📅 ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:২৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

যশোরের ১০৬ শিক্ষার্থী সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও নিয়োগপত্র পায়নি: গোয়েন্দা ভেরিফিকেশনের অজুহাত

যশোরের ১০৬ শিক্ষার্থী সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও নিয়োগপত্র পায়নি: গোয়েন্দা ভেরিফিকেশনের অজুহাত

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যশোরে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও ১০৬ জনের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি। গোয়েন্দা ভেরিফিকেশনের ভিত্তিতে তাদের বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। শিক্ষার্থীরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জড়ো হয়ে প্রতিবাদ করছেন

যশোর জেলায় সহকারী প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও ১০৬ জন শিক্ষার্থী নিয়োগপত্র পাননি। গোয়েন্দা ভেরিফিকেশনের অজুহাত দিয়েই তাদের বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। তারা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জড়ো হয়ে প্রতিবাদ করছেন এবং সরকারি কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত সমাধান চাইছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 যশোরে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও ১০৬ জনের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি
  • 📌 ২৯০ জনের মধ্যে ১৮৪ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে, বাকি ১০৬ জনকে গোয়েন্দা ভেরিফিকেশনের ভিত্তিতে বাদ দেওয়া হয়েছে
  • 📌 মাহফুজুর রহমান (মনিরামপুর) ও হাবিবুর রহমানসহ ৮০-৯০ জনের সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পরও নিয়োগপত্র না পাওয়ায় হতাশা প্রকাশ করছেন
  • 📌 জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জড়ো হয়ে প্রতিবাদ করে শিক্ষার্থীরা দাবি জানাচ্ছেন, ‘আমাদের স্বপ্নকে কবর দেওয়া হয়েছে’
  • 📌 বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত সেখানে উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীদের কথা শুনেছেন

📰 বিস্তারিত

যশোর শহরের স্টেডিয়ামপাড়ার একটি ছাত্রাবাস থেকে পড়াশুনা করছেন মাহফুজুর রহমান। তিনি ২০২৫ সালে সহকারী প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলেন মনিরামপুর উপজেলায়। চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মেডিকেল সার্টিফিকেটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়েও নিয়োগপত্র পাননি। তিনি অভিযোগ জানিয়েছেন, পুলিশ ও জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার ভেরিফিকেশনে অযৌক্তিকভাবে তাকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

মাহফুজুর বলেছেন, “সরকারি চাকুরি করার স্বপ্ন নিয়ে গ্রাম থেকে যশোরে এসেছিলাম। ৮ বছর ধরে ছাত্রাবাসে পড়াশুনা করছি। অর্নাস মাস্টার্স শেষ করে বিভিন্ন চাকুরি পরীক্ষা দেই। এরমধ্যে ২০২৫ সালে সহকারী প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে চুড়ান্ত সুপারিশ পেয়েছিলাম। তখন বাড়ির লোকজন খুশি হয়েছিলো। এলাকায় মিষ্টি বিতরণও করেছিলাম। কিন্তু গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের নিয়োগপত্র দেওয়া শুরু হয়। আমার নাম তালিকায় না পাওয়ায় হতাশা বাড়ছে। জেলা অফিসে যোগাযোগ করলে জানানো হয়, গোয়েন্দা ভেরিফিকেশন রিপোর্টের ভিত্তিতে আমাকে বাদ দেওয়া হয়েছে।”

হাবিবুর রহমানসহ ৮০ থেকে ৯০ জনের দেখা মিললো জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে। তাদের সবার হাতে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার কাগজপত্র। সাদ্দাম হোসেন বলেছেন, “সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পর আবার কিসের ভেরিফিকেশন? এটা প্রহসন। আমাদের সাথে জুলুম করা হয়েছে। আমাদের স্বপ্নকে কবর দেওয়া হয়েছে।” তিনি দাবি করেছেন, “আমি ও আমার পরিবারের সদস্যরা হতাশ। খবরটি শোনার পর মা কান্না করেছেন, বাবাও স্তব্ধ হয়ে পড়েছেন।”

অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অবস্থানরত শিক্ষার্থীরা দাবি করেছেন, “প্রাথমিকে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়াতে গত আট মাস ধরে অন্য কোথাও আবেদন করেনি। ভেরিফিকেশনের বিষয়টি পুনরায় যাচাই করে তাদেরকে নিয়োগ দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানানো দরকার।”

"আমাকে কেন বাদ দেওয়া হয়েছে, সেটি স্পষ্টভাবে জানানো হোক। আমাদের স্বপ্নকে কবর দেওয়া হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যশোর জেলা, স্টেডিয়ামপাড়া, মনিরামপুর উপজেলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাহফুজুর রহমান, হাবিবুর রহমান, সাদ্দাম হোসেন, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত (প্রতিমন্ত্রী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০৬ জন বাদ দেওয়া, ২৯০ জন সুপারিশপ্রাপ্ত, ১৮৪ জন নিয়োগপ্রাপ্ত, ৮ বছর ছাত্রাবাসে পড়াশুনা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖