📅 ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:০৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পানিসম্পদমন্ত্রী: ঢাকার নদী রক্ষায় সমন্বিত পদক্ষেপের দাবি, শিল্পবর্জ্য নিষিদ্ধ

পানিসম্পদমন্ত্রী: ঢাকার নদী রক্ষায় সমন্বিত পদক্ষেপের দাবি, শিল্পবর্জ্য নিষিদ্ধ

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি ঢাকার চারপাশের নদী রক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান জানান। তিনি দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও নাব্যতা ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারি ও বেসরকারি সব স্তরের অংশগ্রহণের দাবি তুলেন

পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি ঢাকার চারপাশের নদীগুলোর দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করতে সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর গুলশানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘ঢাকার চারপাশের নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণ, সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই দাবি তুলেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, ঢাকার নদী ব্যবস্থাপনা রাজধানীর পরিবেশ, জনস্বাস্থ্য ও অর্থনীতির জন্য অপরিহার্য।
  • 📌 বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু, শীতলক্ষ্যা ও ধলেশ্বরীসহ ঢাকার নদীগুলোর দূষণ ও দখলমুক্তকরণ সরকারের অগ্রাধিকার।
  • 📌 শিল্পবর্জ্য ও কঠিন বর্জ্য ফেলা বন্ধ করতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
  • 📌 নদী দূষণ নিয়ন্ত্রণ একক মন্ত্রণালয়ের কাজ নয় — সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে পানি সম্পদ, পরিবেশ, নৌপরিবহণ, স্থানীয় সরকার ও সিটি করপোরেশনসহ সব প্রতিষ্ঠানের।
  • 📌 নদীতীরবর্তী জনগণ ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
  • 📌 সরকারের পক্ষ থেকে দেশব্যাপী নদ-নদী ও খালের খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

📰 বিস্তারিত

পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ‘রাজধানীর পরিবেশ, জনস্বাস্থ্য, জীববৈচিত্র্য ও অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করে নদী ব্যবস্থাপনা করতে হবে।’ তিনি নদীগুলোর দূষণ ও দখলমুক্তকরণকে সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, ‘নদীতে শিল্পবর্জ্য ও কঠিন বর্জ্য ফেলা বন্ধ করতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘নদী দূষণ নিয়ন্ত্রণ কোনো একক মন্ত্রণালয় বা সংস্থার পক্ষে সম্ভব নয়। পানি সম্পদ, পরিবেশ, নৌপরিবহণ, স্থানীয় সরকার, সিটি করপোরেশন, শিল্প, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে নদীতীরবর্তী জনগণ, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও নাগরিক সমাজকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।’

তিনি নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হলে জলাবদ্ধতা, পরিবেশগত ভারসাম্যহীনতা ও জনদুর্ভোগ বাড়ার সম্ভাবনা উল্লেখ করে বলেন, ‘তাই নদীর সঙ্গে সংযুক্ত খাল ও জলাধারগুলোও সংরক্ষণ করতে হবে। নদী ও খালের সংযোগ পুনঃস্থাপন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী খনন ও পুনঃখননের মাধ্যমে পানিপ্রবাহ সচল রাখার উদ্যোগ অব্যাহত রাখতে হবে।’

মন্ত্রী জানান, সরকারের পক্ষ থেকে দেশব্যাপী নদ-নদী, খাল ও জলাধার খনন এবং পুনঃখননের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সাংসদীয় সর্বদলীয় গ্রুপ বাংলাদেশের মহাপরিচালক মাহবুবা রহমান, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের বাংলাদেশবিষয়ক কান্ট্রি ডিরেক্টর চিংফেং ঝাং, ইউরোপীয় ইউনিয়নের মন্ত্রী কাউন্সিলর ও উন্নয়ন সহযোগিতা বিভাগের প্রধান মিশাল ক্রেইজা, ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জ্যঁ-মার্ক সেরে শার্লে এবং নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত জোরিস ভ্যান বোমেলসহ অন্যান্যদের।

"রাজধানীর পরিবেশ, জনস্বাস্থ্য, জীববৈচিত্র্য ও অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করে নদী ব্যবস্থাপনা করতে হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (গুলশান), ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪ সেপ্টেম্বর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖