📌 গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে তিস্তা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে ভোরের পাখি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক-তৃতীয়াংশ বিলীন হয়ে যায়। জিও ব্যাগ ফেলেও বিদ্যালয় রক্ষায় ব্যর্থতার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, দ্রুত বিদ্যালয়টি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হবে
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় তিস্তা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে ভোরের পাখি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক-তৃতীয়াংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙন প্রতিরোধে জিও ব্যাগ ফেললেও তা কার্যকর হয়নি বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও বাসিন্দারা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 তিস্তার ভাঙনে ভোরের পাখি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক-তৃতীয়াংশ বিলীন
- 📌 গত মঙ্গলবার ভোর থেকে শুরু হওয়া ভাঙনে বিদ্যালয়টির অবশিষ্ট অংশও ঝুঁকিতে
- 📌 জিও ব্যাগ ফেলেও বিদ্যালয় রক্ষায় ব্যর্থতার অভিযোগ স্থানীয়দের
- 📌 উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, দ্রুত বিদ্যালয়টি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হবে
- 📌 পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, ভাঙনের পরপরই জিও ব্যাগ ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
📰 বিস্তারিত
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় তিস্তা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে ভোরের পাখি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক-তৃতীয়াংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। গত মঙ্গলবার ভোররাত থেকে শুরু হওয়া ভাঙনে বিদ্যালয়টির অবশিষ্ট অংশও মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। বিদ্যালয়টি রক্ষায় জিও ব্যাগ ফেললেও তা কার্যকর হয়নি বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।
বিদ্যালয়টির চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. মেহেদী হাসানের অভিভাবক মো. মোজাম্মেল হক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘এখন হামার স্কুলই নাই আর ওমরা আইসছে ব্যাগ নিয়া। এ্যালা নিয়া কী করি হামরা।’ প্রধান শিক্ষক মো. সাইফুর রহমান মণ্ডল বলেন, ‘আজকে ট্রলারে ট্রলারে জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। তাঁরা যদি আর দুই দিন আগে ফেলতেন, তাহলে এত বড় বিপদ দেখতে হতো না।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঈফফাত জাহান তুলি জানান, ভাঙন শুরু হওয়ায় বিদ্যালয়ের সবকিছু খুলে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘ভাঙন শুরু হওয়ায় স্কুলের সবকিছু খুলে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার জন্য চেয়ারম্যানকে বলেছিলাম। তাঁরা সে কাজটিও করেছেন।’
গাইবান্ধা পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, ভাঙনের খবর পাওয়ার পরপরই জিও ব্যাগ ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, ইতিপূর্বে ওই এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছিল এবং গত সোমবারও সেখানে ভাঙন ছিল না।
‘আরও আগে জিও ব্যাগ ফেলা হলে হয়তো স্কুলটির এত বড় ক্ষতি হতো না। স্থায়ী সমাধানে আমি কাজ করছি।’ — স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যাপক মো. মাজেদুর রহমান সরকার
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা
- 👥 প্রধান ব্যক্তি: প্রধান শিক্ষক মো. সাইফুর রহমান মণ্ডল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: এক-তৃতীয়াংশ বিদ্যালয় বিলীন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!