📅 ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৩:১৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মালয়েশিয়া ১৫৭ অবৈধ অভিবাসীকে দেশে ফেরত পাঠায়, বাংলাদেশিও অন্তর্ভুক্ত

মালয়েশিয়া ১৫৭ অবৈধ অভিবাসীকে দেশে ফেরত পাঠায়, বাংলাদেশিও অন্তর্ভুক্ত

📷 ছবি: যুগান্তর

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Jugantor ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মালয়েশিয়া সরকার বুধবার ১৫৭ অবৈধ অভিবাসীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে। এদের মধ্যে বাংলাদেশের নাগরিকও রয়েছেন। তাদের মধ্যে ১২৮ পুরুষ, ২৬ নারী ও তিন শিশু রয়েছে। মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ তাদের কালো তালিকাভুক্ত করেছে এবং পুনঃপ্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে

মালয়েশিয়া সরকার অবৈধ অভিবাসনবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে বুধবার (২১ অক্টোবর) ১৫৭ জন অবৈধ অভিবাসীকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে। এদের মধ্যে বাংলাদেশের নাগরিকও অন্তর্ভুক্ত থাকলেও কতজন বাংলাদেশি রয়েছে তা স্পষ্ট নয়। কেদাহ রাজ্যের বেলান্তিক অভিবাসন আটককেন্দ্র থেকে এসব অভিবাসীকে কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল-১ দিয়ে দেশে পাঠানো হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মালয়েশিয়া ১৫৭ অবৈধ অভিবাসীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠায়, তাদের মধ্যে ১২৮ পুরুষ, ২৬ নারী ও তিন শিশু রয়েছে
  • 📌 বাংলাদেশসহ চীন, ভারত, পাকিস্তান, দক্ষিণ সুদান, অস্ট্রেলিয়া, নাইজেরিয়া, ভিয়েতনাম ও মিয়ানমারের নাগরিকদের মধ্যে অভিবাসীরা অন্তর্ভুক্ত
  • 📌 ফেরত পাঠানো অভিবাসীদের মালয়েশিয়ায় পুনঃপ্রবেশ নিষিদ্ধ করে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে
  • 📌 অভিবাসন বিভাগের ২১ কর্মকর্তা পরিচালনা করেন ফেরত পাঠানোর কার্যক্রম
  • 📌 অভিবাসীদের বিমানভাড়া বহন করেন তাদের পরিবারের সদস্য ও নিজ দেশের দূতাবাস, মালয়েশিয়া সরকার ব্যয় বহন করেনি

📰 বিস্তারিত

মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ (জেআইএম) কেদাহ রাজ্য শাখার তথ্যানুযায়ী, ফেরত পাঠানো ১৫৭ জন অভিবাসীকে কেদাহ রাজ্যের সিক এলাকার বেলান্তিক অভিবাসন আটককেন্দ্রে আটক রাখা হয়েছিল। তাদের মধ্যে চীন, বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, দক্ষিণ সুদান, অস্ট্রেলিয়া, নাইজেরিয়া, ভিয়েতনাম ও মিয়ানমারের নাগরিক রয়েছে। মালয়েশিয়ার অভিবাসন আইনে তাদের সাজা ভোগ সম্পন্ন হওয়ার পর নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়।

অভিবাসন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ফেরত পাঠানোর পুরো কার্যক্রম পরিচালনা করেন কেদাহ অভিবাসন বিভাগের ২১ কর্মকর্তা। তাদের নেতৃত্ব দেন বেলান্তিক অভিবাসন আটককেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। অভিবাসন বিভাগ জানিয়েছে, প্রত্যাবাসনের বিমানভাড়া বহন করেছেন অভিবাসীদের পরিবারের সদস্যরা এবং তাদের নিজ নিজ দেশের দূতাবাস। অর্থাৎ, এ ক্ষেত্রে বিমানভাড়ার ব্যয় মালয়েশিয়া সরকারের পক্ষ থেকে বহন করা হয়নি।

ফেরত পাঠানো অভিবাসীদের মালয়েশিয়ায় পুনঃপ্রবেশ ঠেকাতে দেশটির অভিবাসন বিভাগের ব্যবস্থায় তাদের কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। প্রচলিত আইন ও বিধিবিধান অনুযায়ী এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। কেদাহ অভিবাসন বিভাগ জানিয়েছে, অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান, নজরদারি, আটক, আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। মালয়েশিয়ার নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এসব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

"অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান, নজরদারি, আটক, আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। মালয়েশিয়ার নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এসব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কেদাহ রাজ্য, মালয়েশিয়া; কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, টার্মিনাল-১
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের কর্মকর্তারা (২১ জন)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫৭ জন অভিবাসী (১২৮ পুরুষ, ২৬ নারী, ৩ শিশু)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖