📌 বাংলাদেশ-কোরিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এলাকায় অভিযানে ১২ জনকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছে এসআরবি-৪। আটকরা ব্যক্তিরা ‘জিয়ার সৈনিক’ স্লোগান দিয়ে নিজেদের বাঁচানোর চেষ্টা করলেও এসআরবি-৪-এর অধিনায়ক কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান বলেছেন, এসব পরিচয় দিয়ে লাভ নেই
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় বিদেশে চাকরি ও ওয়ার্কিং ভিসা প্রদানের প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগে আটককৃত ১২ জনের মধ্যে ‘জিয়ার সৈনিক’ স্লোগান দিয়ে নিজেদের বাঁচানোর চেষ্টা করলেও এসআরবি-৪-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান বলেছেন, এসব পরিচয় দিয়ে লাভ নেই। আজ শুক্রবার সকালে বাংলাদেশ-কোরিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সামনে অনুষ্ঠিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এই কথা বলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১২ জনকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালত সাতজনকে কারাদণ্ড ও পাঁচজনকে অর্থদণ্ড দিয়েছে এসআরবি-৪।
- 📌 আটকরা ব্যক্তিরা ‘জিয়ার সৈনিক’ স্লোগান দিয়ে নিজেদের বাঁচানোর চেষ্টা করলেও এসআরবির কাছে এসব পরিচয় দিয়ে লাভ নেই বলে জানান কর্নেল হাফিজুর।
- 📌 পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুললেও কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
- 📌 ২৪টি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করে বাংলাদেশ-কোরিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, কিন্তু বিদেশে কর্মী পাঠানোর কোনো কার্যক্রম নেই।
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ-কোরিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (বিকেটিটিসি) এলাকায় আজ সকালে অভিযান চালিয়ে ১২ জনকে আটক করে এসআরবি-৪। পরবর্তীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। আটককৃত ব্যক্তিদের মধ্যে পটুয়াখালীর সবুজ ও সিরাজগঞ্জের শামীম তিন মাস করে, সিরাজগঞ্জের সুজন এক মাস, পাবনার শাহিন ২১ দিন, কিশোরগঞ্জের আবুল বাসার ১৫ দিন এবং ভোলার হারুন ও শরীয়তপুরের সুরুজ মিয়া সাত দিন করে কারাদণ্ডপ্রাপ্ত হন। অন্যদিকে, অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচজন হলেন কিশোরগঞ্জের দুর্জয় (১০ হাজার টাকা), রংপুরের রেজাউল করিম (৫ হাজার টাকা), কিশোরগঞ্জের কাইয়ুম (৪ হাজার টাকা), ভোলার রিয়াজ (২ হাজার টাকা) ও কিশোরগঞ্জের কামরুন নাহার (১ হাজার টাকা)।
প্রেস ব্রিফিংয়ে এসআরবি-৪-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ‘একজন অপরাধী গ্রেপ্তার হওয়ার পরে সে নিজেকে বাঁচানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের স্টেটমেন্ট দেয়। তারা বলেছে “জিয়ার সৈনিক”। কিন্তু এসব পরিচয় দিয়ে আমাদের কাছে লাভ নেই। সে অপরাধী, তাকে অপরাধ করার সময় গ্রেপ্তার করা হয়েছে, শাস্তি দেওয়া হয়েছে। অন্য কার সঙ্গে কোথায় কী পরিচয় আছে, এটা আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়।’
আটককৃত ব্যক্তিরা পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুললেও কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ বা নাম উল্লেখ করতে পারেননি। একজন আটক ব্যক্তি বলেন, পাসপোর্ট অফিসের ডেলিগেটদের মোবাইল ফোন পরীক্ষা করলে বিভিন্ন নম্বর ও ভয়েস রেকর্ড পাওয়া যেতে পারে। অন্য একজন পাসপোর্ট অফিসকে দালালদের ‘হেড অফিস’ বলে দাবি করেন। তবে এসআরবি কর্মকর্তা জানান, এখন পর্যন্ত তাদের জিজ্ঞাসাবাদে কোনো স্পেসিফিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশ-কোরিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধিনায়ক জানান, প্রতিষ্ঠানটি বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনের ২৪টি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করে। তবে প্রতিষ্ঠানটি নিজে বিদেশে কর্মী পাঠানোর কোনো কার্যক্রম পরিচালনা করে না। প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (বোয়েসেল) বৈধ প্রক্রিয়ায় বিদেশে কর্মী নিয়োগের কার্যক্রম পরিচালনা করে।
"জিয়ার সৈনিক" স্লোগান দিয়ে নিজেদের বাঁচানোর চেষ্টা করলেও এসব পরিচয় দিয়ে লাভ নেই। সে অপরাধী, তাকে অপরাধ করার সময় গ্রেপ্তার করা হয়েছে, শাস্তি দেওয়া হয়েছে। অন্য কার সঙ্গে কোথায় কী পরিচয় আছে, এটা আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ-কোরিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ জন আটক, ২৪টি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!