📅 ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

উলিপুরের দিঘিতে শামুকখোলের বাসা-বিচরণ: বাংলাদেশের একমাত্র পাখিদের গ্রামের গল্প

উলিপুরের দিঘিতে শামুকখোলের বাসা-বিচরণ: বাংলাদেশের একমাত্র পাখিদের গ্রামের গল্প

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার উলিপুর গ্রামে প্রায় ১০০ বিঘা দিঘির চারপাশে শত শত শামুকখোলের বাসা বেঁধেছে। স্থানীয়রা এই গ্রামকে 'পাখিদের গ্রাম' বলে অভিহিত করে। পরিবেশবাদী ও স্থানীয়রা পাখিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করছেন

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার উলিপুর গ্রামে ভোরের আলো ফুটতে না ফুটতেই শামুকখোলের দল ডানা মেলে উড়তে শুরু করে। দিঘির পাড়ের গাছের ডালে ডালে তাদের আনাগোনা শোনা যায়। কিচিরমিচির শব্দে মুখর হয়ে ওঠে এই গ্রাম, যা স্থানীয়দের কাছে 'পাখিদের গ্রাম' নামে পরিচিত।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 উলিপুর গ্রামে প্রায় ১০০ বিঘা আয়তনের উলিপুর দিঘির চারপাশে শত শত শামুকখোলের বাসা বেঁধেছে।
  • 📌 স্থানীয় শিক্ষক সনাতন দাশ বলেন, পাখিরা প্রায় এক যুগ আগে এখানে বাসা বাঁধতে শুরু করে এবং এখন স্থায়ীভাবে বসবাস করে।
  • 📌 গ্রামের বাসিন্দা ফরিদুল ইসলাম জানান, আগে আত্মীয়স্বজন বেড়াতে আসতেন, এখন পাখি দেখতে বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ আসে।
  • 📌 পরিবেশবাদী সংগঠন ‘স্বাধীন জীবন’ পরিচালক মো. আবদুর রাজ্জাক বলেন, উলিপুরের শামুকখোলগুলো এশীয় শামুকখোল প্রজাতি, যা সংরক্ষিত প্রাণী তালিকায় রয়েছে।
  • 📌 উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুসরাত জাহান জানান, প্রশাসন পাখিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।

📰 বিস্তারিত

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলা সদর থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত উলিপুর গ্রামে একটি প্রাচীন দিঘি রয়েছে। এই দিঘির নাম উলিপুর দিঘি। প্রায় ১০০ বিঘা আয়তনের এই দিঘির চারপাশে শত শত শামুকখোলের বাসা বেঁধেছে। স্থানীয়রা বলেন, এই গ্রামে শামুকখোলের বাসা বাঁধতে শুরু হয় প্রায় এক যুগ আগে। প্রতিবছর প্রজনন মৌসুমে ডিম থেকে বাচ্চা ফোটে এবং পাখিগুলো স্থায়ীভাবে এখানে বসবাস করে।

গ্রামের শিক্ষক সনাতন দাশ বলেন, শামুকখোল আসার পর থেকেই গ্রামবাসীরা পাখিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সচেতন হয়ে উঠেছেন। তারা বাইরে থেকে আসা মানুষকে পাখিদের বিরক্ত না করার জন্য অনুরোধ করেন। গ্রামের বাসিন্দা ফরিদুল ইসলাম জানান, আগে তাঁদের আত্মীয়স্বজন বেড়াতে আসতেন, কিন্তু এখন পাখি দেখতে বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ এখানে আসে।

পাখিদের ঘিরে স্থানীয়দের আগ্রহের আরেকটি চিত্র দেখা যায় বাউল আবদুল মাজেদর গানে। তিনি পাখিদের নিয়ে রচিত একটি গান গেয়ে শোনান। গ্রামের মানুষও তাঁর গান শুনতে ভিড় করেন। পরিবেশবাদী সংগঠন ‘স্বাধীন জীবন’ পরিচালক মো. আবদুর রাজ্জাক বলেন, শামুকখোলের দুটি প্রজাতির মধ্যে এশীয় ও আফ্রিকান প্রজাতি রয়েছে। উলিপুরে থাকা পাখিগুলো এশীয় শামুকখোল, যা সংরক্ষিত প্রাণীর তালিকায় রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মাছ, কাঁকড়া, ব্যাঙসহ বিভিন্ন জলজ প্রাণী শামুকখোলের প্রধান খাবার। বাংলাদেশ ছাড়াও দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে এ পাখি দেখা যায়। উপযুক্ত আবহাওয়া, পর্যাপ্ত খাবার ও নিরাপদ পরিবেশ পেলে শামুকখোল সাধারণত একই এলাকায় থেকে যায়।

"পাখিদের এমন অবাধ বিচরণ আমাকে মুগ্ধ করেছে। গ্রামের বাসিন্দাদের চেষ্টায় পাখিগুলো এখানে নিরাপদ আশ্রয় পেয়েছে।"

— শিক্ষক সুমন কুমার পাল, উল্লাপাড়া উপজেলার বাসিন্দা

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: উলিপুর গ্রাম, তাড়াশ উপজেলা, সিরাজগঞ্জ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সনাতন দাশ, ফরিদুল ইসলাম, মো. আবদুর রাজ্জাক, নুসরাত জাহান, বাউল আবদুল মাজেদ, সুমন কুমার পাল
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০ বিঘা (উলিপুর দিঘির আয়তন)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖