📌 প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানান, অবৈধ অভিবাসন ও অনিয়মে জড়িত ৪৯টি রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারের সঙ্গে সাক্ষাতে তিনি বৈধ অভিবাসন ও শ্রম আইন সংস্কারের কথা আলোচনা করেন
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারের সঙ্গে সাক্ষাতে অবৈধ অভিবাসন বিরোধী সরকারের পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, অবৈধ অভিবাসনসহ বিভিন্ন অপরাধ ও অনিয়মে জড়িত ৪৯টি রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। এছাড়াও, অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর অবস্থান ও বৈধ পথে কর্মীদের বিদেশ পাঠানোর প্রতিশ্রুতি পুনরাবৃত্তি করেন তিনি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৪৯টি রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল**: অবৈধ অভিবাসন ও অনিয়মে জড়িত এজেন্সিগুলোর কার্যক্রম বন্ধ করা হয়েছে।
- 📌 **সিলগালা করা হয়েছে ৪-৫টি এজেন্সির কার্যালয়**: আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
- 📌 **বৈধ অভিবাসন বিষয়ে গোলটেবিল বৈঠক**: অভিবাসনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও সাংবাদিকদের নিয়ে শিগগিরই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
- 📌 **ইইউ রাষ্ট্রদূতের সাথে আলোচনা**: মাইকেল মিলার বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানি ও রেমিট্যান্সে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভূমিকা তুলে ধরেন।
- 📌 **৫ বছরে ১০ লক্ষ কর্মী বিদেশ পাঠানোর লক্ষ্য**: এজেন্সি লাইসেন্স নিয়ন্ত্রণ ও বৈধ অভিবাসন প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চান ইইউ রাষ্ট্রদূত।
- 📌 **ট্যালেন্ট পার্টনারশিপ ও ইউরোপিয়ান ট্রেনিং ফাউন্ডেশন**: বাংলাদেশি কর্মীদের বৈধ পথে ইউরোপে প্রবেশের সুযোগ বৃদ্ধির উদ্যোগের কথা জানান মাইকেল মিলার।
- 📌 **শ্রম আইন সংস্কার আলোচনা**: ট্রেড ইউনিয়নের স্বাধীনতা, ইপিজেডের শ্রম আইনের সামঞ্জস্য ও শিশুশ্রম নির্মূলের ওপর গুরুত্ব দেন ইইউ রাষ্ট্রদূত।
- 📌 **বিশ্বব্যাংকের ‘রেইজ’ প্রকল্প**: বিদেশফেরত কর্মীদের পুনর্বাসনে এই প্রকল্পের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
📰 বিস্তারিত
মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানান, অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে সরকারের পদক্ষেপের অংশ হিসেবে ৪৯টি রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছি। এজেন্সিগুলো অবৈধ অভিবাসনসহ বিভিন্ন অপরাধ ও অনিয়মে জড়িত ছিল।”
সাক্ষাতে মাইকেল মিলার বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানি ও রেমিট্যান্সে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভূমিকা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “আমরা বাংলাদেশের সাথে যৌথভাবে কাজ করতে আগ্রহী। নৈতিক ও বৈধ অভিবাসন উৎসাহিত করা এবং অতিরিক্ত ব্যয়ের প্রবণতা কমাতে সহযোগিতা করার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করব।”
মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. সাইফুল হক চৌধুরী জানান, রিক্রুটিং এজেন্সি বাছাই ও নিয়ন্ত্রণের জন্য নির্দিষ্ট মানদণ্ড রয়েছে। তিনি বলেন, “এজেন্সিগুলোর কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শনের জন্য একাধিক পরিদর্শক কমিটি গঠন করা হয়েছে। ইতালির সঙ্গে চলমান বৈধ অভিবাসন কার্যক্রমের কথা তুলে ধরে তিনি ইইউকে বিভিন্ন প্রকল্প নেওয়ার আহ্বান জানান।
বৈঠকে শ্রম আইন সংস্কারের বিষয়েও আলোচনা হয়। ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার ট্রেড ইউনিয়নের স্বাধীনতা, ইপিজেডের শ্রম আইনের সঙ্গে সাধারণ শ্রম আইনের সামঞ্জস্য, শিশুশ্রম নির্মূল এবং নিয়মিত কারখানা পরিদর্শনের ওপর গুরুত্ব দেন।
"আমরা বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানি ও রেমিট্যান্সে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভূমিকা তুলে ধরছি। বাংলাদেশি কর্মীদের বৈধ পথে ইউরোপে প্রবেশের সুযোগ বৃদ্ধির জন্য ‘ট্যালেন্ট পার্টনারশিপ’সহ বিভিন্ন উদ্যোগে কাজ করব।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার, অতিরিক্ত সচিব মো. সাইফুল হক চৌধুরী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৯টি রিক্রুটিং এজেন্সি, ২৯ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!