📅 ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

টাঙ্গাইলের এক গ্রামে নারীদের একাকী উদ্যোগে ১১ বছর ধরে চলছে দুর্গাপূজা: কীভাবে শুরু হলো এই ব্যতিক্রমী ঐতিহ্য?

টাঙ্গাইলের এক গ্রামে নারীদের একাকী উদ্যোগে ১১ বছর ধরে চলছে দুর্গাপূজা: কীভাবে শুরু হলো এই ব্যতিক্রমী ঐতিহ্য?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতী উপজেলার মগড়া গ্রামে নারীদের উদ্যোগে ১১ বছর ধরে চলছে দুর্গাপূজা। এই ব্যতিক্রমী পূজা মণ্ডপে সব কাজ নারীরাই করে থাকেন। সংগঠন 'উজ্জয়িনী' গড়ে তোলার মাধ্যমে নারীরা সমাজের বৈষম্য প্রতিরোধ করছেন।

টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতী উপজেলার মগড়া গ্রামে এক অনন্য ঐতিহ্য গড়ে উঠেছে। এই গ্রামের কর্মকার পরিবারের নারীরা ১১ বছর ধরে নিজস্ব উদ্যোগে দুর্গাপূজা করছেন। এই ব্যতিক্রমী পূজা মণ্ডপে চাঁদা সংগ্রহ থেকে শুরু করে ঢাক বাজানো পর্যন্ত সব কাজ নারীরাই করছেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে তারা সমাজের বৈষম্য প্রতিরোধের পাশাপাশি নারীদের ক্ষমতায়ন করছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 টাঙ্গাইল জেলায় এবার মোট ১ হাজার ৩৫৭টি দুর্গাপূজা মণ্ডপ রয়েছে, এর মধ্যে মগড়া গ্রামের নারীদের উদ্যোগে পূজা মণ্ডপটি একমাত্র নারীদের দ্বারা পরিচালিত
  • 📌 'উজ্জয়িনী' নামের সংগঠন গড়ে তোলার মাধ্যমে নারীরা ২০০২ সাল থেকে সমাজের বৈষম্য প্রতিরোধের লড়াই শুরু করেন
  • 📌 ২০১৬ সাল থেকে প্রতি বছর নারীরাই নিজস্ব উদ্যোগে দুর্গাপূজা আয়োজন করছেন, এবার ১১তম বার পূজা চলছে
  • 📌 পূজার সব কাজ নারীরাই করছেন, শুধু পুরুষ পুরোহিত পূজা করেন, চাঁদা সংগ্রহ থেকে শুরু করে ঢাক বাজানো পর্যন্ত সব কাজ নারীরাই করছেন
  • 📌 পূজা কমিটির সভাপতি সীমা কর্মকার (৪৮) বলেছেন, শুরুতে অনেকেই এই উদ্যোগকে সমর্থন করেননি, কিন্তু এখন সবাই সহযোগিতা করছেন

📰 বিস্তারিত

টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতী উপজেলার মগড়া গ্রামে কর্মকার পরিবারের নারীরা ১১ বছর ধরে নিজস্ব উদ্যোগে দুর্গাপূজা করছেন। এই ব্যতিক্রমী পূজা মণ্ডপে সব কাজ নারীরাই করছেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে তারা সমাজের বৈষম্য প্রতিরোধের পাশাপাশি নারীদের ক্ষমতায়ন করছেন।

২০০২ সাল থেকে এই সংগ্রাম শুরু হয়। সেই বছর সীমা কর্মকার (৪২) এবং তার বড় বোন সীমা কর্মকার (৪৮), শিপ্রা পাল ও বুলবুলি কর্মকার চারজন মিলে 'উজ্জয়িনী' নামের একটি সংগঠন গড়ে তোলেন। তারা বলেন, "এই গ্রামের হিন্দু মেয়েদের সমাজে এবং পরিবারে বৈষম্যের শিকার হতে হতো। আমাদের ঘোমটা ছাড়া বের হতে হতো, শিক্ষা এবং উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রেও বৈষম্য ছিল।" তারা সিদ্ধান্ত নেন যে, তারা নিজস্ব উদ্যোগে দুর্গাপূজা করবেন।

২০১৬ সালে তারা প্রথম দুর্গাপূজা শুরু করেন। সফলভাবে পূজা সম্পন্ন করার পর তাদের আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়। তারপর থেকে প্রতিবছর তারা দুর্গাপূজার আয়োজন করছেন। এই বছর ১১তম বার পূজা চলছে।

বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ কালিহাতী উপজেলা শাখার জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি কাশীনাথ মজুমদার বলেন, "টাঙ্গাইল জেলায় এবার মোট ১ হাজার ৩৫৭টি দুর্গাপূজা মণ্ডপ রয়েছে। এর মধ্যে মগড়া গ্রামের নারীদের উদ্যোগে পূজা মণ্ডপটি একমাত্র নারীদের দ্বারা পরিচালিত।"

মগড়া গ্রামের কর্মকার পাড়ায় অষ্টমী পূজার পুষ্পাঞ্জলি দিয়ে নারীরা মন্দির প্রাঙ্গণেই অবস্থান করছেন। দর্শনার্থীরা আসছেন দেবী দুর্গাকে দেখতে। এক মেয়ে ঢাক বাজাচ্ছেন। টাঙ্গাইল থেকে পূজা দেখতে আসা সুব্রত কুমার তালুকদার বলেন, "অনেক পূজামণ্ডপ দেখেছি, কিন্তু শুধু নারীদের উদ্যোগে দুর্গাপূজা দেখলাম প্রথমবার। ভালো লাগল।"

"এই গ্রামের হিন্দু মেয়েদের সমাজে, এমনকি পরিবারেও বৈষম্যের শিকার হতে হতো। ঘোমটা ছাড়া ঘরের বাইরে বের হলে কথা শুনতে হতো। পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করলেও ছেলে–মেয়ে একসঙ্গে পড়ে, এমন প্রতিষ্ঠানে উচ্চশিক্ষার জন্য ভর্তি হতে বাধা দিত। স্বামীর চেয়ে বেশি লেখাপড়া করা যাবে না, এমন নানা বিধিনিষেধ ছিল।"

পূজা কমিটির সভাপতি সীমা কর্মকার (৪৮) বলেন, "পূজার সব কাজ আমরা নারীরাই করি, শুধু পুরুষ পুরোহিত পূজা করেন। আমাদের সদস্যরা সবাই পূজার জন্য চাঁদা দিই। শুরুতে অনেকেই আমাদের এই আয়োজনকে ভালো চোখে দেখত না। এখন সবাই সহযোগিতা করেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মগড়া গ্রাম, কালিহাতী উপজেলা, টাঙ্গাইল জেলা, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সীমা কর্মকার (৪২ ও ৪৮), শিপ্রা পাল, বুলবুলি কর্মকার, কাশীনাথ মজুমদার, সুব্রত কুমার তালুকদার, তুষার কর্মকার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ বছর, ১ হাজার ৩৫৭টি মণ্ডপ, ৪২ বছর, ৪৮ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖