📌 মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান কটিয়াদীর যুবক মিজানুর রহমান। ১৫ বছর ধরে বিদেশে কর্মরত থাকা মিজানুরের পরিবার দ্রুত মরদেহ ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের কাছে আবেদন করছে
মালয়েশিয়ায় কর্মরত কটিয়াদীর যুবক মিজানুর রহমান হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। ১ অক্টোবর বিকালে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে তার মৃত্যু হয়। মিজানুর রহমানের পরিবার দ্রুত মরদেহ ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের কাছে আবেদন করছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে ১ অক্টোবর বিকালে হৃদরোগে মারা যান কটিয়াদীর যুবক মিজানুর রহমান
- 📌 মিজানুর রহমানের বাবা মো. মিলন মিয়া জানান, ১৫ বছর ধরে বিদেশে কর্মরত থাকা মিজানুর পরিবারের আর্থিক সহযোগিতা করতেন
- 📌 মিজানুর রহমানের স্ত্রী ও দেড় বছর বয়সী কন্যা বাংলাদেশে রয়েছে
- 📌 মিজানুর রহমান মালয়েশিয়ার এল এন্ড এল মেটাল স্টেইনল্যাস স্টিল মিলে কর্মরত ছিলেন
- 📌 মিজানুরের সহকর্মী মোহাম্মদ উজ্জল মিয়া জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে তার মৃত্যু হয়েছে
- 📌 আচমিতা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য শামসুজ্জামান সোয়েব মিজানুরের অসহায় পরিবারের জন্য সহযোগিতা কামনা করছেন
📰 বিস্তারিত
মালয়েশিয়ায় কর্মরত কটিয়াদীর যুবক মিজানুর রহমানের মৃত্যু পরিবারকে আঘাত করেছে। মিজানুর রহমান কটিয়াদী উপজেলার আচমিতা ইউনিয়নের আচমিতা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি এল এন্ড এল মেটাল স্টেইনল্যাস স্টিল মিলে কর্মরত ছিলেন। মিজানুর রহমানের বাবা মো. মিলন মিয়া জানান, মিজানুর ১৫ বছর ধরে বিদেশে কর্মরত ছিলেন। তিনি পরিবারের আর্থিক সহযোগিতা করতেন।
মিজানুর রহমানের স্ত্রী ও দেড় বছর বয়সী কন্যা বাংলাদেশে রয়েছে। মিজানুরের বাবা মো. মিলন মিয়া বলেন, “আমার ছেলের মরদেহ দ্রুত মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করার জন্য সরকারের কাছে আবেদন করছি। আমার আদরের নাতনী জন্মের পর তার বাবাকে দেখতে পাইনি এবং কখনো কোলে উঠা ভাগ্যে জুটেনি।”
মিজানুরের সহকর্মী প্রবাসী মোহাম্মদ উজ্জল মিয়া জানান, “বৃহস্পতিবার বিকেলে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে। মিজানুর রহমানের মৃত্যু সংবাদ পেয়ে আমি খুবই দুঃখিত।”
আচমিতা ইউনিয়ন পরিষদের আচমিতা ৫নং ওয়ার্ডের সদস্য শামসুজ্জামান সোয়েব জানান, “বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মিজানুর রহমানের মৃত্যুর সংবাদ পেয়েছি। বাড়িতে তার নববিবাহিতা স্ত্রী ও দেড় বছর বয়সী এক শিশু কন্যা রয়েছে। তার অসহায় পরিবারের জন্য সহযোগিতা কামনা করছি।”
"আমার ছেলের মরদেহ দ্রুত মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করার জন্য সরকারের কাছে আবেদন করছি। আমার আদরের নাতনী জন্মের পর তার বাবাকে দেখতে পাইনি এবং কখনো কোলে উঠা ভাগ্যে জুটেনি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুয়ালালামপুর, মালয়েশিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিজানুর রহমান, মো. মিলন মিয়া, মোহাম্মদ উজ্জল মিয়া, শামসুজ্জামান সোয়েব
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ বছর (বিদেশে কর্মরত), ১ অক্টোবর (মৃত্যু তারিখ), ৫নং ওয়ার্ড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!