📅 ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:৪৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ইইউ-বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগে বৈধ অভিবাসন ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করবে ইউরোপে ১ কোটি কর্মী পাঠানোর লক্ষ্যে

ইইউ-বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগে বৈধ অভিবাসন ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করবে ইউরোপে ১ কোটি কর্মী পাঠানোর লক্ষ্যে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) বাংলাদেশের সাথে যৌথভাবে বৈধ অভিবাসন নিশ্চিতকরণ, রিক্রুটিং এজেন্সি নিয়ন্ত্রণ ও কর্মীদের পুনর্বাসনে কাজ করবে। প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, সরকার অবৈধ অভিবাসন বন্ধের পাশাপাশি বৈধ পথে কর্মী পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) বাংলাদেশের সাথে যৌথভাবে বৈধ অভিবাসন নিশ্চিতকরণ, রিক্রুটিং এজেন্সি নিয়ন্ত্রণ ও কর্মীদের পুনর্বাসনে কাজ করবে। মঙ্গলবার রাজধানীর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী কার্যালয়ে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠকে এই বিষয়গুলো আলোচিত হয়। বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত ও হেড অব ডেলিগেশন মাইকেল মিলার বাংলাদেশের রেমিট্যান্সের একটি বড় অংশ ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো থেকে আসে বলে উল্লেখ করেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **ইইউ-বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগে**: বৈধ অভিবাসন নিশ্চিতকরণ, রিক্রুটিং এজেন্সি নিয়ন্ত্রণ ও কর্মীদের পুনর্বাসনে কাজ করবে।
  • 📌 **১ কোটি কর্মী পাঠানোর লক্ষ্য**: আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশ সরকার ইউরোপে ১ কোটি কর্মী বৈধ পথে পাঠানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
  • 📌 **৪৯টি রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল**: অবৈধ অভিবাসন ও অনিয়মের সঙ্গে যুক্ত ৪৯টি এজেন্সির লাইসেন্স ইতিমধ্যে বাতিল করা হয়েছে।
  • 📌 **ট্যালেন্ট পার্টনারশিপ ও ইউরোপিয়ান ট্রেনিং ফাউন্ডেশন**: ইইউ বাংলাদেশে ‘ট্যালেন্ট পার্টনারশিপ’ ও ‘ইউরোপিয়ান ট্রেনিং ফাউন্ডেশন’ আনার পরিকল্পনা করেছে।
  • 📌 **অনিয়ম বন্ধ ও ব্যয় কমানো**: উচ্চ অভিবাসন ব্যয় কমানো এবং অনিয়ম বন্ধের জন্য ইইউ বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবে।
  • 📌 **শ্রম আইন সংস্কার**: শ্রমিকদের ট্রেড ইউনিয়ন গঠনের স্বাধীনতা, ইপিজেড আইন ও সাধারণ শ্রম আইনের সামঞ্জস্য, শিশুশ্রম নির্মূল ও নিয়মিত কারখানা পরিদর্শনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
  • 📌 **গোলটেবিল বৈঠক**: বৈধ অভিবাসন বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে অভিবাসন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও সাংবাদিকদের নিয়ে শিগগিরই গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
  • 📌 **বিশ্বব্যাংক প্রকল্প**: বিদেশফেরত কর্মীদের পুনর্বাসনে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত ‘রেইজ’ প্রকল্প চলমান রয়েছে।

📰 বিস্তারিত

বৈঠকে ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার বলেন, বাংলাদেশের রেমিট্যান্সের একটি বড় অংশ ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো থেকে আসে। তিনি বাংলাদেশ থেকে কর্মীদের বৈধ পথে ইউরোপে প্রবেশের লক্ষ্যে ‘ট্যালেন্ট পার্টনারশিপ’ এবং বৈধ অভিবাসন নিশ্চিতকরণে কাজ করবে ইইউ। এছাড়াও বাংলাদেশে ‘ইউরোপিয়ান ট্রেনিং ফাউন্ডেশন’ আনার পাশাপাশি বিদেশফেরত কর্মীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক পুনর্বাসনে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার কথা জানান তিনি।

মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, বর্তমান সরকার বৈধ উপায়ে কর্মী পাঠাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং অবৈধ অভিবাসনের বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। তিনি বলেন, অবৈধ অভিবাসনসহ বিভিন্ন অপরাধ ও অনিয়মের সঙ্গে যুক্ত ৪৯টি রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স ইতিমধ্যে বাতিল করা হয়েছে। এছাড়াও, কয়েকটি এজেন্সির অফিস সিলগালা করা হয়েছে এবং আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বৈঠকে বাংলাদেশের শ্রম আইন সংস্কার নিয়ে আলোচনা হয়। ইইউ রাষ্ট্রদূত শ্রমিকদের ট্রেড ইউনিয়ন বা সংগঠন করার স্বাধীনতা, ইপিজেড আইনের সঙ্গে সাধারণ শ্রম আইনের সামঞ্জস্য, শিশুশ্রম নির্মূল এবং নিয়মিতভাবে কারখানা পরিদর্শনের ওপর গুরুত্ব দেন। মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. সাইফুল হক চৌধুরী জানান, রিক্রুটিং এজেন্সি বাছাই ও নিয়ন্ত্রণের জন্য সুনির্দিষ্ট মানদণ্ড রয়েছে। এজেন্সিগুলোর কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শনের জন্য একাধিক পরিদর্শক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, বৈধ অভিবাসন বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে অভিবাসন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও সাংবাদিকদের নিয়ে শিগগিরই গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করা হবে। তিনি আরও জানান, ইতালির সঙ্গে চলমান বৈধ অভিবাসন কার্যক্রমের কথা তুলে ধরে ইউরোপীয় ইউনিয়নকে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে বিভিন্ন প্রকল্প নেওয়ার আহ্বান জানান।

"বাংলাদেশের রেমিট্যান্সের একটি বড় অংশ ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো থেকে আসে। আগামী পাঁচ বছরে এক কোটি কর্মী বিদেশে পাঠানোর সরকারের লক্ষ্যের প্রসঙ্গ তুলে বিপুলসংখ্যক কর্মী পাঠানো রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর লাইসেন্স প্রদান ও নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চাইছি।"

বৈঠকে ইইউ মিশনের প্রথম সচিব লরা কার্টানিয়া ল্লাচ, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আহমাদুল হক, যুগ্ম সচিব দেবজিৎ সিংহ ও মো. শহিদুল ইসলাম চৌধুরীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাইকেল মিলার (ইইউ রাষ্ট্রদূত), আরিফুল হক চৌধুরী (প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৯টি রিক্রুটিং এজেন্সি লাইসেন্স বাতিল, ১ কোটি কর্মী পাঠানোর লক্ষ্য, ১ কোটি ২২ লাখ ৭৫ হাজার ৮২৬ টাকা (অবৈধ সম্পদ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖