইন থেকে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামে ব্যবসা করার সুযোগ রয়েছে
- 📌 ফিলিপাইনে বাংলাদেশিরা প্রধানত গার্মেন্টস, রেস্টুরেন্ট ও কল সেন্টারে কাজ করছেন
- 📌 ম্যানিলা শহরে বাংলাদেশিদের সংখ্যা বেশি, অন্য শহরেও কিছু সংখ্যক বাংলাদেশি বসবাস করছেন
- 📌 স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়ার সুযোগ বেশি, তবে ফ্রেশ পাসপোর্টে ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে
📰 বিস্তারিত
ফিলিপাইনে ব্যবসা করছেন ওয়ালিউল ইসলাম সাহেল। তিনি দ্য বিরিয়ানি স্টোরি ও তাকওয়া হালাল মার্টের মালিক। এছাড়াও বাংলাদেশ, চীন ও ভিয়েতনাম থেকে গার্মেন্টস আমদানি করেন। তিনি বলেন, ফিলিপাইনে বাংলাদেশিদের জন্য গার্মেন্টস, ফুডস ট্রেডিং ও কল সেন্টারে ব্যবসা করার সুযোগ রয়েছে। তবে ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা না থাকলে এখানে ব্যবসা করা অনেক চ্যালেঞ্জিং হতে পারে।
ফিলিপাইনের পড়াশোনার মান বাংলাদেশের তুলনায় বেশি। এখানে বাংলাদেশিদের জন্য বিভিন্ন ধরনের বৃত্তি রয়েছে। এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্টে এডিবি-জাপানের অর্থায়নে মাস্টার্স প্রোগ্রামে শতভাগ বৃত্তি দেওয়া হয়। এছাড়াও ইউনিভার্সিটি অব দ্য ফিলিপাইনস আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেয়। ফিলিপাইনের বিশ্ববিদ্যালয়ের মান বাংলাদেশের বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ে ভালো।
ফিলিপাইন থেকে উন্নত দেশে ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কারণ এখানকার শিক্ষার্থীদের জন্য বাংলাদেশের তুলনায় ভিসা পাওয়ার সুযোগ বেশি। ফিলিপাইন থেকে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামে ব্যবসা করার সুযোগ রয়েছে। তবে ব্যবসা শুরু করার আগে সেই দেশের সম্পর্কে ভালোভাবে জানা এবং অভিজ্ঞতা অর্জন করা প্রয়োজন।
ফিলিপাইনে বাংলাদেশিরা প্রধানত গার্মেন্টস, রেস্টুরেন্ট ও কল সেন্টারে কাজ করছেন। এছাড়াও ব্যাংকিং খাত ও বহুজাতিক কোম্পানিতেও উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন পেশাজীবীরা কাজ করছেন। অনেকে শিক্ষকতাও করছেন।
ফিলিপাইনের মানুষ মাতৃভাষার পাশাপাশি ইংরেজিতেও পারদর্শী। ফিলিপাইন মূলত একটি ঔপনিবেশিক দেশ। একসময় এটি স্প্যানিশ, জাপানি ও আমেরিকানদের কলোনি ছিল। ফলে এখানে স্প্যানিশ ও ইংরেজি ভাষার প্রচলন রয়েছে। বিশ্বে আমেরিকার প্রভাব বেশি হওয়ায় এখানকার মানুষ ইংরেজি বেশি শেখে। স্কুলেও ইংরেজি পড়ানো হয়। ফিলিপিনো ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা নেই, তারা ইংরেজি বর্ণমালাই ব্যবহার করে। এটিও তাদের ইংরেজিতে দক্ষ হতে সাহায্য করেছে।
"ফিলিপাইন থেকে উন্নত দেশে ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কারণ এখানকার শিক্ষার্থীদের জন্য বাংলাদেশের তুলনায় ভিসা পাওয়ার সুযোগ বেশি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফিলিপাইন (ম্যানিলা), বাংলাদেশ, চীন, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ওয়ালিউল ইসলাম সাহেল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ বছর (ফিলিপাইনে ব্যবসা), ২১টি দেশে ভ্রমণ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!