📌 সিলেটের শাহজালাল মাজারের দানবাক্স ও ডেগ খুলে ৮৮ লাখ ৬৫ হাজার টাকা পাওয়ার পাশাপাশি স্বর্ণ, রুপা ও ১৮টি বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া গেছে। জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন ঘোষণা করেছেন মাজারের ব্যবস্থাপনায় সংস্কার ও অর্থের স্বচ্ছ ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য নতুন কর্মকর্তা নিয়োগের পরিকল্পনা
সিলেটের শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্স ও ডেগ খুলে নগদ টাকা পাওয়ার পাশাপাশি স্বর্ণ, রুপা ও বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া গেছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুনের উপস্থিতিতে মাজারের তিনটি ডেগ ও পাঁচটি দানবাক্স খুলে ৮৮ লাখ ৬৫ হাজার ৬০৮ টাকা পাওয়ার পাশাপাশি ১ ভরি সাড়ে ৮ আনা স্বর্ণ, ৩ ভরি ১৩ আনা রুপা এবং ১৮টি বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সিলেটের শাহজালাল মাজারের দানবাক্স ও ডেগ খুলে ৮৮ লাখ ৬৫ হাজার টাকা পাওয়ার পাশাপাশি ১৮টি বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণ-রুপা পাওয়া গেছে
- 📌 বৈদেশিক মুদ্রার মধ্যে রয়েছে মার্কিন ডলার, ব্রিটিশ পাউন্ড, ভারতীয় রুপি, সৌদি রিয়াল, শ্রীলঙ্কান রুপি, পাকিস্তানি রুপি, নেপালি রুপি, ইউরো, ওমানি বাইসা, সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিরহাম, মালদ্বীপের রুপি, কাতারি রিয়াল, হংকং ডলার ও ব্রুনাই ডলার
- 📌 জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন ঘোষণা করেছেন মাজারের ব্যবস্থাপনায় একজন ম্যানেজার, একাউন্টেন্ট ও কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগ দেওয়া হবে
- 📌 মাজারের আয়ের ৬৫ শতাংশ টাকা মাজারের দৈনন্দিন খরচ ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতায় ব্যবহার করা হবে
- 📌 মধ্যবর্তী সময়ে জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে অন্তত আরও একবার দানবাক্সের অর্থ গণনা করা হবে
📰 বিস্তারিত
সিলেট জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, মাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন গণনা কার্যক্রমে। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, এই অর্থ থেকে মাজারের বিদ্যুৎ বিলসহ বিভিন্ন ইউটিলিটি বিল এবং নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যদের বেতন পরিশোধ করা হবে।
জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন মিডিয়া কর্মীদের সাথে আলাপকালে বলেন, “সংগৃহীত টাকা ব্যাংকে জমা রাখা হবে। মাজারের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় একজন ম্যানেজার, একজন একাউন্টেন্ট ও একজন কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগ দেওয়া হবে। নতুন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়োগ সম্পূর্ণ হতে আনুমানিক এক মাসের মতো সময় লাগতে পারে। নিয়োগ সম্পন্ন হলে নিয়মিত প্রতিদিনের টাকা প্রতিদিনই গণনা করা সম্ভব হবে। তবে মধ্যবর্তী সময়ে জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে অন্তত আরও একবার একইভাবে দানবাক্সের অর্থ গণনা করা হবে।”
জেলা প্রশাসক আরও জানান, নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ হলে মাজারের আয়ের ৬৫ শতাংশ টাকা মাজারের দৈনন্দিন খরচ ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতায় ব্যবহার করা হবে। তিনি বলেন, “অর্থ বণ্টনের স্বচ্ছতা নিয়ে উচ্চপর্যায়ের কমিটি মাজারের পরিচালন ব্যয় ও সার্বিক বাস্তবতা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেছে।”
"মাজারের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় একজন ম্যানেজার, একজন একাউন্টেন্ট ও একজন কম্পিউটার অপারেটর নিয়োগ দেওয়া হবে। নতুন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়োগ সম্পূর্ণ হতে আনুমানিক এক মাসের মতো সময় লাগতে পারে। নিয়োগ সম্পন্ন হলে নিয়মিত প্রতিদিনের টাকা প্রতিদিনই গণনা করা সম্ভব হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিলেট, শাহজালাল মাজার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন (জেলা প্রশাসক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৮ লাখ ৬৫ হাজার টাকা, ১৮টি বৈদেশিক মুদ্রা, ৬৫ শতাংশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!