📅 ১২ অক্টোবর ২০২৬, ৭:২৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

যমুনার ভাঙন থেকে বিলীন হয়েছে ধুনটের ১০টি গ্রাম: স্থায়ী ব্যবস্থা নেই

যমুনার ভাঙন থেকে বিলীন হয়েছে ধুনটের ১০টি গ্রাম: স্থায়ী ব্যবস্থা নেই

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বগুড়ার ধুনট উপজেলায় যমুনা নদীর ভাঙনরোধে স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। গত কয়েক দিনে ১০টি গ্রামের জমি, বাড়ি ও বসতভিটা নদীতে হারিয়ে গেছে। স্থানীয়রা দাবি করছেন, বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধেরও বিপদে পড়তে পারে

বগুড়ার ধুনট উপজেলায় যমুনা নদীর অব্যাহত ভাঙনরোধে কোনো স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। ফলে নদীর ভাঙনরূপে ১০টি গ্রামের জমি, বাড়ি ও বসতভিটা নদীতে হারিয়ে গেছে। স্থানীয়রা দাবি করছেন, বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধেরও বিপদে পড়তে পারে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ধুনট উপজেলার ১০টি গ্রামের জমি, বাড়ি ও বসতভিটা যমুনার ভাঙনে হারিয়ে গেছে, যার মধ্যে বৈশাখী, রাঁধানগর, বথুয়ারভিটা, নিউ সারিয়াকান্দি, আটারচর পুকুরিয়া, ভূতবাড়ি, কৈয়াগাড়ি, বানিয়াজান শহড়াবাড়ি ও বানিয়াজান শহড়াবাড়ি অন্তর্ভুক্ত।
  • 📌 ২০০৩ সালে নির্মিত ৬ কোটি টাকার ১ হাজার ১০০ মিটার দৈর্ঘ্যের দুটি স্পারের ভাঙন প্রতিরোধে বালুভর্তি জিওব্যাগ ফেলা হলেও তা ব্যর্থ হয়েছে।
  • 📌 মাত্র ৩ দফায় শতাধিক বিঘা ফসলি জমি ও ৩টি পরিবারের বাড়ি-বাড়ি নদীতে হারিয়ে গেছে।
  • 📌 বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহমুদুল হাসান জানান, ৬০ কোটি টাকার প্রকল্প মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে, অর্থ বরাদ্দ পেলে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
  • 📌 স্থানীয়রা দাবি করছেন, স্পারে ভাঙন প্রতিরোধ না গেলে বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধও ভেঙে যেতে পারে।

📰 বিস্তারিত

বগুড়ার ধুনট উপজেলার ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়নের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত যমুনা নদীর ভাঙনরোধে কোনো স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক দিনের ভাঙনে বহু মানুষের আবাদি জমি, বসতভিটা বিলীন হয়েছে। যমুনায় সব হারিয়ে এখন অথৈ সাগরে পড়েছেন নদীপারের বাসিন্দারা।

বহু বছর আগে ধুনট উপজেলার মানচিত্র থেকে বিলীন হয়ে গেছে ১০টি গ্রাম। এসব গ্রামের মানুষ দফায় দফায় ভাঙনের শিকার হয়ে জমিজমা, বসতভিটা, ঘরবাড়ি হারিয়ে আশ্রয় নিয়েছিলেন বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধে। এ বছর আবারও তাঁরা নতুন করে ভাঙনের কবলে পড়েছেন। স্থানীয়রা দাবি করছেন, ভাঙনরোধে দ্রুত স্থায়ী ব্যবস্থার প্রয়োজন।

গত বৃহস্পতিবার দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, দফায় দফায় পানির তীব্র স্রোতে যমুনার স্পার দুটির সামনের অংশ ভেঙে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। স্থানীয়রা জানান, যমুনার ভয়াবহ ভাঙনরোধে বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের অর্থায়নে ২০০৩ সালে ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়নের শহড়াবাড়ি ও বানিয়াজান গ্রামে ৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ১ হাজার ১০০ মিটার দৈর্ঘ্যের দুটি স্পার নির্মাণ করা হয়েছিল। স্পার থেকে স্পারের দূরত্ব প্রায় দুই কিলোমিটার। মাটির তৈরি স্পার রক্ষায় নদীর ভেতরে বালুভর্তি জিওব্যাগ ফেলা হয়েছিল, কিন্তু তা ব্যর্থ হয়েছে।

হজরত আলী (৬৫), শহড়াবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা, বলেন, “বাঁধের পূর্ব পাশে আমার আধা পাকা বাড়িঘর ছিল। কয়েক দিন আগে তা যমুনায় বিলীন হয়ে গেছে। এখন বাঁধের পশ্চিম পাশে দোচালা ঘর তুলে আশ্রয় নিয়েছি।”

"স্পারে ভাঙন প্রতিরোধ করা না গেলে বাঁধ ভেঙে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে বাঁধে আশ্রিত হাজার হাজার পরিবারের বিপাকে পড়বে।"

ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হোসেন বলেন, “ভাঙনরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে, কিন্তু তাঁরা ঘটনাস্থলে আসেননি এবং কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন না।”

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ধুনট উপজেলা, বগুড়া, ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়ন
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হজরত আলী (৬৫), মাহমুদুল হোসেন, মাহমুদুল হাসান, জুয়েল রানা, রঞ্জু মিয়া
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০টি গ্রাম, ৬ কোটি টাকা, ১ হাজার ১০০ মিটার, ৩টি পরিবার, ৩ দফা, ৬৫ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖