📌 বরিশালের উজিরপুরে নির্মাণাধীন সড়কের রক্ষায় নির্ধারিত জিও ব্যাগের পরিবর্তে পুরোনো পাটের বস্তা ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, পাটের বস্তা পচে যাওয়ায় সড়ক ধসে জনদুর্ভোগের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার হারতা ইউনিয়নের নয়াকান্দি ফুটব্রিজ থেকে দক্ষিণ সাতলা পর্যন্ত নির্মাণাধীন প্রায় আড়াই কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কের রক্ষায় নির্ধারিত বালুভর্তি জিও ব্যাগের পরিবর্তে পুরোনো পাটের বস্তায় মাটি ভরে ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে ‘মেসার্স তাসমিয়া এন্টারপ্রাইজ’ নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, পাটের বস্তা পানিতে দ্রুত পচে গিয়ে সড়কের স্থায়িত্ব হুমকির মুখে ফেলেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নির্মাণাধীন সড়কের দৈর্ঘ্য প্রায় আড়াই কিলোমিটার
- 📌 প্রকল্প ব্যয় ধরা হয়েছে ৭৪ লাখ ৯৯ হাজার টাকা
- 📌 নির্ধারিত জিও ব্যাগের পরিবর্তে পুরোনো পাটের বস্তা ব্যবহারের অভিযোগ
- 📌 স্থানীয়দের অভিযোগ, পাটের বস্তা পচে সড়ক ধসে জনদুর্ভোগের আশঙ্কা
📰 বিস্তারিত
উজিরপুর উপজেলার হারতা ইউনিয়নের নয়াকান্দি ফুটব্রিজ থেকে দক্ষিণ সাতলা পর্যন্ত নির্মাণাধীন সড়কটির রক্ষায় পাইলিংয়ের কাজে নির্ধারিত বালুভর্তি জিও ব্যাগ ব্যবহারের নিয়ম থাকলেও তা মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ৭৪ লাখ ৯৯ হাজার টাকা। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি খরচ বাঁচাতে জিও ব্যাগের পরিবর্তে পুরোনো পাটের বস্তায় মাটি ভরে ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘ সময় পানির সংস্পর্শে থাকলে পাটের বস্তা খুব দ্রুত পচে নষ্ট হয়ে যায়। অথচ জিও ব্যাগ বছরের পর বছর টেকসই থাকে। সরকারি অর্থ ব্যয়ে নির্মিত এই সড়ক রক্ষার কাজে এমন নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করায় পুরো প্রকল্পের স্থায়িত্ব হুমকির মুখে পড়েছে।
"পাটের বস্তা নষ্ট হয়ে গেলে পাইলিং দুর্বল হয়ে পড়বে এবং বর্ষা বা ঢলের পানিতে সড়কটি পুনরায় ভেঙে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: উজিরপুর, বরিশাল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সুব্রত রায় (উজিরপুর উপজেলা এলজিআরডি প্রকৌশলী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৪ লাখ ৯৯ হাজার টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!