📅 ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯:২৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ফরিদপুরের ১৫ পরিবার মানবপাচার মাফিয়ায় নিঃস্ব, হত্যা ও নির্যাতনের শিকার তরুণদের মানববন্ধনে দাবি বিচার

ফরিদপুরের ১৫ পরিবার মানবপাচার মাফিয়ায় নিঃস্ব, হত্যা ও নির্যাতনের শিকার তরুণদের মানববন্ধনে দাবি বিচার

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ফরিদপুরের ১৫ পরিবার মানবপাচার মাফিয়া চক্রের শিকার হয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। লিবিয়ায় নির্যাতনের শিকার হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে, আর তিনজন সাড়ে তিন বছর ধরে নিখোঁজ। মানববন্ধনে ভুক্তভোগীরা মাফিয়ার বিচার ও টাকা ফেরতের দাবি জানিয়েছেন

ফরিদপুর জেলায় মানবপাচার মাফিয়া চক্রের শিকার হয়ে ১৫টি পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। লিবিয়ায় ইতালি যাওয়ার প্রলোভনে তরুণদের আটকিয়ে নির্যাতন করে টাকা আদায়ের চক্রটি এখনও কার্যকর। এদিকে, ভুক্তভোগীরা মানববন্ধনে দাবি জানাচ্ছেন মাফিয়ার বিচার ও টাকা ফেরতের।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ফরিদপুরের ১৫ পরিবারের কাছ থেকে মানবপাচার মাফিয়া চক্র প্রায় ৪ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে
  • 📌 লিবিয়ায় নির্যাতনের শিকার হয়ে হাবিব মাতুব্বর (৪০) মৃত্যুবরণ করেছেন, পরিবার মুক্তিপণের ১০ লাখ টাকা দিতে ব্যর্থ হয়েছিল
  • 📌 মিজানুর রহমান (৪০) তিন দফায় ৬০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়েছেন, লিবিয়ার পুলিশের কাছে ধরা পড়েন
  • 📌 নিখোঁজ ব্যক্তিদের মধ্যে আল-আমিন (২২), শাওন (২০) ও মাফুজ (২০) — যথাক্রমে ১৯, ১৫ ও ২০ লাখ টাকা দাবি করা হয়েছে
  • 📌 মুরাদ ব্যাপারী (৪০) ও তার সহযোগীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন মানববন্ধনকারীরা
  • 📌 পুলিশের অভিযোগপত্রে ১৯ জন সাক্ষী উল্লেখ করা হলেও কোনো গ্রেপ্তারি হয়নি

📰 বিস্তারিত

ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা ও ভাঙ্গা উপজেলায় মানবপাচার মাফিয়া চক্রের শিকার হয়ে ১৫টি পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। এই চক্রের শিকারদের মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে, আর তিনজন সাড়ে তিন বছর ধরে নিখোঁজ। মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ভুক্তভোগীরা দাবি করেছেন, মাফিয়া চক্রের মূল হোতা মুরাদ ব্যাপারী (৪০) ও তার সহযোগীরা গ্রেপ্তার না হওয়ায় পরিবারগুলো নিঃস্ব হয়ে পড়েছে।

মিজানুর রহমান (৪০), ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার ফুলসূতি ইউনিয়নের ফুলসূতি গ্রামের বাসিন্দা, ইতালি যাওয়ার কথা বলে লিবিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়। লিবিয়ায় তিন দফায় ৬০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিতে বাধ্য হন তিনি। পরে জানালা ভেঙে পালিয়ে লিবিয়ার পুলিশের কাছে ধরা পড়েন। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এর মাধ্যমে দেশে ফিরে আসেন তিনি।

হাবিব মাতুব্বর (৪০), ভাঙ্গা উপজেলার আজিমনগর ইউনিয়নের জাঙ্গালপাশা গ্রামের বাসিন্দা, ২০২৩ সালে লিবিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়। ইতালি যাওয়ার কথা বলে প্রথমে ২০ লাখ টাকা নেওয়া হয়। পরে বন্দিঘরে নির্যাতনের ভিডিও পরিবারের কাছে পাঠিয়ে আরও ১০ লাখ টাকা নেওয়া হয়। স্বজনদের অভিযোগ, নির্যাতন করে হাবিবকে হত্যা করা হয়। ২৮ ফেব্রুয়ারি পরিবার মৃত্যুর খবর পায়।

তাসলিমা বেগম, হাবিবের স্ত্রী, মানববন্ধনে স্বামী হত্যার বিচার দাবি করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘মুক্তিপণের ১০ লাখ টাকা দিতে না পারায় আমার স্বামীরে মুরাদ মাইর্যা ফেলছে। আমার স্বামীর ১ শতাংশ জায়গা ছিল, সেই জমিও বিক্রি করে দিয়েছি। বর্তমানে তিন সন্তান নিয়ে বাবার বাড়িতে থাকতেছি।’

নিখোঁজ ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছে নগরকান্দা উপজেলার ডাঙ্গী ইউনিয়নের আল-আমিন (২২), নাড়ুহাটি গ্রামের শাওন (২০) ও ফুলসূতি গ্রামের মাফুজ (২০)। তাঁদের কাছ থেকে যথাক্রমে ১৯, ১৫ ও ২০ লাখ টাকা নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।

"ও ভাই, কোন জায়গায় গেলে বিচার পাব? সরকার কি দেখছে না? এই মাফিয়ার বিচার করবে কারা? আমারে নিঃস্ব করে ফেলছে।"

— মিজানুর রহমান, মানববন্ধনে আর্তনাদ করছিলেন

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ফরিদপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়, নগরকান্দা উপজেলা, ভাঙ্গা উপজেলা, ফুলসূতি ইউনিয়ন, লিবিয়া
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিজানুর রহমান, হাবিব মাতুব্বর, তাসলিমা বেগম, মুরাদ ব্যাপারী, মো. শামসুল আজম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ পরিবার, ৪ কোটি টাকা, ৬০ লাখ টাকা, ১১ জন, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০ লাখ টাকা, ১০ লাখ টাকা, ১৯ লাখ টাকা, ১৫ লাখ টাকা, ২০ লাখ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖