📌 সরকার নতুন মোটরযান স্ক্র্যাপিং ও রিসাইক্লিং নীতিমালা কার্যকর করেছে। এতে স্ক্র্যাপ করা গাড়ির যন্ত্রাংশ বাজারজাত করা যাবে, মালিক পাবে সার্টিফিকেট এবং নতুন গাড়ি কেনার জন্য সহজ ঋণ পাবেন
বাংলাদেশ সরকার গতকাল মঙ্গলবার মোটরযান স্ক্র্যাপিং ও রিসাইক্লিং নীতিমালা কার্যকর করেছে। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, অকেজো ও ইকোনমিক লাইফ শেষ হওয়া গাড়ি স্ক্র্যাপ করার পর পুনর্ব্যবহারযোগ্য যন্ত্রাংশ বাজারজাত করা যাবে। তবে ইঞ্জিন ও চেসিস নম্বর নষ্ট করে অন্য গাড়িতে ব্যবহার করা নিষিদ্ধ। এছাড়াও, স্ক্র্যাপ করার পর মালিককে ‘ভেহিক্যাল স্ক্র্যাপিং সার্টিফিকেট’ প্রদান করা হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, স্ক্র্যাপ করা গাড়ির যন্ত্রাংশ বাজারজাত করা যাবে, তবে ইঞ্জিন ও চেসিস নম্বর নষ্ট করতে হবে অন্য গাড়িতে ব্যবহার করা যাবে না
- 📌 স্ক্র্যাপ সার্টিফিকেট পাওয়ার পর মালিক নতুন বাণিজ্যিক গাড়ি কেনার জন্য সহজ শর্তে ঋণ বা আর্থিক প্রণোদনা পাবেন
- 📌 স্ক্র্যাপযোগ্য গাড়ি হিসেবে বিবেচিত হবে: ইকোনমিক লাইফ শেষ হওয়া, দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত, পাঁচ বছরের বেশি ফিটনেসবিহীন, বা নির্গমন মান অতিক্রমকারী গাড়ি
- 📌 স্ক্র্যাপ ভেন্ডরকে ৫০টি গাড়ি রাখার জায়গা, আধুনিক সরঞ্জাম, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র এবং ফায়ার সার্ভিসের অনুমতি থাকতে হবে
- 📌 স্ক্র্যাপ মূল্য নির্ধারণের জন্য ৮ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে, যাতে বিআরটিএ, পরিবহন কমিশনার, পরিবেশ অধিদপ্তর, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি ও মালিক সমিতির সদস্য থাকবেন
- 📌 স্ক্র্যাপ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার ৭ দিনের মধ্যে মালিককে সার্টিফিকেট দেওয়া হবে এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর বাতিল করা হবে
📰 বিস্তারিত
সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নতুন নীতিমালা ‘মোটরযান স্ক্র্যাপিং ও রিসাইক্লিং নীতিমালা, ২০২৬’ নামে কার্যকর হয়েছে। এতে আগের নীতিমালা (১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) রহিত করে নতুন নিয়মাবলী প্রবর্তন করা হয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো গাড়ি যদি ইকোনমিক লাইফ শেষ হয়, দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়, বা পাঁচ বছরের বেশি সময় ফিটনেসবিহীন থাকে, তাহলে তা স্ক্র্যাপের আওতায় আসবে। এছাড়াও, নির্গমন মান এক মাসে তিনবার অতিক্রম করা গাড়িও স্ক্র্যাপের শর্ত পূরণ করে।
স্ক্র্যাপ করার জন্য মালিককে নির্ধারিত ফর্মে আবেদন করতে হবে এবং গাড়ির মূল্য বিআরটিএর ব্যাংক হিসাবে জমা দিতে হবে। যদি মালিকানা নির্ধারণ করা না যায়, তাহলে অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা হবে। স্ক্র্যাপ ভেন্ডরকে বিআরটিএর নির্দেশ পাওয়ার ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে স্ক্র্যাপিং সম্পন্ন করতে হবে এবং পরিবেশবান্ধবভাবে যন্ত্রাংশ সংরক্ষণ করতে হবে।
স্ক্র্যাপ ভেন্ডর নিয়োগের জন্য বিআরটিএ উন্মুক্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করবে। ভেন্ডরকে নিবন্ধিত হতে হবে এবং গ্যাস কাটার, ক্রেন, শ্রেডার, রেকার ও হাইড্রোলিক প্রেসসহ সরঞ্জাম থাকতে হবে। এছাড়াও, পরিবেশ অধিদপ্তর ও ফায়ার সার্ভিসের অনুমতি থাকতে হবে।
"স্ক্র্যাপিং শেষে মালিককে দেওয়া হবে ‘ভেহিক্যাল স্ক্র্যাপিং সার্টিফিকেট’। এছাড়াও, নতুন বাণিজ্যিক গাড়ি কেনার জন্য সহজ শর্তে ঋণ বা আর্থিক প্রণোদনা দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ (সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মালিক, কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ, পরিবেশ অধিদপ্তর)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০টি গাড়ি রাখার জায়গা, ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে স্ক্র্যাপিং সম্পন্ন, ৮ সদস্যের মূল্য নির্ধারণ কমিটি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!