📌 মালয়েশিয়ায় চলতি বছরের প্রথম ১০ মাসে ৬৫ হাজার বিদেশী নাগরিককে আটক করে ৪৫ হাজারকে তাদের দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বাংলাদেশীসহ ইন্দোনেশিয়া ও মিয়ানমারের নাগরিকদের মধ্যে অভিযান পরিচালিত হয়েছে। অভিবাসন ডিপোগুলোর ধারণক্ষমতা চাপের মুখে পড়েছে
মালয়েশিয়ায় চলতি বছরের প্রথম ১০ মাসে (১ জানুয়ারি থেকে ১৫ অক্টোবর) ৬৫ হাজার বিদেশী নাগরিককে অভিযানে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশীসহ ইন্দোনেশিয়া ও মিয়ানমারের নাগরিকদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের উপ-মহাপরিচালক (অপারেশন) দাতুক লোকমান এফেন্দি রামলি জানিয়েছেন, এই সময়ে ১ লাখ ৪৬ হাজার বিদেশীর কাগজপত্র যাচাই করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মালয়েশিয়ায় ১০ মাসে ৬৫ হাজার বিদেশী নাগরিক আটক, বাংলাদেশীসহ ৪৫ হাজার ফেরত পাঠানো হয়েছে
- 📌 প্রতিদিন গড়ে ৩৮টি অভিযানে ৫১১ জনের কাগজপত্র যাচাই, ২২৮ জন আটক করা হয়েছে
- 📌 অবৈধ ভ্রমণ নথি, মেয়াদোত্তীর্ণ পাস, অনুমতিপত্রের অপব্যবহার — প্রধান অপরাধ
- 📌 মালয়েশিয়ার ৪১টি কারাগারে ৯০ হাজার বন্দী, এর মধ্যে ৭৫% মাদক-সংশ্লিষ্ট
- 📌 অভিবাসন ডিপোগুলোর ধারণক্ষমতা ২০ হাজার, বর্তমানে অতিরিক্ত চাপের মুখে
📰 বিস্তারিত
মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের উপ-মহাপরিচালক দাতুক লোকমান এফেন্দি রামলি জানিয়েছেন, ২৮৭ দিনে (১ জানুয়ারি থেকে ১৫ অক্টোবর) প্রতিদিন গড়ে ৩৮টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এ সময়ে প্রতিদিন গড়ে ৫১১ জন বিদেশীর কাগজপত্র যাচাই করা হয়েছে এবং ২২৮ জনকে আটক করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘মালয়েশিয়ার অভিবাসন আইন লঙ্ঘন প্রতিরোধে ধারাবাহিকভাবে অভিযান চালানো হচ্ছে। এসব অভিযানে যেসব অপরাধ বেশি শনাক্ত হচ্ছে, তার মধ্যে রয়েছে বৈধ ভ্রমণ নথি বা মালয়েশিয়ায় অবস্থানের অনুমতিপত্র না থাকা, অনুমোদিত সময়ের বেশি অবস্থান এবং পাস বা ওয়ার্ক পারমিটের অপব্যবহার।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাতুক সেরি সাইফুদ্দিন নাসুতিওন ইসমাইল জানিয়েছেন, অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে প্রতিদিন অভিযান পরিচালনার ফলে অভিবাসন ডিপোগুলোর ওপর চাপ বাড়ছে। বর্তমানে দেশজুড়ে এসব ডিপোর মোট ধারণক্ষমতা প্রায় ২০ হাজার জন। কিন্তু ধারাবাহিক অভিযানে আটক ব্যক্তিদের সেখানে রাখার কারণে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আটক ব্যক্তিদের মধ্যে বৈধ ভ্রমণ নথি না থাকা, মেয়াদোত্তীর্ণ পাস ব্যবহার, অনুমতিপত্রের অপব্যবহার এবং শরণার্থী হিসেবে পরিচিত ব্যক্তিরাও রয়েছেন। তবে প্রত্যেকের আইনগত অবস্থান ও পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, মালয়েশিয়ার ৪১টি কারাগারে প্রায় ৯০ হাজার বন্দী রয়েছেন। তাদের মধ্যে আনুমানিক ৭৫ শতাংশ মাদক-সংশ্লিষ্ট অপরাধে জড়িত। এদিকে, নির্মাণ, সেবাসহ বিভিন্ন খাতের কর্মস্থলে অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
"১ জানুয়ারি থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত ২৮৭ দিনে প্রতিদিন গড়ে ৩৮টির বেশি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এ সময়ে দৈনিক গড়ে ৫১১ জন বিদেশীর কাগজপত্র যাচাই এবং ২২৮ জনকে আটক করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মালয়েশিয়া (অভিবাসন ডিপো, কারাগার, নির্মাণ ও সেবা খাত)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: দাতুক লোকমান এফেন্দি রামলি (অভিবাসন বিভাগের উপ-মহাপরিচালক), দাতুক সেরি সাইফুদ্দিন নাসুতিওন ইসমাইল (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৫ হাজার (আটক), ৪৫ হাজার (ফেরত পাঠানো), ১ লাখ ৪৬ হাজার (কাগজপত্র যাচাই), ২০ হাজার (ডিপোর ধারণক্ষমতা), ৯০ হাজার (কারাগারে বন্দী), ৭৫% (মাদক-সংশ্লিষ্ট)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!