📌 টাঙ্গাইল মির্জাপুরে রণদা প্রসাদ সাহার বাড়ির ঐতিহ্যবাহী দুর্গাপূজায় ভারতেশ্বরী হোমসের শিক্ষার্থীরা আজ মহাসপ্তমীতে আরতি পরিবেশনায় দর্শকদের মুগ্ধ করে। ৩০ জন শিক্ষার্থী ৮টি গানের মাধ্যমে আরতি উপস্থাপন করে দর্শকদের আনন্দিত করে
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে দানবীর রণদা প্রসাদ সাহার ঐতিহ্যবাহী বাড়িতে আজ শনিবার মহাসপ্তমীর সন্ধ্যায় দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। ভারতেশ্বরী হোমসের শিক্ষার্থীদের গান ও আরতির পরিবেশনায় দর্শকদের মুগ্ধ করে তোলে কুমুদিনী প্রাঙ্গণ। এই ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের পরিবেশনা দর্শকদের আনন্দিত করে তোলে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 টাঙ্গাইল মির্জাপুরে রণদা প্রসাদ সাহার বাড়িতে মহাসপ্তমীতে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ভারতেশ্বরী হোমসের শিক্ষার্থীরা আরতি উপস্থাপন করে
- 📌 ৩০ জন শিক্ষার্থী ৮টি গানের মাধ্যমে আরতি পরিবেশনায় দর্শকদের মুগ্ধ করে, প্রায় এক ঘণ্টা চলে অনুষ্ঠান
- 📌 অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুমুদিনী কল্যাণ ট্রাস্টের পরিচালক রাজীব প্রসাদ সাহা, কুমুদিনী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ আবদুল হালিমসহ অন্যান্যদের
- 📌 বগুড়া মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসক চিন্ময় মালাকার বলেন, রণদার বাড়িতে দুর্গাপূজার অনুষ্ঠান দেখতে আসার ইচ্ছা ছিল দীর্ঘদিনের
- 📌 ভারতেশ্বরী হোমসের সাবেক শিক্ষক হেনা সুলতানা বলেন, কুমুদিনী তার প্রাণ, প্রতিবছর দুর্গাপূজার অনুষ্ঠান তাকে বিশেষভাবে অনুপ্রাণিত করে
📰 বিস্তারিত
গত শুক্রবার সন্ধ্যায় দেবীর বোধনের মাধ্যমে দুর্গাপূজা শুরু হয়। আজ সন্ধ্যা সোয়া সাতটার দিকে ভারতেশ্বরী হোমসের শিক্ষার্থীদের সংগীত পরিবেশনায় অনুষ্ঠান শুরু হয়। শিক্ষার্থীরা ৩০ জনের একটি দল হিসেবে ৮টি গানের মাধ্যমে আরতি উপস্থাপন করে। মণ্ডপের সামনে হাজারো দর্শক তাদের করতালিতে পুরো প্রাঙ্গণ মুখর করে তোলে। অনুষ্ঠান প্রায় এক ঘণ্টা চলে।
উপস্থিত ছিলেন কুমুদিনী কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজীব প্রসাদ সাহা, পরিচালক শ্রীমতি সাহা, পরিচালক (শিক্ষা) প্রতিভা মুৎসুদ্দি, পরিচালক মহাবীর পতি, কুমুদিনী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ আবদুল হালিম, কুমুদিনী হাসপাতালের উপপরিচালক অনিমেষ ভৌমিকসহ অন্যান্যদের।
বগুড়া মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসক চিন্ময় মালাকার বলেন, ‘আমার দীর্ঘদিনের ইচ্ছা ছিল রণদার বাড়ির মণ্ডপের পূজা দেখতে আসব। সেই আকাঙ্ক্ষা থেকে আজ এই মণ্ডপে আসা। রণদার পুরো বাড়িজুড়ে মানুষের যে আনন্দ; মনে হচ্ছে এখানে মা দুর্গা স্বয়ং হাজির হয়েছেন।’
ভারতেশ্বরী হোমসের সাবেক শিক্ষক কবি ও সাহিত্যিক হেনা সুলতানা বলেন, ‘পুরো কুমুদিনীই মনে হয় আমার প্রাণ। আমার সবকিছুজুড়ে কুমুদিনী জড়িয়ে আছে। প্রতিবছর দুর্গাপূজায় আমরা যে আনন্দ করতাম, তার কোনোটিই ভোলার নয়। আমি এখানে শিক্ষকতা না করলেও আমার নাড়ির টান থেকেই এসেছি। হোমসের ছোট ছোট শিক্ষার্থীর মায়াবী মুখ আমাকে পাগল করে। তাদের পরিবেশনা প্রতিনিয়ত আমার কানে বাজে।’
অনিমেষ ভৌমিক বলেন, ‘দানবীর রণদার আতিথেয়তা তাঁর উত্তরসূরি রাজীব প্রসাদ সাহা ধরে রেখেছেন। প্রতিবছরের মতো এবারও কুমুদিনী পরিবারের প্রত্যেক সদস্য অতিথিদের বরণ করে নিতে প্রস্তুত হয়ে আছেন। দেশ-বিদেশের অতিথিরা কুমুদিনী প্রাঙ্গণে পা রাখছেন। তাঁদের পদচারণে পুরো কুমুদিনী ক্যাম্পাস মুখর হয়ে উঠছে। আমরা পূজার আনন্দ আরও বেশি উপভোগ করতে পারছি।’
রণদার বাড়িতে যেতে লৌহজং নদ পাড়ি দিতে হয়। এ জন্য নদে রাখা হয়েছে বজরা নৌকা। কুমুদিনী চত্বরে আসা অতিথিরা নদের উত্তর পাড় থেকে বজরা নৌকায় চেপে দক্ষিণ পাড়ে রণদার বাড়িতে যাচ্ছেন। নদের ঢালু স্থান সহজেই অতিক্রম করতে বানানো হয়েছে কাঠের সিঁড়ি।
"আমার দীর্ঘদিনের ইচ্ছা ছিল রণদার বাড়ির মণ্ডপের পূজা দেখতে আসব। সেই আকাঙ্ক্ষা থেকে আজ এই মণ্ডপে আসা। রণদার পুরো বাড়িজুড়ে মানুষের যে আনন্দ; মনে হচ্ছে এখানে মা দুর্গা স্বয়ং হাজির হয়েছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: টাঙ্গাইল মির্জাপুর, রণদা প্রসাদ সাহার বাড়ি, কুমুদিনী প্রাঙ্গণ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাজীব প্রসাদ সাহা, চিন্ময় মালাকার, হেনা সুলতানা, আবদুল হালিম, অনিমেষ ভৌমিক, শিক্ষার্থীরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ জন শিক্ষার্থী, ৮টি গান
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!