📌 টেকনাফ উপকূলে মিয়ানমার থেকে মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে নৌকাডুবিতে রোহিঙ্গা নারী ও তার ৯ বছর বয়সী ছেলের মৃত্যু হয়। কোস্টগার্ড ও স্থানীয়রা ১৬ জনকে উদ্ধার করে, কিন্তু একজন নারী এখনও নিখোঁজ
টেকনাফ উপকূলে বঙ্গোপসাগরে মিয়ানমার থেকে মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে একটি নৌকা ডুবে গেলে রোহিঙ্গা নারী ও তার ছেলের মৃত্যু হয়। কক্সবাজারের টেকনাফ উপকূলে গত মঙ্গলবার ভোরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। কোস্টগার্ড ও স্থানীয় বাসিন্দারা ১৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করলেও একজন নারী এখনও নিখোঁজ রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 টেকনাফের বাহারছড়া উপকূলে মিয়ানমার থেকে মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে নৌকাডুবিতে রোহিঙ্গা নারী ছুরা খাতুন (২৮) ও তার ৯ বছর বয়সী ছেলের মৃত্যু হয়
- 📌 কোস্টগার্ড ও স্থানীয়রা ১৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করে, যার মধ্যে ১৩ জন পুরুষ, ২ জন নারী ও ১ জন শিশু
- 📌 উদ্ধারকৃতদের মধ্যে ৮ জন বাংলাদেশি, বাকি রোহিঙ্গা — সবাই টেকনাফ ও উখিয়ার শরণার্থী ক্যাম্পের বাসিন্দা
- 📌 নৌকাটি প্রায় এক বছর আগে বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, সেখান থেকে মালয়েশিয়া পাঠানোর জন্য প্রেরণ করা হয়েছিল
- 📌 নিখোঁজ নারীর পরিচয় ও নৌকায় মোট কতজন ছিলেন তা এখনও জানা যায়নি
📰 বিস্তারিত
গতকাল মঙ্গলবার ভোরে বাহারছড়া ইউনিয়নের বড় ডেইল-কচ্ছপিয়া নৌঘাট এলাকায় নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে নাফ নদী ও বঙ্গোপসাগর পেরিয়ে নৌকাটি টেকনাফ উপকূলে পৌঁছায়। বড় ঢেউয়ের ধাক্কায় নৌকাটি উল্টে ডুবে যায়। স্থানীয় লোকজন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ১৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করে। তবে একজন নারী এখনও নিখোঁজ রয়েছে।
উদ্ধারকৃতদের মধ্যে রয়েছে টেকনাফ পৌরসভার ওমর ফারুক (৯ নম্বর ওয়ার্ড), সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীর দ্বীপ মাঝের পাড়ার কুরবান আলী, নাইক্ষ্যংছড়ির আবু রাসেল ও জমির হোসেন, টেকনাফের হোয়াইক্যং কাটাখালী এলাকার মো. মোস্তফা, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের উত্তর নেংগুলবিল এলাকার আবদুল কাদের, মরিচ্চা ঘোনার মিজানুর রহমান ও উখিয়ার রাজাপালং ইউনিয়নের অপু বড়ুয়া। রোহিঙ্গা উদ্ধারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের মোচনী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মো. সলিম, উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মো. হোছাইন, মিয়ানমারের আকিয়াব এলাকার মো. সাইফুল করিম, টেকনাফ ক্যাম্প-২৬–এর আবদুল আমিন, হোয়াইক্যং চাকমারকুল ক্যাম্প-২১–এর সমজিদা, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের বুচিডং এলাকার লাল মতি ও জাদিমুড়া ক্যাম্প-২৭–এর মো. ইদ্রিস।
বাহারছড়া পুলিশের তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. আবু সাইদ জানান, গভীর রাতে নৌকাটি বাহারছড়া নৌঘাট দিয়ে প্রবেশের সময় সাগরে ডুবে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় ১৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃতদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, প্রায় এক বছর আগে বাংলাদেশ থেকে তাঁদের মিয়ানমারে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখান থেকে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর জন্য সোমবার রাতে নৌপথে প্রেরণ করা হয়েছিল। তবে ঢেউয়ের ধাক্কায় নৌকাটি ডুবে গেলে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
"গভীর রাতে একটি নৌকা বাহারছড়া নৌঘাট দিয়ে প্রবেশের সময় সাগরে ডুবে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় ১৬ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।" — বাহারছড়া পুলিশের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. আবু সাইদ
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: টেকনাফ উপকূল, বাহারছড়া ইউনিয়ন, কক্সবাজার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রোহিঙ্গা নারী ছুরা খাতুন (২৮), কোস্টগার্ড কর্মকর্তা মো. আবু সাইদ, টেকনাফ মডেল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬ জন উদ্ধার, ২৮ বছর বয়সী নারী, ৯ বছর বয়সী শিশু, ৮ জন বাংলাদেশি, ১৩ জন পুরুষ, ২ জন নারী, ১ জন শিশু
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!