📌 কেনিয়ার নাইরোবিতে প্রবাসী বাঙালিরা 'নাইরোবি শিল্পীগোষ্ঠী' নামে একটি সাংস্কৃতিক সংগঠন গড়ে তুলেছে। তারা বাংলা সংস্কৃতির মাধ্যমে একত্রিত হয়ে বন্ধুত্বের উদ্যাপন করেছে এবং সাংস্কৃতিক মিলনমেলা আয়োজন করে চলেছে
কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে প্রবাসী বাঙালিরা সাংস্কৃতিক একাত্মতা ও বন্ধুত্বের সুরে একত্রিত হয়ে 'নাইরোবি শিল্পীগোষ্ঠী' নামে একটি অনন্য সংগঠন গড়ে তুলেছে। এই গোষ্ঠীটি প্রবাসজীবনের একাকিত্বের বিরুদ্ধে লড়াই করে সুরের মাধ্যমে বন্ধুত্বের বন্ধন গড়ে তুলছে। গত রোববার ১ নভেম্বর এই গোষ্ঠী তাদের তৃতীয় 'ব্যাকইয়ার্ড জ্যামিং সেশন' আয়োজন করে, যেখানে বন্ধুত্বের থিমে সাংস্কৃতিক মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **নাইরোবি শিল্পীগোষ্ঠী** নামে প্রবাসী বাঙালিরা বাংলা সংস্কৃতির মাধ্যমে একত্রিত হয়ে বন্ধুত্বের উদ্যাপন করছে।
- 📌 গোষ্ঠীর সদস্যরা বলছেন, প্রবাসে সন্তানদের বড় করতে নিজস্ব সংস্কৃতির চর্চা জরুরি।
- 📌 'ব্যাকইয়ার্ড জ্যামিং সেশন'-এ বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের বন্ধুরা অংশ নিচ্ছেন।
- 📌 গোষ্ঠীর সদস্যরা নিয়মিত কেনিয়াতে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করছেন।
- 📌 গোষ্ঠীর সদস্যরা হলেন: ডিও, অপরাজিতা, কল্প, মিথুন, অনির্বাণ, সোবহা, হর্ষ, নাতাশা, শাহির, বনানী ও জহির।
📰 বিস্তারিত
প্রবাসে একাকিত্বের বিরুদ্ধে লড়াই করে নাইরোবিতে প্রবাসী বাঙালিরা 'নাইরোবি শিল্পীগোষ্ঠী' নামে একটি অনন্য সংগঠন গড়ে তুলেছে। এই গোষ্ঠীটি কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে বাংলাদেশের পেশাজীবীদের মধ্যে বাংলা সংস্কৃতির প্রতি একাত্মতা ও ভালোবাসার ভিত্তিতে গঠিত হয়েছে। গোষ্ঠীর সদস্যরা বলছেন, প্রবাসে নিজের সন্তানদের বড় করতে নিজস্ব সংস্কৃতির চর্চা জরুরি। তারা মনে করেন, শিশুরা দেখে শেখে, তাই তাদেরকে বাংলা সংস্কৃতির সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
গোষ্ঠীর সদস্য মিথুন বলেছেন, 'প্রবাসে নিজের সন্তানদের বড় করতে হলে, নিজস্ব সাংস্কৃতিক চর্চার কোনো বিকল্প নেই। শিশুরা দেখে শেখে। তাই সংস্কৃতি চর্চার প্রথম ধাপ হিসেবে তাদেরকে এর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া বেশি জরুরি।' অন্যদিকে, ডিও বলেছেন, 'বিদেশে থাকলে নিজের মতো মনমানসিকতার বন্ধু খুঁজে পাওয়াটাই সবচেয়ে কঠিন। আর সেই বন্ধুরা যখন এত ট্যালেন্টেড হয়, তখন দেশ থেকে দূরে থাকার কষ্টটাও একটু কম লাগে।'
নাইরোবি শিল্পীগোষ্ঠী নিয়মিত 'ব্যাকইয়ার্ড জ্যামিং সেশন' আয়োজন করে থাকে, যেখানে বাংলাদেশি ও বিদেশি বন্ধুরা একত্রিত হয়ে বাংলা সংগীত ও সংস্কৃতির মাধ্যমে বন্ধুত্বের উদ্যাপন করে। এই আয়োজনে অংশ নেয় বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের বন্ধুরা। গত ১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত তৃতীয় 'ব্যাকইয়ার্ড জ্যামিং সেশন'-এ বন্ধুত্বের থিমে অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম আয়োজনে ছিল বন্ধুকে বিদায় দেওয়ার প্রাক্কালে, দ্বিতীয় আয়োজনে ছিল ঝালমুড়ি—বাংলার নানা ধারার সংগীত ও নৃত্যের মিশেল। এবারের থিম ছিল 'বন্ধু'।
"অনেক দিন পর আবার চেনা মুখ, বন্ধু কী খবর মুহূর্ত বলুক। বন্ধুত্বের সুরে একেকটা টান দিয়েছে ভালো লাগা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নাইরোবি, কেনিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নাইরোবি শিল্পীগোষ্ঠীর সদস্য (ডিও, মিথুন, অপরাজিতা, কল্প, অনির্বাণ, সোবহা, হর্ষ, নাতাশা, শাহির, বনানী ও জহির)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ নভেম্বর (আয়োজনের তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!