📌 ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় ৪৭৬টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা চলছে। রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির গুরুত্ব জোরালোভাবে তুলে ধরেন
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় চলমান দুর্গাপূজা উদ্যাপনের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে রংপুর রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ সক্রিয় ভূমিকা নিচ্ছেন। শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাত ৮টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত তিনি বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা প্রদান করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঠাকুরগাঁওয়ে মোট ৪৭৬টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যার মধ্যে সদর উপজেলায় ১২৭টি, পীরগঞ্জে ১২০টি, বালিয়াডাঙ্গীতে ৬৩টি এবং রানীশংকৈলে ৫৫টি মণ্ডপ রয়েছে
- 📌 ডিআইজি মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ বলেছেন, পুলিশের পাশাপাশি সাদাপোশাকের কর্মীরাও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করছেন
- 📌 তিনি নিশ্চিত করেছেন, কোনো পূজামণ্ডপে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করলে আইনের আওতায় আনা হবে
- 📌 পূজা উদ্যাপনের সময় মন্দিরে পূজা ও মসজিদে আজান একই সাথে চলছে, যা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেছেন ডিআইজি
- 📌 উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মো. বেলাল হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জুয়েল রানা, ওসি মো. শাজাহান আলীসহ অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তা
📰 বিস্তারিত
রংপুর রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাত ৮টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। তিনি পূজামণ্ডপে উপস্থিত সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের সমস্যা ও মতামত শুনেন। পরিদর্শন শেষে তিনি নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট কথা বলেন।
ডিআইজি মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ বলেন, “রংপুর বিভাগের সব পূজামণ্ডপের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পুলিশের পাশাপাশি সাদাপোশাকের কর্মীরাও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করছেন। কোনো পূজামণ্ডপে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করলে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবাই যাতে নির্বিঘ্নে পূজা উদ্যাপন করতে পারেন, সেজন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোথাও ঝুকিপূর্ণ পরিস্থিতি দেখা যায়নি।”
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশাপাশি মুসলিমসহ অন্যান্য ধর্মের মানুষও পূজা উদ্যাপনে সহযোগিতা করছেন। গণমাধ্যমকর্মীরাও এ ক্ষেত্রে সহযোগিতা করছেন। ঠাকুরগাঁওয়ে একই সময়ে মন্দিরে পূজা চলছে, আবার মসজিদে আজান দিয়ে নামাজ আদায় করা হচ্ছে। সবাই সবাইকে সহযোগিতা করছেন। এই মনোভাব নিয়ে আমরা দেশকে ভালোবেসে যাব।”
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপার (এসপি) মো. বেলাল হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. খোদাদাদ হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) জুয়েল রানা, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাজাহান আলী এবং ট্রাফিক শাখার পুলিশ পরিদর্শক (শহর ও যানবাহন) মো. হাসান আসকরীসহ পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তা।
"রংপুর বিভাগের সব পূজামণ্ডপের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পুলিশের পাশাপাশি সাদাপোশাকের কর্মীরাও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করছেন। কোনো পূজামণ্ডপে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করলে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা, রংপুর বিভাগ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডিআইজি মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৭৬টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা, ১২৭টি মণ্ডপ সদর উপজেলায়
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!