📌 ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ইশতেহারে প্রতিশ্রুত ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন কমিশন গঠনের বিষয়ে ছয় মাসেও কোনো উদ্যোগ নেই। বিএনপি, জামায়াতসহ কয়েকটি দলের প্রতিশ্রুতি থাকলেও সরকার গঠনের পর আলোচনা থেমে গেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে অভিযোগ স্বীকার না করার কারণে এমন কমিশন গঠন সম্ভব হচ্ছে না
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ইশতেহারে সংঘাত ও বিভেদ নিরসনে ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন (সত্য ও পুনঃসমঝোতা) কমিশন গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল কয়েকটি রাজনৈতিক দল। নির্বাচনের ছয় মাস পার হলেও এ ধরনের কমিশন গঠন করা হয়নি। এমনকি জাতীয় সংসদ কিংবা রাজনীতিতে এ বিষয়ে কোনো আলোচনাও নেই।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নির্বাচনী ইশতেহারে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপি দিয়েছিল ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন কমিশন গঠনের প্রতিশ্রুতি
- 📌 ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারও বিষয়টি বিবেচনা করেছিল
- 📌 দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে গিয়েছিলেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল
- 📌 রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে অভিযোগ স্বীকার না করার কারণে কমিশন গঠন সম্ভব হচ্ছে না
📰 বিস্তারিত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ইশতেহারে ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন কমিশন গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বিএনপি, জামায়াত ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। বিএনপি ও জামায়াত ইসলামী তাদের ইশতেহারে ট্রুথ অ্যান্ড হিলিং কমিশনের কথা উল্লেখ করে, যেখানে এনসিপি ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন কমিশন গঠনের প্রতিশ্রুতি দেয়। এছাড়া ২০১৮ সালের একাদশ সংসদ নির্বাচনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ‘সমন্বিত সর্বদলীয় সত্যানুসন্ধান ও বিভেদ নিরসন’ কমিশন গঠনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।
তবে নির্বাচনের ছয় মাস পার হলেও এ ধরনের কোনো কমিশন গঠন করা হয়নি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, সরকার গঠনের পর থেকেই বিষয়টি আলোচনার বাইরে চলে গেছে। তারা মনে করছেন, আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে অভিযোগ স্বীকার না করার কারণে এমন কমিশন গঠন সম্ভব হচ্ছে না। কারণ দলটির বহু নেতা-কর্মী এখনো দেশ ছেড়েছেন বা আত্মগোপনে রয়েছেন।
২০২৫ সালের মে মাসে দক্ষিণ আফ্রিকা সফর করেছিলেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও তৎকালীন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। তারা সেখানে ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন কমিশন সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। পরে বিষয়টি আর এগিয়ে নেয়নি অন্তর্বর্তী সরকার।
"যারা এই গুমের সঙ্গে জড়িত ছিল, আপনি যদি তাদের এখন বিচার করতে যান, এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার থাকবে না। এটা হচ্ছে রিয়েলিটি। …যদি তা হয়ে থাকে, আমাদের অন্যান্য দেশের অভিজ্ঞতা থেকে দেখতে হবে, তারা কী করে এটাকে সমাধান করেছে। তারা সমাধান করেছে ট্রুথ অ্যান্ড জাস্টিস কমিশনের মাধ্যমে আলাদা একটা কমিশন করে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ, আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: নির্বাচনের ছয় মাস পার হলেও কমিশন গঠন হয়নি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!