📌 জাল ভিসায় ইতালিতে পাঠানোর প্রলোভনে দুই যুবক থেকে ৪০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে আসামি কামাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ইতালির ইমিগ্রেশন পুলিশ তাদের জাল ভিসা ধরা পড়ার পর বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর পর ঘটনাটি উন্মোচিত হয়
মানবপাচার চক্রের জাল ভিসায় ইতালিতে পাঠানোর প্রলোভনে দুই যুবক থেকে মোট ৪০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে আসামি কামাল হোসেন (৪৭) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) রোববার সন্ধ্যা ৭টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মানবপাচার চক্রের জাল ভিসায় দুই যুবককে ইতালিতে পাঠানোর প্রলোভনে প্রত্যেকের থেকে ৩০ লাখ টাকা করে আত্মসাৎ করে আসামি কামাল হোসেন (৪৭) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
- 📌 অভিযুক্ত কামাল হোসেন প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।
- 📌 ইতালির রোমের ফিউমিচিনো বিমানবন্দরে তাদের জাল ভিসা ধরা পড়ার পর দুই দিন আটক থাকার পর ২৮ মে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়।
- 📌 মামলাটি মানবপাচার ও অভিবাসী প্রতিরোধ আইনে দায়ের করা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে।
📰 বিস্তারিত
সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো. ছুফি উল্লাহ জানান, মানবপাচার চক্রের সদস্যরা ইতালিতে চাকরি ও উন্নত জীবনের প্রলোভন দেখিয়ে দুই যুবককে দেশটিতে পাঠানোর আশ্বাস দেয়। প্রত্যেক যুবকের সঙ্গে ৩০ লাখ টাকা করে চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী, দুই যুবক অভিযুক্তদের বিভিন্ন সময়ে ২০ লাখ টাকা করে মোট ৪০ লাখ টাকা দেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী, গত ২৬ মে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ইতালি যাওয়ার জন্য তাদের টিকিট ও ভিসা দেওয়া হয়।
ইতালির রোমের ফিউমিচিনো বিমানবন্দরে পৌঁছালে ইমিগ্রেশন পুলিশ তাদের পাসপোর্ট, ভিসা ও টিকিট যাচাই করে। এসময় পাসপোর্ট সঠিক থাকলেও তাতে সংযুক্ত ইতালির শেনজেন ভিসা জাল বলে জানানো হয়। এরপর তাদের আটক করে ইতালির ইমিগ্রেশন পুলিশ। দুই দিন আটক থাকার পর ২৮ মে তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়। দেশে ফিরে ভুক্তভোগীরা ঘটনার বিস্তারিত জানান এবং ৩০ মে ঢাকা মহানগর পুলিশের বিমানবন্দর থানায় মানবপাচার ও অভিবাসী প্রতিরোধ আইনে মামলা করেন।
সিআইডির কর্মকর্তা আরও জানান, মামলার তদন্তে পাওয়া তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে কামাল হোসেনকে শনাক্ত করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। গ্রেপ্তা কামাল হোসেনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্য ব্যক্তিদের শনাক্ত করা, অর্থের লেনদেন ও বণ্টনের তথ্য সংগ্রহ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত যাচাইয়ে তদন্ত চলছে।
"মামলার তদন্তে পাওয়া তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে কামাল হোসেনকে শনাক্ত করা হয়েছে। তিনি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা মহানগর, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ইতালির রোমের ফিউমিচিনো বিমানবন্দর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কামাল হোসেন (৪৭), মো. ছুফি উল্লাহ (সিআইডি বিশেষ পুলিশ সুপার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ লাখ টাকা, ৩০ লাখ টাকা, ২০ লাখ টাকা, ৪৭ বছর, ২৬ মে, ২৮ মে, ৩০ মে
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!