📌 টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলায় নির্মাণাধীন সেতুতে ফুটপাতের স্ল্যাব তৈরিতে রডের বদলে বাঁশ দিয়ে ঢালাই করার অভিযোগ উঠেছে। ঠিকাদার ও উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে নোটিস দেওয়া হয়েছে এবং তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে
টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলায় নির্মাণাধীন একটি সেতুতে রাতের আঁধারে ফুটপাতের স্ল্যাব তৈরিতে রডের পরিবর্তে বাঁশ দিয়ে ঢালাই করার অভিযোগ উঠেছে। গত রোববার রাতের ঘটনাটি স্থানীয় বাসিন্দাদের মুঠোফোনে ধারণ করা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে প্রশাসনের নজরে আসে। স্থানীয় ঠিকাদার ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামানকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়া হয়েছে এবং তিনদিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলায় নির্মাণাধীন ৯০.৬ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতুতে ফুটপাতের স্ল্যাব তৈরিতে রডের পরিবর্তে বাঁশ দিয়ে ঢালাই করা হয়েছে
- 📌 স্থানীয় বাসিন্দারা রাতের ঘটনাটি ভিডিওর মাধ্যমে ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করলে প্রশাসনের নজরে আসে
- 📌 ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মেসার্স ইউনুছ আল মামুন-মেসার্স জাকির এন্টারপ্রাইজ (জেভি) এবং উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামানকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়া হয়েছে
- 📌 উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইকবাল হোসেন তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন এবং প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন
- 📌 সেতুর নির্মাণ কাজের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে এবং বর্তমানে ৮০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে
- 📌 ঠিকাদার এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন দাবি করেছেন যে, বাঁশ দিয়ে সাটারিং করা হয়েছে এবং তার ওপর রড বসানো হয়েছে
📰 বিস্তারিত
বাসাইল জিসি-কাউলজানী ইউপি অফিস ভায়া মাইজখাড়া জিপিএস সড়কে নির্মাণাধীন ৯০ দশমিক ৬ মিটার দৈর্ঘ্যের পিএসসি গার্ডার সেতুতে রাতের আঁধারে ফুটপাতের স্ল্যাব তৈরিতে রডের পরিবর্তে বাঁশ দিয়ে ঢালাই করার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকদের এই কাজ দেখে বাধা দেন। তবে কাজটি বন্ধ না হয়ে রাতে আবার শুরু হয় এবং শেষ হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের ধারণ করা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে উপজেলা প্রশাসনের নজরে আসে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইকবাল হোসেন জানান, সেতু নির্মাণের কাজ পেয়েছে ভোলার চরফ্যাশনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স ইউনুছ আল মামুন-মেসার্স জাকির এন্টারপ্রাইজ (জেভি)। তবে কাজটি করছেন টাঙ্গাইলের ঠিকাদার এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন। তিনি দাবি করেছেন যে, বাঁশ দিয়ে সাটারিং করা হয়েছে এবং তার ওপর পলিথিন দিয়ে রড বসানো হয়েছে। তারপর ঢালাই করা হয়েছে। তবে ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে রড সরিয়ে বাঁশের ঢালাই করা হয়েছে।
উপজেলা প্রকৌশলী কাজী ফাত্তাউর রহমান বলেছেন, সেতুর যেসব জায়গায় নিম্নমানের কাজ হয়েছে, সেগুলো ভেঙে ফেলা হচ্ছে এবং দ্রুত আবার করা হবে। এ ঘটনায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর নোটিশসহ রেকটিফিকেশন করণ ও গাফিলতির জন্য কৈফিয়ত তলব করা হয়েছে।
"কারণ দর্শানোর জবাব দেব। সেই সাথে নতুন করে সেতুর ফুটপাত স্ল্যাবেরও কাজ করে দেব।"
— ঠিকাদার এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাসাইল উপজেলা, টাঙ্গাইল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন, ঠিকাদার এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯০.৬ মিটার দৈর্ঘ্য, ১০ কোটি ৯ লাখ ৯২ হাজার টাকা ব্যয়, ৮০ শতাংশ কাজ শেষ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!