📅 ২৭ আগস্ট ২০২৬, ১০:২১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নারীর ডিম্বাণু কমে যাওয়ার কারণ ও গর্ভধারণের সম্ভাবনা সম্পর্কে বিশেষজ্ঞ পরামর্শ

নারীর ডিম্বাণু কমে যাওয়ার কারণ ও গর্ভধারণের সম্ভাবনা সম্পর্কে বিশেষজ্ঞ পরামর্শ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নারীর ডিম্বাণুর সংখ্যা জন্ম থেকেই কমতে শুরু করে এবং বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে তা দ্রুত হ্রাস পায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, ৩০ বছর পর থেকে এই প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয় এবং ৩৫ বছর বয়সের পর আরও দ্রুত কমতে থাকে

একজন মেয়েশিশু তার মায়ের গর্ভে থাকাকালে গড়ে ৬ থেকে ৭ মিলিয়ন অপরিণত ডিম্বাণু নিয়ে যাত্রা শুরু করে। জন্মের সময় তা কমে দাঁড়ায় ১ থেকে ২ মিলিয়নে। প্রজননক্ষম সময়ে নারীর শরীর থেকে মাত্র ৪০০ থেকে ৫০০টি ডিম্বাণু নিঃসরণ হয়, আর প্রায় এক হাজার ডিম্বাণু কখনোই নিঃসরণ হয় না। ফলে নারী মেনোপজে পৌঁছানোর আগেই ডিম্বাণুর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 একজন নারীর জন্মের সময় ডিম্বাণুর সংখ্যা থাকে ১ থেকে ২ মিলিয়ন
  • 📌 প্রজননক্ষম সময়ে মাত্র ৪০০ থেকে ৫০০টি ডিম্বাণু নিঃসরণ হয়
  • 📌 ৩০ বছর বয়সের পর থেকে ডিম্বাণুর সংখ্যা দ্রুত কমতে শুরু করে
  • 📌 ওভারি বা ফেলোপিয়ান টিউবের অস্ত্রোপচার ডিম্বাণুর সংখ্যা কমাতে পারে
  • 📌 ক্যানসারের চিকিৎসা ও অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস ডিম্বাণুর সংখ্যা হ্রাস করে

📰 বিস্তারিত

ডিম্বাণুর সংখ্যা পরিমাপের জন্য ট্রান্সভ্যাজাইনাল আলট্রাসনোগ্রামের মাধ্যমে অ্যান্ট্রাল ফলিকুলার কাউন্ট (এএফসি) দেখা হয়। এছাড়া অ্যান্টি–মুলারিয়ান হরমোন (এএমএইচ) পরিমাপ এবং মাসিক চলাকালে এফএসএইচ, এলএইচ ও ইস্ট্রোজেন ২ হরমোন পরিমাপের মাধ্যমেও ডিম্বাণুর সংখ্যা ও গুণগত মান নির্ধারণ করা যায়। স্বাভাবিকভাবেই বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ডিম্বাণুর সংখ্যা কমতে থাকে, তবে কিছু বিশেষ কারণে তা অস্বাভাবিক হারে হ্রাস পেতে পারে।

ওভারি বা ফেলোপিয়ান টিউবের অস্ত্রোপচার, সিস্ট অপসারণ বা ওভারিতে ড্রিলিং করার পর ডিম্বাণুর সংখ্যা দ্রুত কমতে দেখা যায়। ক্যানসারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত কেমোথেরাপি বা রেডিয়েশন থেরাপিও ডিম্বাশয়ের কার্যকারিতা নষ্ট করতে পারে। এছাড়া শরীরে অটো অ্যান্টিবডি উপস্থিতি—বিশেষত থাইরয়েড অ্যান্টিবডি—এবং অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস ডিম্বাণুর সংখ্যা ও গুণগত মানকে প্রভাবিত করে। কিছু জেনেটিক রোগও ডিম্বাণুর সংখ্যা দ্রুত কমিয়ে দিতে পারে। পরিবারের কোনো সদস্যের সময়ের আগেই মাসিক বন্ধের ইতিহাস থাকলে তা ডিম্বাণুর সংখ্যা হ্রাসের ঝুঁকি বাড়ায়।

"দ্রুত সন্তান ধারণের জন্য আইইউআই বা আইভিএফ চিকিৎসার সহায়তা নেওয়া লাগতে পারে। এ ধরনের চিকিৎসা বাংলাদেশেই সফলভাবে হচ্ছে। তবে মনে রাখতে হবে, এ ধরনের চিকিৎসা ব্যর্থ হলেও স্বাভাবিক উপায়ে গর্ভধারণের সম্ভাবনা কখনো নিঃশেষ হয় না। ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে, ধারাবাহিকভাবে ধৈর্য ধরে চিকিৎসা নিলে সফল হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা. শাহীনা বেগম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ থেকে ৭ মিলিয়ন, ১ থেকে ২ মিলিয়ন, ৪০০ থেকে ৫০০, ১ হাজার, ৩০ বছর, ৩৫ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖