📌 ভেদরগঞ্জ উপজেলার আব্বাস আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আলী আসাদ মিয়াকে পরকীয়া ও অশ্লীল চ্যাটিংয়ের অভিযোগে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়েছে। সরকারি বিধিমালা অনুযায়ী তাকে গুরুদণ্ড প্রদান করা হয়
শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার আব্বাস আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আলী আসাদ মিয়াকে পরকীয়া ও অশ্লীল চ্যাটিংয়ের অভিযোগে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়েছে। রোববার (২৩ আগস্ট) বিভাগীয় তদন্ত শেষে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী তাকে গুরুদণ্ড প্রদান করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভেদরগঞ্জ উপজেলার আব্বাস আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আলী আসাদ মিয়াকে পরকীয়া ও অশ্লীল চ্যাটিংয়ের অভিযোগে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়েছে
- 📌 সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী তাকে গুরুদণ্ড প্রদান করা হয়
- 📌 অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকের সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে প্রধান শিক্ষকের অনৈতিক সম্পর্ক ও অশ্লীল ইমো চ্যাটিং
- 📌 প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের ঢাকা বিভাগীয় উপপরিচালক মো. আব্দুল আজিজ আদেশ জারি করেন
📰 বিস্তারিত
শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার আব্বাস আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আলী আসাদ মিয়াকে পরকীয়া ও অশ্লীল চ্যাটিংয়ের অভিযোগে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়েছে। সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী তাকে গুরুদণ্ড প্রদান করা হয়। প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের ঢাকা বিভাগীয় উপপরিচালক মো. আব্দুল আজিজ আদেশ জারি করেন।
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকের সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে প্রধান শিক্ষক আলী আসাদের অনৈতিক সম্পর্ক ও অশ্লীল ইমো চ্যাটিংয়ের অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুই শিক্ষকের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়। এ অভিযোগের বিষয়টি বিভাগীয় তদন্তের আওতায় নেওয়া হয়। তদন্তের অংশ হিসেবে প্রধান শিক্ষককে অভিযোগনামা ও কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়।
জবাবে তিনি লিখিত বক্তব্য দেন এবং ব্যক্তিগত শুনানিতেও অংশ নেন। তদন্ত শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে মর্মে তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রতিবেদন দেন বলে বিভাগীয় আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে প্রধান শিক্ষককে দ্বিতীয় দফায় কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। তবে তার দেওয়া জবাব কর্তৃপক্ষের কাছে সন্তোষজনক মনে হয়নি। এরপর সরকারি চাকরির বিধিমালা অনুযায়ী তাকে বাধ্যতামূলক অবসরের গুরুদণ্ড দেওয়া হয়।
"আমি এ বিষয়ে অবগত নই। আমার কাছে কোনো চিঠি আসেনি।"
এদিকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, আমাদের কাছে বিভাগীয় কার্যালয় থেকে এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি এসেছে। ইতোমধ্যে আমরা চিঠিটি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়েছি। ওই শিক্ষক বর্তমানে ছুটিতে রয়েছেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভেদরগঞ্জ উপজেলা, শরীয়তপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আলী আসাদ মিয়া
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৭
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!