📌 শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আলী আসাদ মিয়ার বিরুদ্ধে পরকীয়া ও অসদাচরণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়েছে
শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুরে অবস্থিত ৮৭ নম্বর আব্বাস আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আলী আসাদ মিয়াকে সহকারী শিক্ষকের সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্ক ও অসদাচরণের অভিযোগে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে। রোববার (২৩ আগস্ট) বিভাগীয় তদন্ত শেষে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী তাকে এ গুরুদণ্ড দেওয়া হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সহকারী শিক্ষকের সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্ক ও অসদাচরণের অভিযোগে প্রধান শিক্ষককে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়েছে
- 📌 অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সরকারি কর্মচারী বিধিমালা অনুযায়ী তাকে গুরুদণ্ড দেওয়া হয়
- 📌 প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের ঢাকা বিভাগীয় উপপরিচালক মো. আব্দুল আজিজ আদেশটি জারি করেন
- 📌 অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে প্রধান শিক্ষক মো. আলী আসাদ মিয়ার অনৈতিক সম্পর্ক ও অশ্লীল ইমু চ্যাটিং
📰 বিস্তারিত
ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুরে অবস্থিত ৮৭ নম্বর আব্বাস আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আলী আসাদ মিয়ার বিরুদ্ধে সহকারী শিক্ষকের সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্ক ও অসদাচরণের অভিযোগ উঠে। রোববার (২৩ আগস্ট) বিভাগীয় তদন্ত শেষে সরকারি কর্মচারী বিধিমালা অনুযায়ী তাকে বাধ্যতামূলক অবসরের আদেশ দেওয়া হয়। প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের ঢাকা বিভাগীয় উপপরিচালক মো. আব্দুল আজিজ এই আদেশ জারি করেন।
আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের ভিত্তিতে বিভাগীয় মামলা করা হয়। তদন্তে অভিযোগগুলো অসদাচরণ হিসেবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে গুরুদণ্ড দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে তার বিরুদ্ধে বাধ্যতামূলক অবসরের আদেশ কার্যকর করা হয়।
বিভাগীয় নথি অনুযায়ী, বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকের সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে প্রধান শিক্ষকের অনৈতিক সম্পর্ক ও অশ্লীল ইমু চ্যাটিংয়ের অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুই শিক্ষকের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়। এ অভিযোগের বিষয়টি বিভাগীয় তদন্তের আওতায় নেওয়া হয়। তদন্তের অংশ হিসেবে প্রধান শিক্ষককে অভিযোগনামা ও কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। তিনি লিখিত বক্তব্য দেন এবং ব্যক্তিগত শুনানিতেও অংশ নেন।
তদন্ত শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে মর্মে তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রতিবেদন দেন। পরে প্রধান শিক্ষককে দ্বিতীয় দফায় কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। তবে তার দেওয়া জবাব কর্তৃপক্ষের কাছে সন্তোষজনক মনে হয়নি। এরপর সরকারি চাকরির বিধিমালা অনুযায়ী তাকে বাধ্যতামূলক অবসরের গুরুদণ্ড দেওয়া হয়।
"আমি এ বিষয়ে অবগত নই। আমার কাছে কোনো চিঠি আসেনি।"
অভিযোগের বিষয়ে প্রধান শিক্ষক মো. আলী আসাদ মিয়া তার অস্বীকৃতি জানান। অন্যদিকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম জানান, বিভাগীয় কার্যালয় থেকে এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি তাদের কাছে এসেছে। ইতোমধ্যে চিঠিটি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে। ওই শিক্ষক বর্তমানে ছুটিতে রয়েছেন বলে তিনি জানান।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সখিপুর, ভেদরগঞ্জ উপজেলা, শরীয়তপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আলী আসাদ মিয়া (প্রধান শিক্ষক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৭ (বিদ্যালয়ের নম্বর), ২৩ (আগস্ট)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!