📌 জামালপুরের ইসলামপুরে মাদক সেবনের পর নিজ মাকে মারধরের অভিযোগে যুবক গাদ্দাম ব্যাপারীকে ছয় মাস কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। ঘটনার পরপরই তাকে জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে
জামালপুরের ইসলামপুরে মাদক সেবনের পর নিজ মাকে মারধরের অভিযোগে যুবক গাদ্দাম ব্যাপারীকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। ঘটনার পরপরই তাকে জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইসলামপুরে মাদক সেবনের পর মাকে মারধরের অভিযোগে গাদ্দাম ব্যাপারীকে ছয় মাস কারাদণ্ড
- 📌 ভুক্তভোগী মা পুলিশে খবর দেওয়ার পর যুবককে আটক করা হয়
- 📌 ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ইউএনও শাহ মো. জুবায়ের যুবককে কারাদণ্ড প্রদান করেন
- 📌 গাদ্দাম ব্যাপারীকে একইসঙ্গে এক শ টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হয়েছে
- 📌 ঘটনার পর যুবককে রাতেই জামালপুর জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়
📰 বিস্তারিত
জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলায় মাদক সেবনের পর নিজ মাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে গাদ্দাম ব্যাপারী (৩০) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী মা স্থানীয় থানায় অভিযোগ করার পর পুলিশ যুবককে আটক করে। পরে উপজেলা পরিষদের প্রশাসক কার্যালয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে বিচারক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহ মো. জুবায়ের তাকে ছয় মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন। একইসঙ্গে এক শ টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হয়েছে যুবককে।
গাদ্দাম ব্যাপারী ইসলামপুর পৌর শহরের ব্যাপারীপাড়া এলাকার মো. পাক ব্যাপারীর ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবন করে আসছিলেন তিনি। পরিবারের সদস্যরা বারবার নিষেধ করলেও তিনি তা মানছিলেন না। আজ সকালে নিজ বাড়িতে মাদক সেবনের পর তিনি তাঁর মাকে মারধর করেন। অতিষ্ঠ হয়ে থানা-পুলিশে খবর দেন ভুক্তভোগী মা।
ইসলামপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সোহেল রানা জানান, কারাদণ্ডপ্রাপ্ত গাদ্দাম ব্যাপারীকে রাতেই জামালপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ইউএনও শাহ মো. জুবায়ের বলেন, মাদক সেবন করে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
‘আমাদের সন্দেহ ছিল। ধর্ষণ কি না, স্পার্ম আছে কি না। সোয়াবটাকে নিতে বলা হয়েছে। তখন সে ওটা নিয়েছে। সেখান থেকে ফিসারের মতো আসছে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইসলামপুর, জামালপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গাদ্দাম ব্যাপারী (৩০), ইউএনও শাহ মো. জুবায়ের
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ মাস কারাদণ্ড, এক শ টাকা অর্থদণ্ড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!