📅 ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:০৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

'তুরি' আদিবাসী ছেলে কাজল পাঁড়ে: জুডিশিয়াল সার্ভিসে ১৪০তম স্থান পেয়ে স্বপ্ন পূরণের আনন্দে ফুলে উঠেছে গোমস্তাপুরের মাধাই গ্রাম

'তুরি' আদিবাসী ছেলে কাজল পাঁড়ে: জুডিশিয়াল সার্ভিসে ১৪০তম স্থান পেয়ে স্বপ্ন পূরণের আনন্দে ফুলে উঠেছে গোমস্তাপুরের মাধাই গ্রাম

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার মাধাই গ্রামের 'তুরি' আদিবাসী ছেলে কাজল পাঁড়ে (২৯) ১৮তম জুডিশিয়াল সার্ভিস পরীক্ষায় সিভিল জজ হিসেবে ১৪০তম স্থান পেয়ে স্বপ্ন পূরণ করেছেন। গ্রামবাসীরা আনন্দে ফুলের মালা দিয়ে তাঁকে স্বাগত জানিয়েছেন

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার মাধাই গ্রামের 'তুরি' আদিবাসী ছেলে কাজল পাঁড়ে (২৯) ১৮তম জুডিশিয়াল সার্ভিস পরীক্ষায় সিভিল জজ (সহকারী জজ) পদে সুপারিশ পেয়ে স্বপ্ন পূরণ করেছেন। বুধবার সন্ধ্যায় ফল প্রকাশের খবর পাওয়ার পর তিনি আনন্দে ফুলে উঠেছেন। গ্রামবাসীরা তাঁকে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে আনন্দের সাথে স্বাগত জানিয়েছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার মাধাই গ্রামের 'তুরি' আদিবাসী ছেলে কাজল পাঁড়ে (২৯) ১৮তম জুডিশিয়াল সার্ভিস পরীক্ষায় সিভিল জজ পদে ১৪০তম স্থান পেয়েছেন
  • 📌 ২০০ জন প্রার্থীর মধ্যে তিনি ১৪০তম স্থান অধিকার করেছেন, যা তাঁর স্বপ্নের পূরণের সাক্ষ্য
  • 📌 কাজল পাঁড়া রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ভর্তি হওয়ার সময়ই বিচারক হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন
  • 📌 তিনি 'তুরি' আদিবাসী সম্প্রদায়ের প্রথম ব্যক্তি যিনি জুডিশিয়াল সার্ভিস পরীক্ষায় সুপারিশ পেয়েছেন
  • 📌 দারিদ্র্যের মধ্যে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার কঠিন পথ পার করে তিনি এ সাফল্য অর্জন করেছেন

📰 বিস্তারিত

বৃহস্পতিবার বিকেলে মাধাই গ্রামে ফিরে আসার সময় কাজল পাঁড়াকে গ্রামের শিক্ষার্থীরা ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তাঁর মা পঞ্চমী জেড়ি এবং বড় বোন কল্পনা পাঁড়ে। গ্রামের শিক্ষার্থীদের বিশ্বাস ছিল, কাজল একদিন বিচারক হবেন। তিনি 'তুরি' আদিবাসী সম্প্রদায়ের মধ্যে প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়ে মেধাতালিকায় ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থী।

জাতীয় আদিবাসী পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক বিভূতিভূষণ মাহাতো জানান, উত্তরবঙ্গের আদিবাসীদের মধ্যে কাজলই প্রথম জুডিশিয়াল সার্ভিস পরীক্ষায় সুপারিশপ্রাপ্ত। তিনি বলেন, 'কাজল পাঁড়া তাঁর সংগ্রামের মাধ্যমে আদিবাসী সম্প্রদায়ের জন্য একটি নতুন উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন।'

কাজল পাঁড়া প্রথম আলোকে বলেন, 'আমার আট বছরের স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। ২০১৭ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ভর্তি হওয়ার দিনই আমি বিচার বিভাগের ক্যাডার হবেন এই স্বপ্ন দেখেছিলাম। এই পথে অনেক ত্যাগ, হতাশা এবং কঠিন দিনের কথা মনে পড়ছে।'

তাঁর বাবা নরেশ পাঁড়ে ভূমিহীন কৃষক পরিবারের একমাত্র ছেলে কাজল। তিনি বলেন, 'আমাদের বেটা অনেক বড় হয়ে গেছেন। তাঁর সাফল্য গরিবের উপকারে লাগবে। বেটার জন্য আমাদের বুক গর্বে ফুলে উঠেছে।'

মাধাই গ্রামের জরাধন পাঁড়ে (৭০) বলেন, 'আনন্দে কান্দন আসছে। আমাদের জাতিগোষ্ঠীর আর কেউ এত উচ্চতায় পৌঁছাতে পারেনি। কাজল পাঁড়ার সাফল্য আমাদের জন্য একটি বড় আনন্দের খবর।'

গ্রামের মোড়ল নিরঞ্জন তিরকি বলেন, কাজল পাঁড়েকে দেখে আদিবাসী ছেলেমেয়েরা পড়াশোনায় উৎসাহ পাবে। তিনি বলেন, 'দারিদ্র্যের কারণে কাজলের পথ সহজ ছিল না। পড়াশোনার পাশাপাশি টিউশনি করে নিজের খরচ চালিয়েছেন এবং পরিবারকেও সহায়তা করেছেন।'

"আমার আট বছরের স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। ২০১৭ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ভর্তি হওয়ার দিনই আমি বিচারক হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলাম।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলা, মাধাই গ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কাজল পাঁড়ে (২৯), পঞ্চমী জেড়ি, নরেশ পাঁড়ে, বিভূতিভূষণ মাহাতো, জরাধন পাঁড়ে (৭০), নিরঞ্জন তিরকি
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯ বছর, ১৮তম জুডিশিয়াল সার্ভিস পরীক্ষা, ২০০ জন প্রার্থী, ১৪০তম স্থান, ৭০ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖