📌 কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে দৈনিক ১৫ হাজার সাবান উৎপাদন করা হয়। জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূত জুলি বিশপের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদল কারখানাটি পরিদর্শন করে উদ্যোগের প্রশংসা করেন। এই কারখানার সাবান রোহিঙ্গা পরিবারগুলোর লন্ড্রি ও শৌচাগারের কাজে বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয়।
কক্সবাজারের উখিয়া থাইংখালী রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরের (ক্যাম্প-২০) একটি কারখানায় প্রতিদিন গড়ে ১৫ হাজার সাবান উৎপাদিত হচ্ছে। এই সাবানগুলো রোহিঙ্গা শরণার্থীদের লন্ড্রি ও শৌচাগারের কাজে ব্যবহারের জন্য বিনা মূল্যে সরবরাহ করা হয়। কারখানাটি চালু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় সাত লাখ সাবান উৎপাদন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পরিচালনাকারী সংস্থা পালস।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দৈনিক উৎপাদন: উখিয়া আশ্রয়শিবিরে কারখানায় প্রতিদিন গড়ে ১৫ হাজার সাবান উৎপাদিত হয়
- 📌 জাতিসংঘ পরিদর্শন: জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূত জুলি বিশপের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধিদল কারখানাটি পরিদর্শন করেন
- 📌 সাবান বিতরণ: উৎপাদিত সাবানগুলো রোহিঙ্গা পরিবারগুলোর লন্ড্রি ও শৌচাগারের কাজে বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয়
- 📌 উদ্যোগের লক্ষ্য: রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয়দের আত্মনির্ভরশীলতা বৃদ্ধি ও জীবিকার সুযোগ সৃষ্টি
- 📌 অর্থায়ন: আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) ও যুক্তরাজ্যের ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিসের অর্থায়নে কার্যক্রম চলছে
📰 বিস্তারিত
চলতি বছরের জানুয়ারিতে চালু হওয়া এই কারখানায় ৩৬ জন স্বেচ্ছাসেবী প্রতিদিন গড়ে ১৫ হাজার সাবান উৎপাদন করছেন। কারখানাটি পরিচালনা করছে বেসরকারি সংস্থা পালস। বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) অনুমোদিত দুটি ধরনের সাবান — লন্ড্রি ও টয়লেট সাবান — উৎপাদিত হয়। উৎপাদিত সাবানগুলো আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এর মাধ্যমে রোহিঙ্গা পরিবারগুলোর কাছে বিনামূল্যে পৌঁছে দেওয়া হয়।
জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূত জুলি বিশপের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধিদল ২০ নম্বর আশ্রয়শিবিরে কারখানাটি পরিদর্শন করেন। প্রতিনিধিদল ঢাকার বিমানবন্দরে সকাল ১০টায় পৌঁছান এবং সড়কপথে উখিয়া আশ্রয়শিবিরে যান। পরিদর্শনকালে তারা সাবান তৈরির উপাদান, উৎপাদনপ্রক্রিয়া ও গুণমান পরীক্ষা করেন। জুলি বিশপ রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয়দের জীবিকার সুযোগ বৃদ্ধিতে এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন।
পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক ক্যারল ফ্লোর-স্মেরেজনিয়াক, ইউএনএইচসিআরের ভারপ্রাপ্ত প্রতিনিধি জুলিয়েট মুরেকেইসোনি, মিয়ানমারবিষয়ক জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূতের কার্যালয়ের রাজনৈতিক বিষয়ক কর্মকর্তা ডানকান উইলসন এবং সহযোগী জনতথ্য কর্মকর্তা পিয়া থেট চায়েল। পালসের নির্বাহী পরিচালক আবু মোরশেদ চৌধুরী প্রতিনিধিদলকে কারখানার ব্যবস্থাপনা ও জীবিকার সুযোগ সম্পর্কে অবহিত করেন। কারখানার রসায়নবিদও সাবান তৈরির প্রক্রিয়া ও কেন্দ্রের কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা দেন।
"রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবিকার সুযোগ এবং আত্মনির্ভরশীলতা বৃদ্ধিতে সহায়ক এই উদ্যোগের প্রশংসা করছি"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কক্সবাজার, উখিয়া থাইংখালী রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবির (ক্যাম্প-২০)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জুলি বিশপ (জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূত), আবু মোরশেদ চৌধুরী (পালসের নির্বাহী পরিচালক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ হাজার (দৈনিক সাবান উৎপাদন), ৩৬ জন (স্বেচ্ছাসেবী), ২০ নম্বর (আশ্রয়শিবির)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!