📌 জার্মানির ডুসেলডর্ফে বাঙালি সাংস্কৃতিক সংগঠন 'কৃষ্টিবাড়ি' আয়োজিত পাঁচ দিনব্যাপী দুর্গোৎসবে এক হাজার প্রবাসী বাঙালির অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও ঐক্যের অনুভূতি জাগ্রত হয়।
জার্মানির ডুসেলডর্ফে প্রবাসের মাটিতে বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে জীবিত রাখার উদ্যোগে পাঁচ দিনব্যাপী দুর্গোৎসব উদযাপিত হয়েছে। বাঙালি সাংস্কৃতিক সংগঠন 'কৃষ্টিবাড়ি' এর উদ্যোগে ১৭ থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত আয়োজিত এই উৎসবে এক হাজার প্রবাসী বাঙালির অংশগ্রহণে ধর্মীয় অনুষ্ঠান, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও ঐতিহ্যবাহী খাবারের স্বাদ নেওয়া হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জার্মানির ডুসেলডর্ফে ১৭-২১ অক্টোবর পর্যন্ত পাঁচ দিনব্যাপী দুর্গোৎসব উদযাপিত হয়
- 📌 প্রায় পাঁচশো কিলোমিটার দূরত্ব পেরিয়ে মিউনিখের প্রতীক সাহা পরিবারও উৎসবে যোগ দেন
- 📌 ষষ্ঠী থেকে দশমী পর্যন্ত চলে পূজা-অর্চনা ও প্রার্থনা অনুষ্ঠান
- 📌 সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, গান-নাচ ও দেশীয় খাবারের আয়োজন করা হয়
- 📌 কৃষ্টিবাড়ির সাধারণ সম্পাদক অমিত আচার্য বলেন, প্রবাসী বাঙালির স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আয়োজনকে সাফল্যমণ্ডিত করেছে
📰 বিস্তারিত
জার্মানির নর্থ রাইন-ওয়েস্টফালিয়া রাজ্যের ডুসেলডর্ফে বাঙালি সাংস্কৃতিক সংগঠন 'কৃষ্টিবাড়ি' দ্বিতীয়বারের মতো দুর্গোৎসবের আয়োজন করে। এই উৎসবের মূল লক্ষ্য ছিল প্রবাসে বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা। বিশেষ করে বিদেশে বেড়ে ওঠা শিশু-কিশোরদের তাদের সাংস্কৃতিক পরিচয় সম্পর্কে জ্ঞানার্জনের সুযোগ সৃষ্টি করা।
উৎসবের সময় পূজা-অর্চনা ও প্রার্থনা ছাড়াও গান, নাচ ও নাটকের পরিবেশনায় অংশ নেন প্রবাসী বাঙালিরা। দেশীয় খাবারের স্বাদ নেওয়ার পাশাপাশি নতুন সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং পরিচিত মানুষদের সাথে দেখা করার সুযোগও পেয়েছেন তারা।
অমিত আচার্য বলেন, 'প্রবাসে দুর্গোৎসব উদযাপনের মূল লক্ষ্য শুধু ধর্মীয় উৎসব পালন নয়; বরং নতুন প্রজন্মের কাছে বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরা।' তিনি আরও বলেন, 'এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সংগঠনের সব সদস্যের অবদানের জন্য আমরা কৃতজ্ঞ।'
"প্রবাসে থেকেও উৎসবের মধ্য দিয়ে নিজের সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখা এবং পরবর্তী প্রজন্মের কাছে তা পৌঁছে দেওয়ার প্রত্যয় নিয়ে শেষ হয় ডুসেলডর্ফের এ আয়োজন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ডুসেলডর্ফ, জার্মানি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অমিত আচার্য (কৃষ্টিবাড়ির সাধারণ সম্পাদক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭-২১ অক্টোবর (আয়োজনকাল), ১০০০ (প্রবাসী অংশগ্রহণকারী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!