📌 কাতারে মৃত্যুবরণ করে পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার প্রবাসী শহিদুল ইসলাম (৫০)। কফিনবন্দি হয়ে দেশে ফিরে এলেন। তার ছোট্ট পুত্রসন্তান বাবার স্নেহ পাওয়ার আগেই চলে গেছেন। জানাজায় এলাকার সহস্রাধিক মানুষ অংশ নেন
কাতারে মৃত্যুবরণ করে পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার বামনডাঙ্গা গ্রামের প্রবাসী শহিদুল ইসলাম (৫০)। গত শনিবার রাতে কাতারে মৃত্যুবরণের পর তার কফিনবন্দী মরদেহ শুক্রবার ভোরে দেশে ফিরে এল। এই আকস্মিক মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া ছড়িয়ে পড়েছে। শহিদুল ইসলামের পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, তিনি জীবদ্দশায় অত্যন্ত সজ্জন ও মিশুক ব্যক্তি ছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৫০ বছর বয়সী কাতারপ্রবাসী শহিদুল ইসলাম (৫০) গত শনিবার রাতে কাতারে মৃত্যুবরণ করেন।
- 📌 তার কফিনবন্দী মরদেহ শুক্রবার ভোরে বিমানযোগে দেশে ফিরে এল।
- 📌 শহিদুল ইসলাম পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার বামনডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি ছিলেন মরহুম ডা. আজাহার আলী খাঁনের ছোট ছেলে।
- 📌 দীর্ঘ ১.৫ বছর আগে তিনি শেষবারের মতো নিজ বাড়িতে এসেছিলেন।
- 📌 ৪ মাস আগে তিনি এক পুত্রসন্তানের বাবা হন। কিন্তু তার ছুটিতে বাড়ি ফেরার আগেই মৃত্যুবরণ করেন।
- 📌 শুক্রবার ১১ টায় তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয় বামনডাঙ্গা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে।
- 📌 জানাজায় সহস্রাধিক মানুষ অংশ নেন, যার মধ্যে ছিল এলাকার বিশিষ্টজন ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
- 📌 শহিদুল ইসলামের ৪ কন্যা ও ১ পুত্রসন্তান রেখে গেছেন। তার ছোট্ট পুত্রসন্তান বাবার স্নেহ পাওয়ার আগেই চলে গেছেন।
📰 বিস্তারিত
কাতারপ্রবাসী শহিদুল ইসলামের মৃত্যুতে পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার বামনডাঙ্গা গ্রামে শোকের ছায়া ছড়িয়ে পড়েছে। তিনি দীর্ঘদিন কাতারে কর্মরত ছিলেন। পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১.৫ বছর আগে তিনি শেষবারের মতো নিজ বাড়িতে এসেছিলেন। ছুটি কাটিয়ে কর্মস্থলে ফিরে যাওয়ার কয়েক মাস পর তিনি এক পুত্রসন্তানের বাবা হন। পরিবারের পরিকল্পনা ছিল, তার ছুটিতে বাড়ি ফেরার সময় পরিবারের সঙ্গে আনন্দময় সময় কাটানো। কিন্তু তার আগেই প্রবাসের মাটিতে থেমে যায় তার জীবনপ্রদীপ।
শুক্রবার বেলা ১১ টায় বামনডাঙ্গা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। শহিদুল ইসলাম জীবদ্দশায় অত্যন্ত সজ্জন ও মিশুক ব্যক্তি হিসেবে এলাকায় সুপরিচিত ছিলেন। জানাজায় এলাকার বিশিষ্টজন, রাজনৈতিক দলের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিসহ সহস্রাধিক মানুষ অংশ নেন। তার শেষ বিদায়ে অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
শহিদুল ইসলামের পরিবার জানান, তিনি চার কন্যাসন্তান ও এক পুত্রসন্তানের বাবা ছিলেন। তার ছোট্ট পুত্রসন্তান বাবার স্নেহ পাওয়ার আগেই চলে গেছেন। এই আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর শোকের ছায়া ছড়িয়ে পড়েছে।
"তিনি জীবদ্দশায় অত্যন্ত সজ্জন ও মিশুক ব্যক্তি ছিলেন। তার মৃত্যুতে এলাকার সবাই গভীর শোকার্ত হয়ে পড়েছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পাবনার সাঁথিয়া উপজেলা, বামনডাঙ্গা গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শহিদুল ইসলাম (৫০), মরহুম ডা. আজাহার আলী খাঁনের ছোট ছেলে
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ বছর বয়স, ১১ টা, ৪ কন্যা, ১ পুত্রসন্তান
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!