📌 চট্টগ্রামের সেন্ট প্লাসিড স্কুল থেকে শুরু করে লস অ্যাঞ্জেলেসের কমিউনিটি নেতা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন মিকায়েল খান। প্রযুক্তি, ব্যবসা ও সামাজিক নেতৃত্বের তিনটি ক্ষেত্রে সফলতার জন্য তিনি ‘জয় পি. অ্যাটকিনসন নেইবারহুড কাউন্সিল এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ লাভ করেছেন
চট্টগ্রামের সেন্ট প্লাসিড স্কুল থেকে শুরু করে লস অ্যাঞ্জেলেসের স্থানীয় কমিউনিটি নেতা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন মিকায়েল খান। প্রযুক্তি পেশাজীবী, উদ্যোক্তা এবং কমিউনিটি সংগঠক হিসেবে তিনটি ক্ষেত্রে সফলতার জন্য তিনি ‘জয় পি. অ্যাটকিনসন নেইবারহুড কাউন্সিল এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ লাভ করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রামের সেন্ট প্লাসিড স্কুল থেকে শিক্ষাজীবন শুরু করে লস অ্যাঞ্জেলেসের কমিউনিটি নেতা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন মিকায়েল খান
- 📌 প্রযুক্তি, ব্যবসা ও কমিউনিটি নেতৃত্বের তিনটি ক্ষেত্রে সফলতার জন্য পেয়েছেন ‘জয় পি. অ্যাটকিনসন নেইবারহুড কাউন্সিল এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’
- 📌 শিক্ষা: চট্টগ্রাম → দিল্লি → পুনে (বিপণন) → যুক্তরাষ্ট্রের উইচিটা স্টেট ইউনিভার্সিটি (কম্পিউটার প্রকৌশল)
- 📌 প্রযুক্তি খাতে কাজ করেছেন সফটওয়্যার প্রকৌশল, সাইবার নিরাপত্তা, পরিচয় ব্যবস্থাপনা, সফটওয়্যার মাননিয়ন্ত্রণ ও স্বয়ংক্রিয় পরীক্ষণে
- 📌 স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কাজ করেছেন ভেনচুরা কাউন্টি জাস্টিস ডিপার্টমেন্ট, বোয়িং, ব্ল্যাকবোর্ড, ইউএসটি ও ওয়েলস ফার্গো
- 📌 বেকার্সফিল্ডে ‘মাকো অটো বডি শপ’ ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিক ও সহমালিক হিসেবে ব্যবসা পরিচালনা করছেন
- 📌 পাকোইমা নেইবারহুড কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিন মেয়াদ এবং ভূমি ব্যবহার কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে আট বছর দায়িত্ব পালন করেছেন
- 📌 পাকোইমা কমিউনিটি ৯৯টি নেইবারহুড কাউন্সিলের মধ্যে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে তাঁর নেতৃত্বে
- 📌 বাংলাদেশি কমিউনিটিতে জেসমিন খান ফাউন্ডেশন, এএবিইএ ও বাংলা বিজয় বহরসহ বিভিন্ন সংগঠনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন
📰 বিস্তারিত
মিকায়েল খানের শিক্ষাজীবনের শুরু চট্টগ্রামের সেন্ট প্লাসিড স্কুলে। পরবর্তীতে ভারতের দিল্লির শিবা শিবানি পাবলিক স্কুলে পড়াশোনা করেন। ভারতের পুনে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিপণনে স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের পর যুক্তরাষ্ট্রের উইচিটা স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে কম্পিউটার প্রকৌশলে আরেকটি স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। এই দুই ভিন্ন ক্ষেত্রের শিক্ষা তাঁর পেশাজীবনে প্রভাব ফেলে। প্রযুক্তির জ্ঞান তাঁকে সফটওয়্যার ও সাইবার নিরাপত্তার জগতে নিয়ে যায়, আর ব্যবসা ও মানুষের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা তাঁকে উদ্যোক্তা ও কমিউনিটি সংগঠক হিসেবে গড়ে তোলে।
প্রযুক্তি খাতে পেশাজীবী হিসেবে মিকায়েল সফটওয়্যার প্রকৌশল, সাইবার নিরাপত্তা, পরিচয় ও প্রবেশাধিকার ব্যবস্থাপনা, সফটওয়্যার মাননিয়ন্ত্রণ এবং স্বয়ংক্রিয় পরীক্ষণ প্রযুক্তিতে কাজ করেছেন। তিনি ভেনচুরা কাউন্টি জাস্টিস ডিপার্টমেন্ট, বোয়িং, ব্ল্যাকবোর্ড ইনকরপোরেটেড, ইউএসটি এবং ওয়েলস ফার্গো সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন। প্রযুক্তি খাতের পেশাজীবী থেকে উদ্যোক্তা হিসেবে তিনি বর্তমানে ক্যালিফোর্নিয়ার বেকার্সফিল্ডে ‘মাকো অটো বডি শপ’ ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিক ও সহমালিক হিসেবে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। ব্যবসা পরিচালনার পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখা তাঁর উদ্যোক্তা জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
কমিউনিটি নেতৃত্বে মিকায়েল পাকোইমা নেইবারহুড কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিন মেয়াদ এবং ভূমি ব্যবহার, আবাসন ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে আট বছর দায়িত্ব পালন করেছেন। এই সময়ে তিনি আবাসন, ভূমি ব্যবহার, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, জননিরাপত্তা, পরিবহন, শিক্ষা, যুব কার্যক্রম এবং কমিউনিটি উন্নয়নের বিভিন্ন বিষয়ে কাজ করেছেন। তাঁর নেতৃত্বে পাকোইমা কমিউনিটি ৯৯টি নেইবারহুড কাউন্সিলের মধ্যে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে।
"কমিউনিটির মানুষ যখন একটি লক্ষ্য নিয়ে একসঙ্গে কাজ করেন, তখনই বড় পরিবর্তন সম্ভব।"
লস অ্যাঞ্জেলেসের স্থানীয় নাগরিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে মিকায়েল দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত আছেন। তিনি জেসমিন খান ফাউন্ডেশনের পরিচালক, আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশি ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড আর্কিটেক্টসের কোষাধ্যক্ষ এবং বাংলা বিজয় বহরের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। প্যাসিফিক কাইট ক্লাবের কাইট ফেস্টিভ্যালেও তিনি নেতৃত্বের ভূমিকা পালন করেছেন। শিক্ষা, সংস্কৃতি, সামাজিক যোগাযোগ, কমিউনিটি অনুষ্ঠান এবং নতুন প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করার বিভিন্ন উদ্যোগে তিনি নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম, দিল্লি, পুনে, লস অ্যাঞ্জেলেস, ক্যালিফোর্নিয়ার বেকার্সফিল্ড
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিকায়েল খান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯৯টি নেইবারহুড কাউন্সিলের মধ্যে শীর্ষস্থান
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!