📅 ২ অক্টোবর ২০২৬, ১:৩০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জমিজমা ছাড়া চাকরি থেকে বঞ্চিত: শিক্ষক পদে বাদ পড়েন ঝিনাইদহের সাবেক শিক্ষার্থী

জমিজমা ছাড়া চাকরি থেকে বঞ্চিত: শিক্ষক পদে বাদ পড়েন ঝিনাইদহের সাবেক শিক্ষার্থী

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঝিনাইদহের সাবেক শিক্ষার্থী মিশন আচার্য সরকারি সহকারী শিক্ষক পদে ১৭তম স্থান পেলেও জমিজমা না থাকায় নিয়োগ থেকে বাদ পড়েছেন। তিনি দাবি করেন, বসতভিটা না থাকায় চাকরি থেকে বঞ্চিত হওয়া তার দোষ নয়

ঝিনাইদহের সাবেক শিক্ষার্থী মিশন আচার্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও জমিজমা-সংক্রান্ত কাগজপত্রের অভাবের কারণে নিয়োগ থেকে বাদ পড়েছেন। তিনি দাবি করেন, বসতভিটা না থাকায় চাকরি থেকে বঞ্চিত হওয়া তার দোষ নয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী মিশন আচার্য ১৮২ জনের মধ্যে ১৭তম স্থান পেলেও সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পাননি
  • 📌 ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কলাবাগান এলাকায় জন্মগ্রহণ ও বেড়ে উঠলেও তার নামে কোনো বসতভিটা নেই
  • 📌 পুলিশের তদন্তে জমির দলিল জমা দিলেও স্থায়ী ঠিকানায় বসতভিটা না থাকায় নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকে বাদ পড়েন
  • 📌 ১৮২ জনের মধ্যে ১৮০ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে, বাকি দুজনের মধ্যে একজন মামলায় জড়িত
  • 📌 জেলা প্রশাসক নোমান হোসেন বলেছেন, বিষয়টি শিক্ষা অধিদপ্তরকে অবহিত করা হয়েছে

📰 বিস্তারিত

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মিশন আচার্য সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে উপজেলা পর্যায়ে ১৭তম স্থান পেয়েছিলেন। তবে স্থায়ী ঠিকানায় নিজের নামে কোনো বসতভিটা না থাকায় তিনি নিয়োগ থেকে বাদ পড়েছেন। মিশন আচার্য জানান, তাঁর বাবা বহু বছর আগে পরিবার ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। এরপর থেকে মায়ের সঙ্গে ঝিনাইদহের ভাড়া বাসায় বসবাস করছেন তিনি। কলাবাগান এলাকাতেই তাঁর জন্ম এবং সেখানেই বেড়ে উঠেছেন।

মিশন আচার্য বলেন, ‘আমার মা বাসাবাড়িতে কাজ করে আমাকে বড় করেছেন। আমাদের আর্থিক অবস্থা খুবই শোচনীয়। আমি কোনো রাজনৈতিক দল বা কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নই। আমি সরকারের কাছে আমার চাকরিটি ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য সদয় বিবেচনার অনুরোধ করছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমার কী দোষ? ভাড়া বাসায় জন্মেছি, এটাই কি আমার দোষ? রাষ্ট্র আমার ভোট নিচ্ছে, আমাকে খাওয়াচ্ছে, পড়াচ্ছে; কিন্তু চাকরি দিচ্ছে না। মনে হচ্ছে, রাষ্ট্রের কাছে আমার মেধা ও পরিশ্রমের চেয়ে জমিজমার মূল্য বেশি।’

মিশন আচার্যের দাবি, জমিজমা-সংক্রান্ত কাগজপত্রের প্রয়োজন হতে পারে—এমন ধারণা থেকে তার খালু গ্রামে তার নামে দুই শতক জমি লিখে দেন। পুলিশ তদন্তের সময় তিনি ওই জমির দলিলও জমা দেন। তবে সেখানে তার কোনো বসতবাড়ি নেই এবং তিনি কখনো ওই জমিতে বসবাস করেননি। পুলিশের কাছে প্রথমে ভূমিহীন সনদ দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তাকে জমির দলিল জমা দিলেই হবে বলে জানানো হয়। সে অনুযায়ী তিনি দলিল জমা দেন। পরে স্থায়ী ঠিকানায় বসতভিটা না থাকায় তাকে নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

"আমি কোনো রাজনৈতিক দল বা কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নই। আমি সরকারের কাছে আমার চাকরিটি ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য সদয় বিবেচনার অনুরোধ করছি"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঝিনাইদহ সদর উপজেলা, কলাবাগান
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিশন আচার্য (সাবেক শিক্ষার্থী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭তম স্থান (১৮২ জনের মধ্যে), ১৮০ জন নিয়োগপত্র পেয়েছেন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖