📅 ৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

টাঙ্গাইলে ১ হাজার ৩৫৭টি মণ্ডপে দুর্গাপূজার শেষ প্রস্তুতি, প্রতিমা তৈরির কাজে ব্যস্ত কারিগররা

টাঙ্গাইলে ১ হাজার ৩৫৭টি মণ্ডপে দুর্গাপূজার শেষ প্রস্তুতি, প্রতিমা তৈরির কাজে ব্যস্ত কারিগররা

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 টাঙ্গাইল জেলায় শারদীয় দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা ১৫ অক্টোবর থেকে শুরু হবে। ১২টি উপজেলায় ১ হাজার ৩৫৭টি মণ্ডপে প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ মুহূর্তে চলছে। গত বছরের তুলনায় মণ্ডপ সংখ্যা বেড়েছে ১১০টি। কারিগররা প্রতিমা সাজসজ্জা ও আলোকসজ্জায় ব্যস্ত।

টাঙ্গাইল জেলায় শারদীয় দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা ১৫ অক্টোবর মহাপঞ্চমী থেকে শুরু হবে। এই সার্বজনীন ধর্মীয় উৎসবের জন্য জেলার ১২টি উপজেলায় ১ হাজার ৩৫৭টি মণ্ডপে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে। প্রতিমা তৈরির কাজ থেকে শুরু করে মণ্ডপ সাজসজ্জা, তোরণ নির্মাণ ও আলোকসজ্জা পর্যন্ত কারিগর ও শিল্পীরা ব্যস্ত। গত বছরের তুলনায় মণ্ডপ সংখ্যা বেড়েছে ১১০টি — ২০২৫ সালে মণ্ডপ ছিল ১ হাজার ২৪৭টি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 টাঙ্গাইলে ১২টি উপজেলায় ১ হাজার ৩৫৭টি মণ্ডপে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি চলছে — গত বছরের তুলনায় ১১০টি বেশি
  • 📌 প্রতিমা তৈরির কাজে ব্যস্ত কারিগররা মণ্ডপে রং-তুলির শেষ আঁচড় দিচ্ছেন, অলংকার ও সাজসজ্জা করছেন
  • 📌 ১৫ অক্টোবর মহাপঞ্চমী থেকে শুরু হবে আনুষ্ঠানিকতা, ২০ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে শেষ হবে উৎসব
  • 📌 প্রতিটি প্রতিমার জন্য কারিগর নিশিকান্ত পাল ১ লাখ থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত পারিশ্রমিক নিচ্ছেন
  • 📌 জেলা প্রশাসন ও পুলিশ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিচ্ছে, প্রতিটি মণ্ডপে চাল বরাদ্দ করা হয়েছে

📰 বিস্তারিত

শিল্পীদের নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় বাঁশ, কাঠ, খড় ও মাটি দিয়ে তৈরি দুর্গা, লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক ও গণেশের প্রতিমা ধীরে ধীরে পূর্ণতা পাচ্ছে। মধুপুরে ৬০টি, ধনবাড়ীতে ৩৬টি, ঘাটাইলে ৯৪টি, কালিহাতীতে ১৮২টি, গোপালপুরে ৫৭টি, ভূঞাপুরে ৩৪টি, টাঙ্গাইল সদরে ২৩৩টি, নাগরপুরে ১৩৮টি, দেলদুয়ারে ১২৮টি, মির্জাপুরে ২৭০টি, বাসাইলে ৮১টি এবং সখীপুরে ৪৪টি মণ্ডপে প্রতিমা তৈরির কাজ চলছে। টাঙ্গাইল শহরের শ্রীশ্রী কালীবাড়ি, থানাপাড়া, সাবালিয়া, রেজিস্ট্রিপাড়া, কলেজপাড়া ও প্যারাডাইসপাড়া পূজামণ্ডপে প্রতিমা তৈরির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে।

কারিগর নিশিকান্ত পাল বলেন, ‘কাঁচামালের দাম বেড়ে যাওয়ায় আগের তুলনায় প্রতিমা তৈরিতে লাভ কমেছে। এ বছর আমি পাঁচটি প্রতিমা তৈরির কাজ করছি। প্রতিটি প্রতিমার জন্য ১ লাখ থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা পারিশ্রমিক নিচ্ছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘বংশগত পেশার প্রতি সম্মান রেখেই আমরা আনন্দের সঙ্গে প্রতিমা তৈরি করি। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই সব কাজ শেষ করে কমিটির কাছে প্রতিমা বুঝিয়ে দেওয়া হবে।’

মির্জাপুর উপজেলার কুমুদিনী হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা দানবীর রণদা প্রসাদ সাহার বাড়ির মণ্ডপেও প্রস্তুতি চলছে। এ মণ্ডপের প্রতিমা তৈরির জন্য কারিগর অচিন্ত পাল ১ লাখ টাকা পারিশ্রমিক নিচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘পাশাপাশি টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার পাথরাইলের লোকনাথ মন্দির, ঝিনাইদহ শহরের তিনটি এবং মাগুরা ও ফরিদপুর শহরের দুটি মণ্ডপের প্রতিমাও তৈরি করছি।’

"লাভ-লোকসান যাই হোক, বংশগত পেশার প্রতি সম্মান রেখেই আমরা আনন্দের সঙ্গে প্রতিমা তৈরি করি। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই সব কাজ শেষ করে কমিটির কাছে প্রতিমা বুঝিয়ে দেওয়া হবে।"

জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সভাপতি অমল ব্যানার্জি বলেন, ‘গত বছরের তুলনায় এবার জেলায় পূজামণ্ডপের সংখ্যা বেড়েছে। সরকারিভাবে প্রতিটি মণ্ডপের জন্য ৫০০ কেজি করে চাল বরাদ্দ পাওয়া গেছে। শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা উদযাপনে প্রশাসনসহ সবার সহযোগিতা কামনা করছি।’ পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার জানান, ‘দুর্গাপূজা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নেতাদের সঙ্গে পুলিশের নিয়মিত বৈঠক চলছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: টাঙ্গাইল জেলা (১২টি উপজেলা: মধুপুর, ধনবাড়ী, ঘাটাইল, কালিহাতী, গোপালপুর, ভূঞাপুর, টাঙ্গাইল সদর, নাগরপুর, দেলদুয়ার, মির্জাপুর, বাসাইল, সখীপুর)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নিশিকান্ত পাল (কারিগর), অমল ব্যানার্জি (জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্ট সভাপতি), মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার (পুলিশ সুপার)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ হাজার ৩৫৭টি মণ্ডপ, ১৫ অক্টোবর (মহাপঞ্চমী), ২০ অক্টোবর (বিজয়া দশমী), ১ লাখ থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা (পারিশ্রমিক)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖