📌 লস অ্যাঞ্জেলেসের সাইন্টোলজি চার্চে ২৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত রবীন্দ্র সাংস্কৃতিক উৎসবে রবীন্দ্রসংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তির মাধ্যমে প্রবাসী বাঙালিরা রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টিকে জীবন্ত করে তুলেছেন। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী শিল্পীদের পরিবেশনা দর্শকদের মুগ্ধ করে
লস অ্যাঞ্জেলেসের সাংস্কৃতিক মঞ্চে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সৃষ্টিকে নতুন প্রজন্মের হাতে তুলে ধরার উদ্যোগে ২৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাতটায় শুরু হয় ‘আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে’-এর অনুষ্ঠান। সাদা-লাল পোশাকে মঞ্চে অবতীর্ণ দর্শকদের মধ্যে ছিল বাঙালি পরিচয় ও রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা। লস অ্যাঞ্জেলেসের সাইন্টোলজি চার্চের চ্যাপেল হলে অনুষ্ঠিত এই তিন ঘণ্টার রবীন্দ্র সাংস্কৃতিক উৎসব প্রবাসী বাঙালিদের মধ্যে রবীন্দ্রনাথের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে পুনর্জাগরণের চেষ্টা করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাতটায় লস অ্যাঞ্জেলেসের সাইন্টোলজি চার্চের চ্যাপেল হলে অনুষ্ঠিত হয় রবীন্দ্র সাংস্কৃতিক উৎসব, যেখানে রবীন্দ্রসংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তির মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টি উপস্থাপিত হয়।
- 📌 অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন কবি কাজী মাশরুল হুদা এবং প্রথমে পরিবেশিত হয় যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত।
- 📌 ৩০ জনেরও বেশি শিল্পী অংশগ্রহণ করে, যার মধ্যে রয়েছে রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী রহমান, নৃত্যশিল্পী ঊর্মি আতাহার, আবৃত্তিকারীরা সাথী বড়ুয়া ও বুবলি বড়ুয়া সহ।
- 📌 অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন লেখক ও অধ্যাপক সুমন বড়ুয়া এবং সংগীত পরিচালনা করেন শিল্পী রহমান।
- 📌 সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চলা অনুষ্ঠানে দর্শকদের অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখযোগ্য, বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের পরিবেশনা দর্শকদের মুগ্ধ করে।
📰 বিস্তারিত
রবীন্দ্রসংগীত পরিষদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই সাংস্কৃতিক উৎসবের মূল উদ্দেশ্য ছিল প্রবাসী বাঙালিদের মধ্যে রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টিকে জীবন্ত রাখা। অনুষ্ঠানের শুরুতে উপস্থাপক সাথী বড়ুয়া ও আশীষ কুমার ঘোষ দর্শকদের উদ্বোধনী বক্তব্য দেন। এরপর পরিবেশিত হয় যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত। কবি কাজী মাশরুল হুদার উদ্বোধনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে মূল অনুষ্ঠান শুরু হয়।
রবীন্দ্রসংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তির মাধ্যমে অনুষ্ঠানে রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টি উপস্থাপিত হয়। দর্শকদের মধ্যে অনেকেই শিল্পীদের সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়ে গান গেয়েছেন। বিশেষ করে আবৃত্তির সময় পুরো মিলনায়তনে নেমে এসেছে নীরবতা, যা পরিবেশনা শেষে করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী শিল্পীদের মধ্যে ছিল বিভিন্ন বয়সের ব্যক্তি, যার মধ্যে নতুন প্রজন্মের অংশগ্রহণ ছিল বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে অংশগ্রহণকারী শিল্পীদের হাতে সনদ তুলে দেওয়া হয়। সনদ পাওয়ার আনন্দে শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে বিভিন্ন বয়সের শিল্পীদের মুখে ছিল হাসি। অনুষ্ঠানের শেষ মুহূর্তে শিল্পীদের সঙ্গে কথা বলা, ছবি তোলা এবং অনুষ্ঠানের নানা মুহূর্ত নিয়ে আলোচনা করা দর্শকদের মধ্যে দেখা যায়।
"আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে বিরাজ সত্যসুন্দর…' সাদা-লাল পোশাকে একে একে মিলনায়তনে ঢুকছিলেন দর্শকেরা। কারও পরনে শাড়ি, কারও পোশাকে বাঙালিয়ানার ছোঁয়া। শিল্পীদের সাজেও ছিল সাদা-লালের প্রাধান্য।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সাইন্টোলজি চার্চের চ্যাপেল হল, লস অ্যাঞ্জেলেস, যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কবি কাজী মাশরুল হুদা, সাথী বড়ুয়া, আশীষ কুমার ঘোষ, শিল্পী রহমান, ঊর্মি আতাহার, বুবলি বড়ুয়া, সুমন বড়ুয়া
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৭ সেপ্টেম্বর, সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত, ৩০ জনেরও বেশি শিল্পী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!