📌 লাওস দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশে বাংলাদেশি শ্রমিকদের ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিট ইস্যু স্থগিত করেছে। ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কার্যকর এই নিষেধাজ্ঞার কারণ অজানা হলেও, বাংলাদেশ সরকার কর্মীদের প্রতারণা থেকে সতর্ক করেছে
লাওস সরকার বাংলাদেশি শ্রমিকদের ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিট ইস্যু স্থগিত করেছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশে বাংলাদেশের শ্রমবাজার সাময়িকভাবে বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে সরকারের দাবি, বাংলাদেশি শ্রমিকরা প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। লাওস গত ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে এই স্থগিতাদেশ কার্যকর করেছে, যা ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 লাওস ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশি শ্রমিকদের ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিট ইস্যু স্থগিত করেছে, যা ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে
- 📌 বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্মীদের পাসপোর্ট জমা না দেওয়া ও আর্থিক লেনদেন থেকে বিরত থাকার সতর্কতা জারি করেছে
- 📌 লাওসের শ্রম মন্ত্রণালয় অবৈধ প্রবেশ ও মানব পাচারের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিচ্ছে, কিন্তু বাংলাদেশি শ্রমিকদের লক্ষ্য করে সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করেনি
- 📌 বাংলাদেশি কর্মকর্তারা জানান, লাওসে কনস্ট্রাকশন সেক্টরে কাজের পরিমাণ কমে গিয়েছে, যা স্থগিতাদেশের সম্ভাব্য কারণ হতে পারে
- 📌 লাওসে বাংলাদেশি দূতাবাস না থাকায় সরকার তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছে
📰 বিস্তারিত
লাওস সরকার বাংলাদেশি শ্রমিকদের ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিট ইস্যু স্থগিত করেছে। এই সিদ্ধান্তের কারণ হিসেবে সরকার অবৈধ অভিবাসন ও প্রতারণা উল্লেখ করেছে। তবে বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক জানান, লাওস সরকার কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করেনি। তিনি বলেন, “এই বিষয়ে খোঁজ-খবর নিতে বলছি, এখনও আমাদেরকে আপডেট জানায়নি। লাওসে আমাদের দূতাবাস নেই, পাশের দূতাবাসের মাধ্যমে আমরা বলেছি এই বিষয়টি জানার জন্য এবং ওখানে বাজার শ্রমবাজারের প্রেক্ষাপট কী, আমাদের সম্ভাবনা কী, এগুলো জেনে রিপোর্ট করতে ওনাদেরকে বলেছি।”
লাওসের শ্রম ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অবৈধ প্রবেশ, মানব পাচার ও অননুমোদিত শ্রমিক সরবরাহকারীদের নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে বাংলাদেশি শ্রমিকদের লক্ষ্য করে সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করা হয়নি। বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় গত ২৮ সেপ্টেম্বর বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছে, বাংলাদেশি শ্রমিকদের ভিসা এলএ-বি২ ইস্যু স্থগিত করা হয়েছে। এছাড়া, কর্মীদের কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছে পাসপোর্ট জমা না দেওয়া ও আর্থিক লেনদেন থেকে বিরত থাকার সতর্কতা জারি করেছে সরকার।
বাংলাদেশি কর্মকর্তারা জানান, লাওসে কনস্ট্রাকশন কোম্পানিতে কাজের পরিমাণ কমে গেছে। তারা মনে করেন, কাজের কমে যাওয়ার কারণে লাওস সরকার স্থগিতাদেশ জারি করেছে। একজন কর্মকর্তা বলেন, “আপাতত স্থগিত রাখছে, পরে হয়তো আবার ইয়ে করতে পারে।”
"অবৈধ প্রবেশ, মানব পাচার, অননুমোদিত শ্রমিক সরবরাহকারী এবং বিদেশ থেকে শ্রমিক আনার পর যে সকল নিয়োগদাতারা দায়িত্ব এড়িয়ে যান তাদের নিয়ন্ত্রণ করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: লাওস (দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. নুরুল হক (প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩১ ডিসেম্বর (স্থগিতাদেশের শেষ তারিখ), ১৪ সেপ্টেম্বর (স্থগিতাদেশ কার্যকর হওয়ার তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!