📌 বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোরের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদীর শেষ শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী আবদুল মঈন খান তার জীবন্ত মনে হলো। খালিদী বাংলাদেশের ডিজিটাল সাংবাদিকতার পথিকৃৎ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। লন্ডনে মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণে মৃত্যুবরণকারী খালিদীর মরদেহ ঢাকায় এসেছে
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যুর সংবাদ শুনে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী আবদুল মঈন খান আজও বিশ্বাস করতে পারছেন না। শেষ শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে তার মুখের দিকে তাকিয়ে মনে হলো, তিনি এখনও জীবন্ত। শনিবার বনানীর ওল্ড ডিওএইচএসের খেলার মাঠে খালিদীর জানাজার আগে মন্ত্রী নিজে উপস্থিত ছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মঈন খান বলেছেন, খালিদী শুধু সংবাদ পরিবেশনেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না, বাংলাদেশের সামাজিক-রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক বিশ্লেষণেও অবদান রাখতেন
- 📌 খালিদী ১ অক্টোবর লন্ডনে মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণে মারা যান, মৃত্যুর ৯ দিন পর ঢাকায় পৌঁছেছে তার মরদেহ
- 📌 ৮ অক্টোবর ব্রিকলেইন মসজিদে জানাজা, ১১ টা মিনিটে বিমান বাংলাদেশের ফ্লাইটে ঢাকায় এসেছে মরদেহ
- 📌 ১২ টা থেকে ১২ টা ২০ মিনিট পর্যন্ত বিডিনিউজ অফিসে মরদেহ রাখা হয়, এরপর বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়
- 📌 ৫ টা মিনিটে মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত হন খালিদী
📰 বিস্তারিত
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যুর সংবাদ শুনে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী আবদুল মঈন খান আজও অবিশ্বাসের মধ্যে। তিনি জানাজার আগে খালিদীর মুখের দিকে তাকিয়ে বলেছেন, “কিছু বলব সে কারণে আসিনি এবং সেটা করাও খুব কঠিন।” মন্ত্রী বলেন, খালিদীর সঙ্গে তার পরিচয় হয়েছিল বিডিনিউজের মাধ্যমে, পরে সেই সম্পর্ক রূপ নেয় বন্ধুত্বে।
মঈন খান বলেন, “খালিদী শুধু সংবাদ পরিবেশনের মধ্যেই নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেননি। বাংলাদেশের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তার বিশ্লেষণও গুরুত্বপূর্ণ অবদান হিসেবে বিবেচিত হবে।” তিনি আরও বলেন, ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংবাদ পরিবেশনের নতুন ধারা তৈরি করেছেন খালিদী। বিডিনিউজের মাধ্যমে দেশের মানুষের ঘরে ঘরে সংবাদ পৌঁছেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
মন্ত্রী জানান, খালিদীর মৃত্যুর সংবাদ পাওয়ার পর তার অনুভূতি ছিল অবাক। তিনি বলেন, “তার মৃত্যুর সংবাদটি যখন পেয়েছি আমি অবাক হয়ে গিয়েছি এবং আমি আজকে পর্যন্ত বিশ্বাস করতে পারিনি, তার মুখের দিকে যখন একটু আগে তাকিয়েছি আমার মনে হচ্ছে তিনি জীবন্ত হয়ে আমার সামনে উপস্থিত হয়েছে।”
"খালিদী শুধু সংবাদ পরিবেশনের মধ্যেই নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেননি। বাংলাদেশের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তার বিশ্লেষণও গুরুত্বপূর্ণ অবদান হিসেবে বিবেচিত হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (ওল্ড ডিওএইচএস খেলার মাঠ, বিডিনিউজ অফিস, মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থান), লন্ডন (সেন্ট বার্থোলমিউ’স হাসপাতাল, ব্রিকলেইন মসজিদ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুল মঈন খান (স্থানীয় সরকার মন্ত্রী), তৌফিক ইমরোজ খালিদী (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোরের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ অক্টোবর (মৃত্যু), ৮ অক্টোবর (জানাজা), ১১ টা (মরদেহ ঢাকায় পৌঁছায়), ১২ টা-১২ টা ২০ মিনিট (বিডিনিউজ অফিসে মরদেহ রাখা), ৫ টা (সমাহিত)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!