📌 পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিজেপির সরকারের অধীনে রাজ্য সচিবালয়কে ফিরিয়ে আনছেন ঐতিহাসিক রাইটার্স বিল্ডিংয়ে। পূজার আগেই ১০ অক্টোবর থেকে মুখ্যমন্ত্রীসহ পাঁচ মন্ত্রীর দপ্তর শুরু হবে এই ঐতিহ্যবাহী ভবনে। ২০১১ সাল থেকে নবান্নে অবস্থিত সচিবালয় এবার সংস্কারকাজ শেষে ঐতিহাসিক স্থানটিতে ফিরে আসছে
পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিজেপির সরকারের অধীনে রাজ্য সচিবালয়কে ফিরিয়ে আনছেন কলকাতার ঐতিহাসিক রাইটার্স বিল্ডিংয়ে। ২০১১ সাল থেকে হাওড়ার নবান্নে অবস্থিত সচিবালয় এবার সংস্কারকাজ শেষে ঐতিহাসিক স্থানটিতে ফিরে আসছে। পূজার আগেই ১০ অক্টোবর থেকে মুখ্যমন্ত্রীসহ পাঁচ মন্ত্রীর দপ্তর শুরু হবে এই ঐতিহ্যবাহী ভবনে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১০ অক্টোবর থেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীসহ পাঁচ মন্ত্রীর দপ্তর শুরু হবে রাইটার্স বিল্ডিংয়ে।
- 📌 ১৫ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া দুর্গাপূজার আগেই সচিবালয় ফিরে আসছে ঐতিহাসিক স্থানটিতে।
- 📌 মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০১৩ সালে সচিবালয় সরিয়ে নেন নবান্নে, যা ছিল তার ৩৪ বছরের বামফ্রন্ট শাসনের অবসানের পরের পদক্ষেপ।
- 📌 রাইটার্স বিল্ডিং ১৭৮০ সালে তৈরি হয়েছিল, যা ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির করণিকদের আবাসস্থল হিসেবে ব্যবহৃত হত।
- 📌 মুখ্যমন্ত্রীসহ পাঁচ মন্ত্রী (দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, শংকর ঘোষ, শারদ্বত মুখোপাধ্যায়, অজয় পোদ্দার) এবং মুখ্য সচিবসহ পুলিশের ডিজির দপ্তরও তৈরি করা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সচিবালয় ২০১৩ সাল থেকে হাওড়ার নবান্নে অবস্থিত ছিল। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের অধীনে সচিবালয় স্থানান্তরিত হয়েছিল। কিন্তু বিজেপির নতুন সরকারের অধীনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সচিবালয়কে ফিরিয়ে আনছেন ঐতিহাসিক রাইটার্স বিল্ডিংয়ে। এই ভবনটি ১৭৮০ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির করণিকদের আবাসস্থল হিসেবে তৈরি হয়েছিল এবং পরবর্তীকালে এটি রাইটার্স বিল্ডিং নামে পরিচিতি পায়।
রাইটার্স বিল্ডিংয়ের সংস্কারকাজ দ্রুতগতিতে সম্পন্ন হচ্ছে। ১০ অক্টোবর থেকে মুখ্যমন্ত্রীসহ পাঁচ মন্ত্রীর দপ্তর শুরু হবে এই ঐতিহাসিক ভবনে। এই দপ্তরগুলো হলো: পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ, পৌর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল, পর্যটন ও পরিষদীয় মন্ত্রী শংকর ঘোষ, স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় এবং পূর্ত ও জনস্বাস্থ্য কারিগরি মন্ত্রী অজয় পোদ্দার। এছাড়াও মুখ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব এবং রাজ্য পুলিশের মহানির্দেশক বা ডিজির দপ্তরও তৈরি করা হয়েছে। তবে অন্যান্য দপ্তরের কাজ এখনো সম্পন্ন হয়নি।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, এই ঐতিহাসিক ভবনে সচিবালয় ফিরিয়ে আনতে সরকারের উদ্যোগ। এই ভবনটি কলকাতার ঐতিহাসিক ডালহৌসি বা বিবাদী বাগের লালদিঘীর উত্তরপাড়ে অবস্থিত। এই ভবনের নকশা তৈরি করেছিলেন টমাস লায়ন। মূলত ১৭৭৬ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি তাদের করণিদের বসবাসের জন্য এখানে ১৯টি পৃথক ঘর তৈরি করেছিল। আগে এই স্থানে ছিল কলকাতার প্রথম চার্চ ‘সেন্ট অ্যান চার্চ’।
"রাইটার্স বিল্ডিংয়ে সচিবালয় ফিরিয়ে আনতে সরকারের উদ্যোগ। এই ঐতিহাসিক স্থানটিকে পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে সংস্কারকাজ দ্রুতগতিতে সম্পন্ন হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, রাইটার্স বিল্ডিং (মহাকরণ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, শংকর ঘোষ, শারদ্বত মুখোপাধ্যায়, অজয় পোদ্দার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ অক্টোবর, ১৫ অক্টোবর, ৩৪ বছর, ১৯টি ঘর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!