📌 টাঙ্গাইল জেলার পোড়াবাড়ি গ্রামে ২০০ বছরের পুরনো ঐতিহ্যের চমচম তৈরি হয়। ব্রিটিশ আমলে আসাম থেকে আসা দশরথ গৌড় এই মিষ্টির সূচনা করেন। এখন এটি জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃত
টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ি গ্রামে ২০০ বছরের পুরনো ঐতিহ্যের চমচম তৈরি হয়। এই ঐতিহ্যবাহী মিষ্টির নামেই গ্রামের পরিচয়। ব্রিটিশ আমলে আসাম থেকে আসা দশরথ গৌড় পোড়াবাড়িতে এসে স্থানীয় গরুর দুধ ও নদীর পানি ব্যবহার করে চমচম তৈরির শুরু করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্রিটিশ আমলে আসাম থেকে আসা দশরথ গৌড় পোড়াবাড়িতে চমচম তৈরির সূচনা করেন
- 📌 লালচে রঙের এই চমচম তৈরি হয় দুধ, চিনি, পানি, ময়দা ও এলাচ দানায়
- 📌 বাইরে শক্ত হলেও ভেতরে নরম ও রসালো থাকে
- 📌 একসময় বহু পরিবার এই মিষ্টির সাথে জড়িত ছিল, কিন্তু সময়ের সঙ্গে সংখ্যা কমেছে
- 📌 ‘টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ির চমচম’ জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে
📰 বিস্তারিত
টাঙ্গাইল জেলার সদর উপজেলার পোড়াবাড়ি গ্রামের নামেই জড়িয়ে আছে এই ঐতিহ্যবাহী চমচমের পরিচয়। ব্রিটিশ আমলে আসাম থেকে আসা দশরথ গৌড় স্থানীয় গরুর দুধ ও নদীর পানি ব্যবহার করে এই মিষ্টির তৈরির শুরু করেন। ধীরে ধীরে এই মিষ্টির খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায়।
লালচে রঙের এই চমচম তৈরি হয় মূলত দুধ, চিনি, পানি, সামান্য ময়দা ও এলাচ দানা দিয়ে। বাইরে কিছুটা শক্ত হলেও ভেতরের অংশ থাকে নরম ও রসালো। একসময় পোড়াবাড়িতে চমচম তৈরির সঙ্গে বহু পরিবার জড়িত ছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই সংখ্যা কমে গেছে বলে জানান স্থানীয়রা।
দীর্ঘ এই ঐতিহ্যের স্বীকৃতি হিসেবে ‘টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ির চমচম’ জিআই পণ্যের মর্যাদা পেয়েছে। প্রতিবেদনটি লিখেছেন ১৩ বছর বয়সী একজন প্রতিবেদক।
"একসময় পোড়াবাড়িতে চমচম তৈরির সঙ্গে বহু পরিবার জড়িত ছিল। সময়ের সঙ্গে সেই সংখ্যা কমে গেছে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পোড়াবাড়ি গ্রাম, টাঙ্গাইল জেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: দশরথ গৌড় (আসাম থেকে আসা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০০ বছর (চমচম তৈরির ঐতিহ্য)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!