📅 ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:১১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

টাঙ্গাইল বাসাইল সেতুতে বাঁশ দিয়ে ঢালাই: ঠিকাদারকে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি

টাঙ্গাইল বাসাইল সেতুতে বাঁশ দিয়ে ঢালাই: ঠিকাদারকে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 টাঙ্গাইল বাসাইল সেতুতে নির্মাণে রডের বদলে বাঁশ দিয়ে ঢালাই করার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের প্রতিবাদ ও ইউএনও-প্রকৌশলীর পরিদর্শনের পর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে

টাঙ্গাইলের বাসাইল সেতু নির্মাণে রডের বদলে বাঁশ দিয়ে ঢালাই করার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের প্রতিবাদ ও সরকারি কর্মকর্তাদের পরিদর্শনের পর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১০ কোটি ৯ লাখ ৯২ হাজার টাকার বাসাইল সেতুতে ফুটপাতের স্ল্যাব তৈরিতে রডের বদলে বাঁশ দিয়ে ঢালাই করা হয়েছে
  • 📌 স্থানীয়দের প্রতিবাদে রাতের কাজ বন্ধ হলেও রাতে আবার ঢালাই করা হয়
  • 📌 উপজেলা প্রকৌশলী কাজী ফাত্তাউর রহমান বলেছেন, ঠিকাদার নিয়ম ভঙ্গ করেছে
  • 📌 ইউএনও মো. ইকবাল হোসেন ঘোষণা করেছেন, দ্রুত তদন্ত কমিটি গঠন ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে
  • 📌 ঠিকাদার এস এম জাহাঙ্গীর দাবি করেছেন, বাঁশ দিয়ে শাটারিং করা হয়েছে

📰 বিস্তারিত

টাঙ্গাইল বাসাইল পৌরসভার মাইজখাড়া এলাকায় মরাগাঙ্গী নদীর ওপর নির্মাণাধীন সেতুতে রডের বদলে বাঁশ দিয়ে ঢালাই করার অভিযোগ উঠেছে। গত রোববার রাত সাড়ে ১০টায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স ইউনুছ আল মামুন-মেসার্স জাকির এন্টারপ্রাইজ (জেবি) এর কর্মীরা ফুটপাতের স্ল্যাব তৈরিতে এই অনিয়ম করেছে। স্থানীয়দের প্রতিবাদে কাজ বন্ধ হলেও রাতে আবার ঢালাই করা হয়।

সেতুটির দৈর্ঘ্য ৯০ দশমিক ৬ মিটার এবং নির্মাণ খরচ ১০ কোটি ৯ লাখ ৯২ হাজার টাকা। কাজ শুরু হয় ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর এবং শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি। পরে মেয়াদ বাড়ানো হয়। বর্তমানে সেতুর ৮০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে।

ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা দাবি করেছেন, রেলিংয়ের পাশে ফুটপাতের স্ল্যাবের নিচে শাটারিং করতে বাঁশ ব্যবহার করা হয়েছে। তারা বলেছেন, শাটারিংটি নষ্ট হয়ে যাবে এবং রডের খাঁচা ও পলিথিন দিয়ে ঢালাই করা হয়েছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিয়ম ভঙ্গ করেছে এবং রাতে অবৈধ কাজ করেছে।

উপজেলা প্রকৌশলী কাজী ফাত্তাউর রহমান বলেছেন, ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান অবগত না করে রাতে ঢালাইয়ের কাজ করেছে। তিনি বলেছেন, স্ল্যাবের ঢালাই করার নিয়ম ভঙ্গ করা হয়েছে। দ্রুতই নিম্নমানের কাজগুলো ভেঙে ফেলা হবে এবং আবার করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইকবাল হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলেছেন, বিষয়টি জানতে পেরে দ্রুত তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

"রেলিংয়ের পাশে ফুটপাত স্ল্যাবে ৪ ইঞ্চি ঢালাই রয়েছে। স্ল্যাবের নিচে একটা শাটারিং করতে হয়। ওই শাটারিং আর সেখান থেকে সরানো যাবে না। শার্টারিংটি এমনিতেই নষ্ট হয়ে যাবে। এটি করতে হয় বাঁশ অথবা কাঠ দিয়ে।"

ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের প্রধান এস এম জাহাঙ্গীর বলেছেন, এলাকার কিছু লোক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল করেছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: টাঙ্গাইল বাসাইল, মাইজখাড়া এলাকা, মরাগাঙ্গী নদী
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইউএনও মো. ইকবাল হোসেন, উপজেলা প্রকৌশলী কাজী ফাত্তাউর রহমান, ঠিকাদার এস এম জাহাঙ্গীর
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ কোটি ৯ লাখ ৯২ হাজার টাকা, ৯০.৬ মিটার, ৮০ শতাংশ, ৪ ইঞ্চি

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖