📌 ঠাকুরগাঁওয়ের রহিমানপুর ইউনিয়নের বাসিন্দারা ইসলামী ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে ঘর নির্মাণের নামে তিন কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। ভুক্তভোগীরা জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ দায়ের ও মানববন্ধন করেছেন। অভিযুক্ত ব্যক্তি অভিযোগ অস্বীকার করেছেন
ঠাকুরগাঁওয়ের রহিমানপুর ইউনিয়নের পটুয়া ফকদনপুর গ্রামের প্রায় ১৩০ জন বাসিন্দা ইসলামী ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে সৌদি আরবের অর্থায়নে ঘর নির্মাণের নামে তিন কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করেছেন মো. রেজাউল ইসলাম রন্টুর বিরুদ্ধে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও টাকা ফেরতের দাবিতে ভুক্তভোগীরা গত রোববার ঠাকুরগাঁও শহরের চৌরাস্তায় মানববন্ধন ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্মারকলিপি প্রদান করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অভিযুক্ত ব্যক্তি: মো. রেজাউল ইসলাম রন্টু
- 📌 অভিযোগের স্থান: ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রহিমানপুর ইউনিয়ন
- 📌 অভিযোগের প্রকৃতি: ইসলামী ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে সৌদি অর্থায়নে ঘর নির্মাণের নামে তিন কোটি টাকা আত্মসাত
- 📌 অভিযোগের সময়কাল: প্রায় তিন বছর পূর্বে
- 📌 ঘর নির্মাণের প্রস্তাবিত মূল্য: ছাদযুক্ত পাকা ঘরের জন্য ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা ও টিনশেড পাকা ঘরের জন্য ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা
- 📌 ভুক্তভোগীর সংখ্যা: প্রায় ১৩০ জন
- 📌 অভিযুক্তের দাবি: অভিযোগটি ষড়যন্ত্রের অংশ বলে দাবি
📰 বিস্তারিত
প্রায় তিন বছর আগে মো. রেজাউল ইসলাম রন্টু গ্রামবাসীকে জানান, সৌদি আরব থেকে ইসলামী ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে ঘর বরাদ্দ দেওয়া হবে। তিনি তাদের ছাদযুক্ত পাকা ঘরের জন্য ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং টিনশেড পাকা ঘরের জন্য ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা প্রদানের নির্দেশ দেন। বাকি অর্থ ফাউন্ডেশন বহন করবে বলে জানানো হয়। তার কথায় বিশ্বাস করে প্রায় ১৩০ জন গ্রামবাসী টাকা প্রদান করেন।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, টাকা গ্রহণের পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ঘর নির্মাণ শুরু হয়নি। পরবর্তীতে ঘরের কাজ শুরু করতে গেলে বা টাকা ফেরত চাইলে বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করা হয়। এমনকি টাকা ফেরত চাওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা-মোকদ্দমার ভয় দেখানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ দায়ের করে বিষয়টি তদন্ত করে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তাদের টাকা উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন। তবে অভিযুক্ত মো. রেজাউল ইসলাম রন্টু অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। অভিযোগের বিষয়টি সঠিক নয় বলেও দাবি করেন তিনি।
"আমার বিরুদ্ধে করা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রের অংশ। প্রকৃত ঘটনা জানতে প্রশাসনের তদন্তের অপেক্ষায় রয়েছি।" — মো. রেজাউল ইসলাম রন্টু
ভুক্তভোগীদের অভিযোগের বিষয়ে প্রশাসনের তদন্ত ও পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপের পর প্রকৃত ঘটনা স্পষ্ট হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা, রহিমানপুর ইউনিয়ন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. রেজাউল ইসলাম রন্টু
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ কোটি টাকা, ১৩০ জন, ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা, ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!