📌 সিলেট জেলায় বিআরটিসির ফ্রি ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে দুর্নীতির অভিযোগে জেলা প্রশাসন ৩ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে। কমিটি ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। সারাবাংলা প্রকাশিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে প্রশিক্ষণ ইনচার্জের বিরুদ্ধে ঘুষ, জাল স্বাস্থ্য সনদ ও ভাতা চুরির অভিযোগ উঠেছে
সিলেট জেলার আলমপুরে বিআরটিসির ফ্রি ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে দুর্নীতির অভিযোগে প্রশাসনের দ্রুত প্রতিক্রিয়া নেয়া হয়েছে। সারাবাংলা প্রকাশিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে আসা দুর্নীতির অভিযোগের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই জেলা প্রশাসন ৩ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুনের সইয়ে গঠিত এই কমিটিকে আলমপুর ডিপোতে সরেজমিন তদন্ত করে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সিলেট জেলা প্রশাসন ৩ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে বিআরটিসির ফ্রি ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের দুর্নীতির তদন্তের জন্য
- 📌 কমিটির আহ্বায়ক হলেন স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক, সদস্য হিসেবে দক্ষিণ সুরমা উপজেলার ইউএনও ও জেলা প্রশাসনের ডেপুটি কালেক্টর
- 📌 কমিটিকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত তদন্ত শেষ করে জেলা প্রশাসকের কাছে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
- 📌 সারাবাংলা প্রকাশিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে প্রশিক্ষণ ইনচার্জ মাহবুব রহমানের বিরুদ্ধে ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে
- 📌 প্রশিক্ষণার্থীদের পাস করানোর নামে ঘুষ নেওয়া, ওসমানী মেডিকেলের চিকিৎসকের সিল নকল করে স্বাস্থ্য সনদ জালিয়াতি, জ্বালানি তেল আত্মসাৎ ও ভাতা চুরির অভিযোগও রয়েছে
📰 বিস্তারিত
সিলেট জেলার আলমপুরে বিআরটিসির প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে পরিচালিত বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় বিনামূল্যে চার মাস মেয়াদি মোটরযান ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কোর্সে দুর্নীতির অভিযোগের পর জেলা প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ নেয়। সারাবাংলা প্রকাশিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে প্রশিক্ষণ ইনচার্জ মাহবুব রহমানের বিরুদ্ধে প্রশিক্ষণার্থীদের পাস করানোর নামে ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত ঘুষ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়েছে, তিনি ওসমানী মেডিকেলের চিকিৎসকের সিল নকল করে নিজেই ‘ভুয়া ডাক্তার’ সেজে স্বাস্থ্য সনদ জালিয়াতি করেছে। এছাড়া জ্বালানি তেল আত্মসাৎ এবং মৃত বা অনুপস্থিত ব্যক্তিদের নামে ভুয়া হাজিরা দেখিয়ে ভাতা তোলার অভিযোগও রয়েছে।
সারাবাংলার এই অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর স্থানীয় সচেতন মহলে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়। গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের ঠিক ২৪ ঘণ্টার মাথায় জেলা প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ নেয়। জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুনের সইয়ে গঠিত তদন্ত কমিটিতে স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। সদস্য হিসেবে দক্ষিণ সুরমা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং জেলা প্রশাসনের নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
কমিটিকে দ্রুততম সময়ে আলমপুর ডিপোতে গিয়ে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের পুঙ্খানুপুঙ্খ তথ্য সংগ্রহ, অনিয়মের অভিযোগগুলো যাচাই-বাছাই এবং সুনির্দিষ্ট সত্যতা চিহ্নিত করে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত বিস্তারিত তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
"পরীক্ষায় পাস করাতে ইনচার্জ নেন ৩ হাজার টাকা ঘুষ, ‘ভুয়া ডাক্তার’ সেজে দেন স্বাস্থ্য সনদ"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আলমপুর, সিলেট জেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন, প্রশিক্ষণ ইনচার্জ মাহবুব রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ সদস্য (তদন্ত কমিটি), ২৪ ঘণ্টা (প্রতিক্রিয়া সময়), ১৫ অক্টোবর (প্রতিবেদন জমা দিন), ৩ হাজার টাকা (ঘুষ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!