📌 ১ এপ্রিল ২০২৭ থেকে জাপানে বাংলাদেশি কর্মীদের নিয়োগ শুরু হবে। বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার নতুন চুক্তি অনুযায়ী ১০ বছরের জন্য কর্মীদের সুরক্ষা ও সুযোগ নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন জাপান সফরে চুক্তির কপি হস্তান্তর করা হবে
১ এপ্রিল ২০২৭ থেকে জাপানে বাংলাদেশি কর্মীদের নিয়োগ শুরু হবে। বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে স্বাক্ষরিত নতুন চুক্তি ইএসডিপি-এমওসি (মেমোরেন্ডাম অব কো-অপারেশন অন এমপ্লয়মেন্ট স্কিলস ডেভেলপমেন্ট) অনুযায়ী এই কর্মসূচি কার্যকর হবে। এই চুক্তির অধীনে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য জাপানে অভূতপূর্ব সুযোগ ও আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১ এপ্রিল ২০২৭ থেকে জাপানে বাংলাদেশি কর্মীদের নিয়োগ শুরু হবে।
- 📌 চুক্তির মেয়াদ ৫ বছর (স্বয়ংক্রিয়ভাবে আরও ৫ বছর বাড়বে, মোট ১০ বছর)।
- 📌 ১৭ অক্টোবর ২০২৬ বাংলাদেশ ও জাপানের প্রতিনিধিরা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- 📌 কর্মীদের জন্য সর্বোচ্চ আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে, বিশেষ করে নারী কর্মীদের জন্য গর্ভাবস্থা বা সন্তান জন্মদানের কারণে কোনো বৈষম্য নিষিদ্ধ।
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন জাপান সফরে চুক্তির কপি আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হবে।
- 📌 প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, কর্মসংস্থানের মাধ্যমে বাংলাদেশি নাগরিকদের দক্ষতা উন্নয়ন ও উচ্চ বেতন পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে স্বাক্ষরিত এই ঐতিহাসিক চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং জাপানের মিনিস্ট্রি অব জাস্টিস, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য, শ্রম ও কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং ন্যাশনাল পুলিশ অ্যাজেন্সির প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। এই চুক্তির প্রাথমিক মেয়াদ ৫ বছর, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আরও ৫ বছরের জন্য বাড়বে, ফলে মোট মেয়াদ দাঁড়াবে ১০ বছর।
প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় জানায়, এই চুক্তি স্বাক্ষর করার পেছনে বাংলাদেশ ও জাপান সরকারের প্রায় এক বছরের প্রচেষ্টা লেগেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন জাপান সফরে চুক্তির কপি আনুষ্ঠানিকভাবে উভয় পক্ষের মধ্যে হস্তান্তর করা হবে। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, এই চুক্তির আওতায় কর্মীদের সর্বোচ্চ সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে। কর্মী প্রেরণ ও গ্রহণের ক্ষেত্রে উভয় পক্ষের মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার হবে।
চুক্তির অন্যতম প্রধান সুবিধা হলো, কর্মীদের জন্য জাপানি স্থানীয় শ্রমিকদের সমতুল্য আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ করে নারী কর্মীদের জন্য গর্ভাবস্থা বা সন্তান জন্মদানের কারণে কোনো বৈষম্য বা চাকরিচ্যুতির বিধান রাখা হয়নি। কর্মসংস্থানের মাধ্যমে বাংলাদেশি নাগরিকদের দক্ষতা উন্নয়ন ঘটবে এবং তারা উচ্চ বেতন ও জাপানে দীর্ঘমেয়াদে বসবাসের সুযোগ পাবেন।
"কর্মীদের সর্বোচ্চ সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং কর্মী প্রেরণ ও গ্রহণের ক্ষেত্রে উভয় পক্ষের মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার করা হবে। কর্মসংস্থানের মাধ্যমে বাংলাদেশি নাগরিকদের দক্ষতা উন্নয়ন ঘটবে, যার ফলে কর্মীরা উচ্চ বেতন এবং জাপানে দীর্ঘমেয়াদে বসবাসের সুযোগ পাবেন।"
চুক্তি বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও জাপানের বন্ধুত্বের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে এবং বাংলাদেশের দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের পথ আরও প্রশস্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাপান ও বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ এপ্রিল ২০২৭ (নিয়োগ শুরু), ৫ বছর (প্রাথমিক মেয়াদ), ১০ বছর (মোট মেয়াদ), ১৭ অক্টোবর ২০২৬ (চুক্তি স্বাক্ষর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!