📅 ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:২৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বেঙ্গালুরুর হাসপাতালে লাশ আটক: বাংলাদেশি শিক্ষকের মৃত্যু ও পরিবারের লড়াই

বেঙ্গালুরুর হাসপাতালে লাশ আটক: বাংলাদেশি শিক্ষকের মৃত্যু ও পরিবারের লড়াই

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বেঙ্গালুরুর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ৮ দিন লাশ আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে। নওগাঁর শিক্ষক মোহাম্মদ আবদুল হাকিম সবুজের মৃত্যুর পর পরিবারকে চিকিৎসা বকেয়া দাবি করে লাশ হস্তান্তর বাধা দেয়। বাংলাদেশ হাইকমিশনের সহায়তায় শেষে লাশ পরিবারের কাছে পৌঁছায়

বেঙ্গালুরুর একটি বেসরকারি হাসপাতালে বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুর পর লাশ আটক রাখার অভিযোগ উঠেছে। নওগাঁর বাসিন্দা মোহাম্মদ আবদুল হাকিম সবুজ (৩২) কিডনি চিকিৎসার জন্য গত ৫ সেপ্টেম্বর স্ত্রী তানজিলা ইসলাম আশাকে নিয়ে ভারতের বেঙ্গালুরু যান। পরদিন মণিপাল হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর তার শারীরিক অবস্থা ক্রমাগত অবনতির মুখে পড়ে এবং ১৮ সেপ্টেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর পর পরিবারকে লাশ হস্তান্তর করতে অস্বীকার করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ৩৫ লাখ ৭৯ হাজার রুপি বকেয়া দাবি করে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৮ দিন লাশ আটক: মণিপাল হাসপাতালে মারা যাওয়া বাংলাদেশি শিক্ষক মোহাম্মদ আবদুল হাকিম সবুজের লাশ ৮ দিন আটকে রাখা হয়।
  • 📌 চিকিৎসা বকেয়া দাবি: মৃত্যুর পর পরিবারকে ৩৫ লাখ ৭৯ হাজার রুপি বকেয়া দাবি করে লাশ হস্তান্তর বাধা দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
  • 📌 পাসপোর্ট আটক: পরিবারের পাসপোর্টও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে।
  • 📌 ৭ লাখ ৫০ হাজার রুপি পরিশোধ: চিকিৎসার সময় মোট ৭ লাখ ৫০ হাজার রুপি পরিশোধ করা হলেও রসিদ দেওয়া হয়নি।
  • 📌 বাংলাদেশ হাইকমিশনের সহায়তা: পরিবার বাংলাদেশ হাইকমিশনের সহায়তায় ২৬ সেপ্টেম্বর লাশ পায়।

📰 বিস্তারিত

নওগাঁর বাসিন্দা মোহাম্মদ আবদুল হাকিম সবুজ (৩২) বাংলাদেশে চুক্তিভিত্তিক সরকারি শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। কিডনি চিকিৎসার জন্য গত ৫ সেপ্টেম্বর স্ত্রী তানজিলা ইসলাম আশাকে নিয়ে তিনি বেঙ্গালুরু যান। পরদিন মণিপাল হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর তার শ্বাসকষ্ট ও বুকে ব্যথা বেড়ে যায়। আইসিইউতে চিকিৎসা চলাকালীন ১৪ সেপ্টেম্বর তার ডান পায়ে সংক্রমণ দেখা দিলে চিকিৎসকরা অস্ত্রোপচার করে পা কেটে ফেলেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে এবং ১৮ সেপ্টেম্বর দুপুরে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

মৃত্যুর পর পরিবার লাশ দেশে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ৩৫ লাখ ৭৯ হাজার রুপি বকেয়া দাবি করে লাশ হস্তান্তর বাধা দেয়। তানজিলা ইসলাম আশা জানান, চিকিৎসার সময় মোট ৭ লাখ ৫০ হাজার রুপি পরিশোধ করা হলেও কোনো রসিদ দেওয়া হয়নি। এছাড়াও, পাসপোর্ট আটকে রাখার অভিযোগও করেন তিনি। পরিবার বাংলাদেশ হাইকমিশনের সহায়তা চান এবং শেষে ২৬ সেপ্টেম্বর লাশ হস্তান্তর করা হয়।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সবুজকে শ্বাসকষ্ট নিয়ে ভর্তি করা হয়েছিল এবং তার শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা কম ছিল। আইসিইউতে নেওয়ার পর হৃদ্যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়। চিকিৎসকেরা তাকে পুনরুজ্জীবিত করার পর কৃত্রিম হৃদ্ফুসফুস সহায়তা ও শ্বাসযন্ত্রের মাধ্যমে চিকিৎসা চালিয়ে যান। তবে চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা সত্ত্বেও ১৮ সেপ্টেম্বর তার মৃত্যু হয়।

"হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ লাশ হস্তান্তরে রাজি হয়নি। চিকিৎসা বাবদ ৩৫ লাখ ৭৯ হাজার রুপি বকেয়া দাবি করে। এর আগে পরিশোধ করা ৭ লাখ ৫০ হাজার রুপির কোনো রসিদও দেওয়া হয়নি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মণিপাল হাসপাতাল, বেঙ্গালুরু, ভারত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ আবদুল হাকিম সবুজ (৩২), তানজিলা ইসলাম আশা, মোহাম্মদ মোক্তাদির হোসেন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ দিন (লাশ আটক), ৩২ বছর (বয়স), ৩৫ লাখ ৭৯ হাজার রুপি (বকেয়া), ৭ লাখ ৫০ হাজার রুপি (চিকিৎসা ব্যয়)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖