📅 ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কুইট ইন্ডিয়া স্লোগানের সত্যিকারের জনক কে? ইউসুফ মেহরলির অবিস্মরণীয় অবদান

কুইট ইন্ডিয়া স্লোগানের সত্যিকারের জনক কে? ইউসুফ মেহরলির অবিস্মরণীয় অবদান

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে 'কুইট ইন্ডিয়া' স্লোগানটি উদ্ভাবন করেছেন ইউসুফ মেহরলি, নন গান্ধী। ১৯৪২ সালের অগস্টে মুম্বাইয়ে অনুষ্ঠিত কংগ্রেস কমিটির সভায় এই স্লোগানটি জনপ্রিয় হয়। ইউসুফ মেহরলি ছিলেন সমাজতান্ত্রিক নেতা, মুম্বাইয়ের প্রথম সমাজতান্ত্রিক মেয়র এবং কংগ্রেস সোশ্যালিস্ট পার্টির প্রতিষ্ঠাতা

ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসে 'কুইট ইন্ডিয়া' স্লোগানটি উদ্ভাবনের সত্যিকারের কৃতিত্ব মহাত্মা গান্ধীর নয়, বরং তৎকালীন সমাজতান্ত্রিক নেতা ইউসুফ মেহরলির। গান্ধীকে এই স্লোগানের জনক হিসেবে পরিচিতি পাওয়ার পেছনে রয়েছে একটি আকস্মিক ঘটনা, যা ইতিহাসবিদদের মধ্যে আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 'কুইট ইন্ডিয়া' স্লোগানটি উদ্ভাবন করেন ইউসুফ মেহরলি, নন গান্ধী — গান্ধী মাত্র সমর্থন দিয়েছিলেন
  • 📌 ১৯৪২ সালের আগস্টে মুম্বাইয়ের গোয়ালিয়া ট্যাংক ময়দানে অনুষ্ঠিত অল ইন্ডিয়া কংগ্রেস কমিটির সভায় এই স্লোগানটি জনপ্রিয় হয়
  • 📌 ইউসুফ মেহরলি ছিলেন মুম্বাইয়ের প্রথম সমাজতান্ত্রিক মেয়র (১৯৪২ সালের এপ্রিলে নির্বাচিত) এবং 'পদ্মা' প্রকাশনা সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা
  • 📌 'কুইট ইন্ডিয়া' স্লোগানটি প্রচার করতে তিনি হাজার হাজার ব্যাজ তৈরি করেছিলেন, যা সিআইডি জব্দ করে নেয়
  • 📌 ইউসুফ মেহরলি ১৯০৩ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৪৭ সালে মৃত্যুবরণ করেন
  • 📌 তিনি 'সাইমন, গো ব্যাক' স্লোগানও উদ্ভাবন করেন এবং লবণ সত্যাগ্রহ আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছিলেন

📰 বিস্তারিত

গান্ধীকে 'কুইট ইন্ডিয়া' স্লোগানের জনক হিসেবে পরিচিতি পাওয়ার পেছনে রয়েছে একটি ঘটনা, যা লেখক কে গোপালাসোয়ামি তার বই 'গান্ধী অ্যান্ড বোম্বে'-এ তুলে ধরেছেন। ১৯৪২ সালের আগস্ট মাসে মুম্বাইয়ে অনুষ্ঠিত একটি বৈঠকে গান্ধী স্বাধীনতা আন্দোলনের জন্য একটি স্লোগান খোঁজছিলেন। বৈঠকে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে একজন প্রস্তাব করেন 'গেট আউট'। গান্ধীর পছন্দ হয়নি। রাজাগোপালাচারি 'রিট্রিট' বা 'উইথড্র' স্লোগানগুলি প্রস্তাব করেন, কিন্তু এগুলোও গান্ধীর মনোযোগ আকর্ষণ করতে পারেনি। তখন ইউসুফ মেহরলি 'কুইট ইন্ডিয়া' স্লোগানটি প্রস্তাব করেন, যা গান্ধী পছন্দ করেন এবং সমর্থন জানান।

মহাত্মা গান্ধী ১৯৪২ সালের আগস্ট মাসে মুম্বাই উপস্থিত হন এবং অল ইন্ডিয়া কংগ্রেস কমিটির সভায় যোগ দেন। ইউসুফ মেহরলি, তৎকালীন মুম্বাইয়ের মেয়র, গান্ধীকে বরণ করেন। এই সভাতেই 'কুইট ইন্ডিয়া' স্লোগানটি জনপ্রিয় হয়। ইউসুফ মেহরলি তার প্রকাশনা সংস্থা 'পদ্মা' থেকে 'কুইট ইন্ডিয়া' শিরোনামে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করেন, যা এক সপ্তাহের মধ্যে বিক্রি হয়ে যায়।

ইতিহাসবিদ রামচন্দ্র গুহের মতে, এই ঘটনা ১৯৪২ সালের আগস্ট মাসে ঘটেছিল। ইউসুফ মেহরলি ১৯৪২ সালের ৭ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া অল ইন্ডিয়া কংগ্রেস কমিটির সভায় 'কুইট ইন্ডিয়া' স্লোগানটি প্রচার করতে হাজার হাজার ব্যাজ তৈরি করেছিলেন। সিআইডি ১৯৪২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে পদ্মা প্রকাশনীর রেইড চালিয়ে পুস্তিকাগুলো জব্দ করে। আগস্টের ৯ তারিখে ইউসুফ মেহরলি, মহাত্মা গান্ধীসহ আরও বহু নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার হন।

ইউসুফ মেহরলি ১৯০৩ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর মুম্বাইয়ে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ভারদা উচ্চ বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত অবস্থাতেই ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে জড়িত হন। এলফিলস্টোন কলেজ থেকে ইতিহাস ও অর্থনীতি বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করার পর তিনি সরকারি আইন কলেজ থেকে ডিগ্রি অর্জন করেন। কিন্তু ব্রিটিশবিরোধী কর্মকাণ্ডের কারণে তাঁকে আইন প্র্যাকটিস করার অনুমতি দেয়া হয়নি।

ইউসুফ মেহরলি ছিলেন 'কংগ্রেস সোশ্যালিস্ট পার্টি'র প্রতিষ্ঠাতা এবং সমাজতন্ত্রের বাণী নিয়ে সারা ভারতবর্ষে অক্লান্ত ভ্রমণ করেছেন। তিনি ১৯৩০-এর দশকে ইউরোপ ও আমেরিকায় আন্তর্জাতিক সমাজতান্ত্রিক নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে গিয়েছিলেন।

"গান্ধীর তেমন পছন্দ হলো না। রাজাগোপালাচারি 'রিট্রিট' বা 'উইথড্র' এ দুটি স্লোগানের কথা বললেন। এ দুটোও টিকল না। ইউসুফ মেহরলি প্রস্তাব করলেন 'কুইট ইন্ডিয়া'। গান্ধী পছন্দ করলেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মুম্বাই, ভারত; গোয়ালিয়া ট্যাংক ময়দান
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইউসুফ মেহরলি, মহাত্মা গান্ধী, জি জি পরেখ, মধু দন্ডবতী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৯ বছর (ইউসুফ মেহরলির বয়স ১৯৪২ সালে), ৭ আগস্ট (সভা শুরু), ৯ আগস্ট (গ্রেপ্তার), ২৩ সেপ্টেম্বর (জন্ম তারিখ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖